জয়পুরহাট    বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
Daily Joypur Barta

গোদাগাড়ীতে সহকর্মীর বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি মামলা



গোদাগাড়ীতে সহকর্মীর বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি মামলা
ছবি- প্রতিনিধি

রাজশাহীর  গোদাগাড়ীতে সহকর্মীর বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি মামলার ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার গোদাগাড়ী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক, রসায়ন বিভাগের প্রভাষক  কামরুল আহসান কাজলকে নারী নির্যাতন মামলায়  ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগে প্রকাশ।   

মামলাটি করেছেন, একই কলেজের ভূগোল বিভাগের প্রভাষক রোখশানা নাজনীন, তাঁর স্কুল পড়ুয়া মেয়ের শ্লীলতাহানির অভিযোগে। ঘটনার তারিখ ২০২৫ সালের ৪ আগস্ট। 

অপর দিকে ২০২৫ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর  প্রতারণা মামলায় প্রভাষক রোখশানা নাজনীনকে বিবাদী করে কোর্ট মামলা করেছেন কামরুল আহসান কাজল। অন্যদিকে রোখশানা নাজনীনের মামলা দায়ের দিন ২০২৫ সালের ১৪ ই সেপ্টেম্বর। অর্থাৎ একই দিন তারিখে উভয়ে উভয়ের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি মামলা করেছেন। 

ঘটনা, মামলার নথি ও শিক্ষক কর্মচারী সূত্রে জানা গেছে, মামলার বাদী-বিবাদী পরস্পর সহকর্মী। 

কামরুল আহসান জানিয়েছেন, তাঁরা যৌথ মালিকানায় নগরীর সিলিন্দা মোড়ে ফ্ল্যাট নির্মাণ করছেন। ফ্ল্যাট নির্মাণের প্রাক্কালে বিগত ২০২২ সালের শেষ নাগাদ কামরুল আহসান কাজলের নিকট পাঁচ লক্ষ টাকা কর্জ নেন রোখসানা নাজনীন। তিনশত টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে উভয়ের মধ্যে চুক্তিনামা রয়েছে। 

প্রভাষক কামরুল আহসান কাজল জানান, পাওনা টাকা নাজনীনের কাছে চাইলে তিনি নানা অজুহাতে কাল বিলম্ব করতে থাকেন। এছাড়াও কলেজের শিক্ষক পরিষদ নির্বাচনে আমি প্রার্থী ছিলাম। বিপুল ভোটের ব্যবধানে আমি সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হই। নির্বাচন নিয়েও আমাদের মধ্যে কিছুটা দূরত্ব তৈরী হয়। এসবকে পূঁজি করে নাজনীন ষড়যন্ত্র করতে থাকেন। টাকা না দেওয়ার পাঁয়তারা শুরু করেন। শেষ পর্যন্ত আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে আসছেন। 

এ সব বিষয়ে রোখসানা নাজনীনের কাছে জানতে চাইলে তিনি টাকা গ্রহণের কথা অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবী করেন, নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে তিনি স্বাক্ষর করেননি। ঘটনার তারিখ  ৪ আগস্ট  আর নারী নির্যাতন  মামলা করলেন ১৪ সেপ্টেম্বর এমন প্রশ্নের জবাবে রোখশানা নাজনীন বলেন, নানা কারণে মামলা করতে বিলম্ব হয়েছে।   

 কলেজের প্রভাষক মিনহাজ কবীর, নূর আলম সিদ্দিক বাবর সহ বেশ কয়েকজন শিক্ষক বলেন, কামরুল আহসান কাজল অত্যন্ত ভদ্রলোক। তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হওয়া দুঃখজনক। 

 প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মইনুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন, কামরুল আহসান কাজল  শিক্ষক পরিষদের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক। পরস্পরের মামলা সম্পর্কে তিনি অবগত বলে এই প্রতিবেদককে জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন

Daily Joypur Barta

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


গোদাগাড়ীতে সহকর্মীর বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি মামলা

প্রকাশের তারিখ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

রাজশাহীর  গোদাগাড়ীতে সহকর্মীর বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি মামলার ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার গোদাগাড়ী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক, রসায়ন বিভাগের প্রভাষক  কামরুল আহসান কাজলকে নারী নির্যাতন মামলায়  ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগে প্রকাশ।   

মামলাটি করেছেন, একই কলেজের ভূগোল বিভাগের প্রভাষক রোখশানা নাজনীন, তাঁর স্কুল পড়ুয়া মেয়ের শ্লীলতাহানির অভিযোগে। ঘটনার তারিখ ২০২৫ সালের ৪ আগস্ট। 

অপর দিকে ২০২৫ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর  প্রতারণা মামলায় প্রভাষক রোখশানা নাজনীনকে বিবাদী করে কোর্ট মামলা করেছেন কামরুল আহসান কাজল। অন্যদিকে রোখশানা নাজনীনের মামলা দায়ের দিন ২০২৫ সালের ১৪ ই সেপ্টেম্বর। অর্থাৎ একই দিন তারিখে উভয়ে উভয়ের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি মামলা করেছেন। 

ঘটনা, মামলার নথি ও শিক্ষক কর্মচারী সূত্রে জানা গেছে, মামলার বাদী-বিবাদী পরস্পর সহকর্মী। 

কামরুল আহসান জানিয়েছেন, তাঁরা যৌথ মালিকানায় নগরীর সিলিন্দা মোড়ে ফ্ল্যাট নির্মাণ করছেন। ফ্ল্যাট নির্মাণের প্রাক্কালে বিগত ২০২২ সালের শেষ নাগাদ কামরুল আহসান কাজলের নিকট পাঁচ লক্ষ টাকা কর্জ নেন রোখসানা নাজনীন। তিনশত টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে উভয়ের মধ্যে চুক্তিনামা রয়েছে। 

প্রভাষক কামরুল আহসান কাজল জানান, পাওনা টাকা নাজনীনের কাছে চাইলে তিনি নানা অজুহাতে কাল বিলম্ব করতে থাকেন। এছাড়াও কলেজের শিক্ষক পরিষদ নির্বাচনে আমি প্রার্থী ছিলাম। বিপুল ভোটের ব্যবধানে আমি সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হই। নির্বাচন নিয়েও আমাদের মধ্যে কিছুটা দূরত্ব তৈরী হয়। এসবকে পূঁজি করে নাজনীন ষড়যন্ত্র করতে থাকেন। টাকা না দেওয়ার পাঁয়তারা শুরু করেন। শেষ পর্যন্ত আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে আসছেন। 

এ সব বিষয়ে রোখসানা নাজনীনের কাছে জানতে চাইলে তিনি টাকা গ্রহণের কথা অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবী করেন, নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে তিনি স্বাক্ষর করেননি। ঘটনার তারিখ  ৪ আগস্ট  আর নারী নির্যাতন  মামলা করলেন ১৪ সেপ্টেম্বর এমন প্রশ্নের জবাবে রোখশানা নাজনীন বলেন, নানা কারণে মামলা করতে বিলম্ব হয়েছে।   

 কলেজের প্রভাষক মিনহাজ কবীর, নূর আলম সিদ্দিক বাবর সহ বেশ কয়েকজন শিক্ষক বলেন, কামরুল আহসান কাজল অত্যন্ত ভদ্রলোক। তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হওয়া দুঃখজনক। 

 প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মইনুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন, কামরুল আহসান কাজল  শিক্ষক পরিষদের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক। পরস্পরের মামলা সম্পর্কে তিনি অবগত বলে এই প্রতিবেদককে জানিয়েছেন।


Daily Joypur Barta



কপিরাইট © ২০২৬ Daily Joypur Barta । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত