নওগাঁর পত্নীতলায় আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা সুষ্ঠু, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদযাপন এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে প্রস্তুতিমূলক ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিফাত আরা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ.জেড.এম. নাহিদ হোসেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. সোহরাব হোসেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এস.এম. গোলাম কায়ছার, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আশীষ কুমার দেবনাথ, পত্নীতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নিয়ামুল হক, কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম,উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. মোকসেদুল হক, পৌর বিএনপির সভাপতি মো. মামুন হোসেন এবং পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি সবুজ সাহাসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
সভায় জানানো হয়, এ বছর পত্নীতলা উপজেলায় ৮৪টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপিত হবে। পূজামণ্ডপগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়। এ ছাড়া পূজার সময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, স্বাস্থ্যসেবা ও ফায়ার সার্ভিসের প্রস্তুতি রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ অক্টোবর ২০২৬
নওগাঁর পত্নীতলায় আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা সুষ্ঠু, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদযাপন এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে প্রস্তুতিমূলক ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিফাত আরা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ.জেড.এম. নাহিদ হোসেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. সোহরাব হোসেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এস.এম. গোলাম কায়ছার, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আশীষ কুমার দেবনাথ, পত্নীতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নিয়ামুল হক, কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম,উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. মোকসেদুল হক, পৌর বিএনপির সভাপতি মো. মামুন হোসেন এবং পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি সবুজ সাহাসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
সভায় জানানো হয়, এ বছর পত্নীতলা উপজেলায় ৮৪টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপিত হবে। পূজামণ্ডপগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়। এ ছাড়া পূজার সময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, স্বাস্থ্যসেবা ও ফায়ার সার্ভিসের প্রস্তুতি রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন