জয়পুরহাটের পাঁচবিবির পাথরঘাটা এলাকার একটি সেতুর পাশ থেকে সাখাওয়াত হোসেন (২৬) নামে এক যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাঁর শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে তাঁকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ।
নিহত সাখাওয়াত হোসেন উপজেলার আটাপুর ইউনিয়নের সূর্যাপুর চকপাড়া গ্রামের মৃত আনোয়ার হোসেনের ছেলে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, নিহতের বড় ভাই শাহারুল অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। স্ট্রোকজনিত কারণে তিনি ঢাকায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন৷ এ অবস্থায় বড় ভাইয়ের অটোভ্যানটি চালাচ্ছিলেন সাখাওয়াত।
গত মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ভাড়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন তিনি। বিকেল ৪টার পর থেকে তাঁর আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। রাত গভীর হলেও বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) ভোরে পাথরঘাটা সেতুর পশ্চিম পাশে একটি চায়ের টংঘরের কাছে সাখাওয়াতের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। পরে তাঁরা পুলিশকে খবর দিলে খবর পেয়ে পাঁচবিবি থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং পরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য জয়পুরহাট ৪০০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
পাঁচবিবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তামবিরুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অটোভ্যান ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে সাখাওয়াতকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬
জয়পুরহাটের পাঁচবিবির পাথরঘাটা এলাকার একটি সেতুর পাশ থেকে সাখাওয়াত হোসেন (২৬) নামে এক যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাঁর শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে তাঁকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ।
নিহত সাখাওয়াত হোসেন উপজেলার আটাপুর ইউনিয়নের সূর্যাপুর চকপাড়া গ্রামের মৃত আনোয়ার হোসেনের ছেলে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, নিহতের বড় ভাই শাহারুল অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। স্ট্রোকজনিত কারণে তিনি ঢাকায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন৷ এ অবস্থায় বড় ভাইয়ের অটোভ্যানটি চালাচ্ছিলেন সাখাওয়াত।
গত মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ভাড়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন তিনি। বিকেল ৪টার পর থেকে তাঁর আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। রাত গভীর হলেও বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) ভোরে পাথরঘাটা সেতুর পশ্চিম পাশে একটি চায়ের টংঘরের কাছে সাখাওয়াতের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। পরে তাঁরা পুলিশকে খবর দিলে খবর পেয়ে পাঁচবিবি থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং পরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য জয়পুরহাট ৪০০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
পাঁচবিবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তামবিরুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অটোভ্যান ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে সাখাওয়াতকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন