পাবনার চাটমোহর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসেবে ১৮ অক্টোবর রবিবার যোগদান করেছেন ডাঃ মোঃ লুৎফুল কবীর।
যোগদানের পর থেকেই তিনি হাসপাতাল প্রাঙ্গণের সার্বিক পরিচ্ছন্নতা, রোগীসেবার মান উন্নয়ন ও স্বচ্ছতাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ শুরু করেছেন।
ডাঃ কবীর জানান, যোগদানের প্রথম দিন থেকেই তিনি হাসপাতাল কমপ্লেক্সের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু করেছেন।
ইতিমধ্যে পুকুর অপরিষ্কার দেখে তিনি নিজ উদ্যোগে পুকুর পরিষ্কারের কাজও শুরু করেছেন। হাসপাতাল প্রাঙ্গণসহ পুরো কমপ্লেক্স পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখাকে তিনি বর্তমান সময়ের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, “পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা দিয়েই শুরু করেছি। হাসপাতালে যেন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকে এটা আমাদের প্রধান লক্ষ্য। আপনারা দেখতেই পাচ্ছেন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চলছে। ইনশাআল্লাহ এটা চলবে।”
ডাঃ কবীর আরও জানান, পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি রোগীর সেবার মান, খাবারের মান এবং ওষুধ সরবরাহের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
হাসপাতালে কোন কোন ওষুধ সরবরাহ আছে এবং আউটডোর-ইনডোরে কোন কোন ওষুধ দেওয়া হচ্ছে—সেসব তথ্য কম্পিউটারে সংরক্ষণ করে বিভিন্ন স্থানে প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হবে, যাতে রোগীরা সহজে জানতে পারেন।
টিউবওয়েল সংকটের বিষয়ে তিনি বলেন, সম্প্রতি মাসিক সমন্বয় সভায় বিষয়টি তুলে ধরেছেন। নতুন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খুবই ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছেন এবং অল্প সময়ের মধ্যেই ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
রাতের বেলা হাসপাতাল প্রাঙ্গণের অন্ধকারাচ্ছন্ন স্থানগুলোতে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করা হবে বলেও তিনি প্রতিশ্রুতি দেন।
ডাঃ কবীর বলেন, “আমরা আমাদের সামর্থ্যের মধ্যে যা আছে, সর্বস্ব দিয়ে চেষ্টা করব। ইনশাআল্লাহ সবকিছু সঠিকভাবে দেখা হবে।”
স্থানীয়রা নতুন এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং আশা করছেন, চাটমোহর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেবার মান দ্রুত উন্নত হবে।

শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬
পাবনার চাটমোহর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসেবে ১৮ অক্টোবর রবিবার যোগদান করেছেন ডাঃ মোঃ লুৎফুল কবীর।
যোগদানের পর থেকেই তিনি হাসপাতাল প্রাঙ্গণের সার্বিক পরিচ্ছন্নতা, রোগীসেবার মান উন্নয়ন ও স্বচ্ছতাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ শুরু করেছেন।
ডাঃ কবীর জানান, যোগদানের প্রথম দিন থেকেই তিনি হাসপাতাল কমপ্লেক্সের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু করেছেন।
ইতিমধ্যে পুকুর অপরিষ্কার দেখে তিনি নিজ উদ্যোগে পুকুর পরিষ্কারের কাজও শুরু করেছেন। হাসপাতাল প্রাঙ্গণসহ পুরো কমপ্লেক্স পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখাকে তিনি বর্তমান সময়ের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, “পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা দিয়েই শুরু করেছি। হাসপাতালে যেন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকে এটা আমাদের প্রধান লক্ষ্য। আপনারা দেখতেই পাচ্ছেন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চলছে। ইনশাআল্লাহ এটা চলবে।”
ডাঃ কবীর আরও জানান, পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি রোগীর সেবার মান, খাবারের মান এবং ওষুধ সরবরাহের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
হাসপাতালে কোন কোন ওষুধ সরবরাহ আছে এবং আউটডোর-ইনডোরে কোন কোন ওষুধ দেওয়া হচ্ছে—সেসব তথ্য কম্পিউটারে সংরক্ষণ করে বিভিন্ন স্থানে প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হবে, যাতে রোগীরা সহজে জানতে পারেন।
টিউবওয়েল সংকটের বিষয়ে তিনি বলেন, সম্প্রতি মাসিক সমন্বয় সভায় বিষয়টি তুলে ধরেছেন। নতুন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খুবই ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছেন এবং অল্প সময়ের মধ্যেই ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
রাতের বেলা হাসপাতাল প্রাঙ্গণের অন্ধকারাচ্ছন্ন স্থানগুলোতে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করা হবে বলেও তিনি প্রতিশ্রুতি দেন।
ডাঃ কবীর বলেন, “আমরা আমাদের সামর্থ্যের মধ্যে যা আছে, সর্বস্ব দিয়ে চেষ্টা করব। ইনশাআল্লাহ সবকিছু সঠিকভাবে দেখা হবে।”
স্থানীয়রা নতুন এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং আশা করছেন, চাটমোহর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেবার মান দ্রুত উন্নত হবে।

আপনার মতামত লিখুন