নওগাঁর বদলগাছী উপজেলায় নিজ শয়নকক্ষ থেকে সিফাত হোসেন (১৫) নামে এক কিশোরের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) সকালে উপজেলার বিলাশবাড়ী ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত সিফাত হোসেন ওই গ্রামের মো.আসাদুল ইসলাম কুইনের ছেলে। সে বাবা-মায়ের সঙ্গে ঢাকায় থেকে একটি হোটেলে কাজ করত বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকায় থাকার সময় আসমা বেগম নামে এক তালাকপ্রাপ্ত নারীর সঙ্গে সিফাতের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সে ওই নারীকে বিয়ে করতে চেয়েছিল। তবে সিফাতের বয়স কম হওয়ায় তার বাবা-মা এ বিয়েতে রাজি হননি। এ কারণে ঘটনার প্রায় সাত দিন আগে তাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। প্রথমে নানির বাড়িতে থাকার পর তিন দিন আগে সে নিজ বাড়িতে আসে।
পরিবারের সদস্যদের বরাতে জানা যায়, রোববার (১১ অক্টোবর) রাতে চাচার বাড়িতে খাবার খেয়ে রাত ১০টার দিকে নিজ শয়নকক্ষে ঘুমাতে যায় সিফাত। পরদিন সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তার চাচি সুজি বেগম নাশতা খাওয়ার জন্য ডাকাডাকি করেন। কিন্তু ভেতর থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে দেয়ালের ফাঁক দিয়ে উঁকি দিয়ে দেখেন, ঘরের বাঁশের তীরের সঙ্গে রশি দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় সিফাত ঝুলছে।
পরে তার চাচির চিৎকারে পরিবারের অন্য সদস্যরা এগিয়ে আসেন। তারা দরজা খুলে ঘরে প্রবেশ করে সিফাতকে নিচে নামান। তবে ততক্ষণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হয়।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিয়ের বিষয়ে পরিবারের অসম্মতির কারণে অভিমান থেকে সে আত্মহত্যা করে থাকতে পারে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনার সময় সিফাতের বাবা-মা ঢাকায় ছিলেন। খবর পেয়ে তারা বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়েছেন বলে জানা গেছে। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত মরদেহ থানায় রয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বদলগাছী থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাবিবুর রহমান জানান,প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলেই মনে হচ্ছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
তদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ অক্টোবর ২০২৬
নওগাঁর বদলগাছী উপজেলায় নিজ শয়নকক্ষ থেকে সিফাত হোসেন (১৫) নামে এক কিশোরের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) সকালে উপজেলার বিলাশবাড়ী ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত সিফাত হোসেন ওই গ্রামের মো.আসাদুল ইসলাম কুইনের ছেলে। সে বাবা-মায়ের সঙ্গে ঢাকায় থেকে একটি হোটেলে কাজ করত বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকায় থাকার সময় আসমা বেগম নামে এক তালাকপ্রাপ্ত নারীর সঙ্গে সিফাতের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সে ওই নারীকে বিয়ে করতে চেয়েছিল। তবে সিফাতের বয়স কম হওয়ায় তার বাবা-মা এ বিয়েতে রাজি হননি। এ কারণে ঘটনার প্রায় সাত দিন আগে তাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। প্রথমে নানির বাড়িতে থাকার পর তিন দিন আগে সে নিজ বাড়িতে আসে।
পরিবারের সদস্যদের বরাতে জানা যায়, রোববার (১১ অক্টোবর) রাতে চাচার বাড়িতে খাবার খেয়ে রাত ১০টার দিকে নিজ শয়নকক্ষে ঘুমাতে যায় সিফাত। পরদিন সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তার চাচি সুজি বেগম নাশতা খাওয়ার জন্য ডাকাডাকি করেন। কিন্তু ভেতর থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে দেয়ালের ফাঁক দিয়ে উঁকি দিয়ে দেখেন, ঘরের বাঁশের তীরের সঙ্গে রশি দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় সিফাত ঝুলছে।
পরে তার চাচির চিৎকারে পরিবারের অন্য সদস্যরা এগিয়ে আসেন। তারা দরজা খুলে ঘরে প্রবেশ করে সিফাতকে নিচে নামান। তবে ততক্ষণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হয়।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিয়ের বিষয়ে পরিবারের অসম্মতির কারণে অভিমান থেকে সে আত্মহত্যা করে থাকতে পারে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনার সময় সিফাতের বাবা-মা ঢাকায় ছিলেন। খবর পেয়ে তারা বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়েছেন বলে জানা গেছে। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত মরদেহ থানায় রয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বদলগাছী থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাবিবুর রহমান জানান,প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলেই মনে হচ্ছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
তদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন