নওগাঁর মহাদেবপুরে মায়ের দাফনের জন্য নিজ জমির বাঁশঝাড় থেকে বাঁশ কাটতে গিয়ে বাধা ও চাচাতো ভাইকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মহাদেবপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন শরিফুল ইসলাম (৪৫)।
অভিযোগের বিষয়ে সরেজমিনে গিয়ে জানা যায় উপজেলার ৮ নম্বর উত্তরগ্রাম ইউনিয়নের উত্তরগ্রাম (পূর্বপাড়া) এলাকার বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেমের স্ত্রী শরিফুল ইসলামের মা গত ৩ নভেম্বর রাত সারে ১১টার সময় মারা যান। পরদিন ৪ নভেম্বর সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে মায়ের কাফন-দাফনের জন্য তাঁর চাচাতো ভাই আল মামুনসহ গ্রামের কয়েকজন ব্যক্তি উত্তরগ্রাম মৌজায় অবস্থিত তাঁদের ১৫ শতক জমির বাঁশঝাড়ে বাঁশ কাটতে যান।
এ সময় প্রতিবেশী ময়েন উদ্দিন (৩৮), তাঁর স্ত্রী লায়লা আরজুমান (৩২) এবং অজ্ঞাতনামা আরও চারজন সেখানে গিয়ে বাঁশ কাটতে বাধা দেন । এ নিয়ে কথা বলতে গেলে আল মামুনকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয় এবং একপর্যায়ে তাঁকে মারধর করে। জমিতে গেলে তাঁদের পরিবারের সদস্যদেরও মারধরের হুমকি দেওয়া হয়েছে। মায়ের মৃত্যুতে পরিবারটি শোকাহত থাকায় তাঁরা বিরোধপূর্ণ জমিতে না গিয়ে অন্য স্থান থেকে বাঁশ সংগ্রহ করে দাফন কার্যক্রম সম্পন্ন করেন।
শরিফুল ইসলাম বলেন জমিটি তিনি ক্রয়সূত্রে মালিকানা লাভ করে এবং দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন। নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর থেকেই জমিটি দখলের পায়তারা চালাচ্ছেন অভিযুক্তরা। জমিটি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করছেন। জমি নিয়ে যেকোনো সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।
ঘটনার বিষয়ে নুরনবী, দুলাল, হোসেনসহ স্থানীয় কয়েকজন বলেন এই ময়েন উদ্দিন রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে মানুষের সাথে মারামারি জমিদখল গ্রামের সাধারণ মানুষকে মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাঁসানো, এবং চাঁদাবাজি ছিনতাই সহ সকল কাজে লিপ্ত এই ময়েন উদ্দিন। আওয়ামীলীগ সরকার শাসন আমলে তিনি রকি বাহিনীর সোর্স হিসেবে এলাকায় তৎপরতা চালায়, মাদক সরবরাহের সহযোগিতা করে মাদক ব্যবসায়ীদের।
তবে এ ঘটনায় শরিফুল ইসলাম মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়ে বিষয়টি তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানিয়েছেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ময়েনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এ বিষয়ে মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ওমর ফারুক জানান অভিযোগের বিষয়টি দেখা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ নভেম্বর ২০২৬
নওগাঁর মহাদেবপুরে মায়ের দাফনের জন্য নিজ জমির বাঁশঝাড় থেকে বাঁশ কাটতে গিয়ে বাধা ও চাচাতো ভাইকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মহাদেবপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন শরিফুল ইসলাম (৪৫)।
অভিযোগের বিষয়ে সরেজমিনে গিয়ে জানা যায় উপজেলার ৮ নম্বর উত্তরগ্রাম ইউনিয়নের উত্তরগ্রাম (পূর্বপাড়া) এলাকার বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেমের স্ত্রী শরিফুল ইসলামের মা গত ৩ নভেম্বর রাত সারে ১১টার সময় মারা যান। পরদিন ৪ নভেম্বর সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে মায়ের কাফন-দাফনের জন্য তাঁর চাচাতো ভাই আল মামুনসহ গ্রামের কয়েকজন ব্যক্তি উত্তরগ্রাম মৌজায় অবস্থিত তাঁদের ১৫ শতক জমির বাঁশঝাড়ে বাঁশ কাটতে যান।
এ সময় প্রতিবেশী ময়েন উদ্দিন (৩৮), তাঁর স্ত্রী লায়লা আরজুমান (৩২) এবং অজ্ঞাতনামা আরও চারজন সেখানে গিয়ে বাঁশ কাটতে বাধা দেন । এ নিয়ে কথা বলতে গেলে আল মামুনকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয় এবং একপর্যায়ে তাঁকে মারধর করে। জমিতে গেলে তাঁদের পরিবারের সদস্যদেরও মারধরের হুমকি দেওয়া হয়েছে। মায়ের মৃত্যুতে পরিবারটি শোকাহত থাকায় তাঁরা বিরোধপূর্ণ জমিতে না গিয়ে অন্য স্থান থেকে বাঁশ সংগ্রহ করে দাফন কার্যক্রম সম্পন্ন করেন।
শরিফুল ইসলাম বলেন জমিটি তিনি ক্রয়সূত্রে মালিকানা লাভ করে এবং দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন। নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর থেকেই জমিটি দখলের পায়তারা চালাচ্ছেন অভিযুক্তরা। জমিটি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করছেন। জমি নিয়ে যেকোনো সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।
ঘটনার বিষয়ে নুরনবী, দুলাল, হোসেনসহ স্থানীয় কয়েকজন বলেন এই ময়েন উদ্দিন রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে মানুষের সাথে মারামারি জমিদখল গ্রামের সাধারণ মানুষকে মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাঁসানো, এবং চাঁদাবাজি ছিনতাই সহ সকল কাজে লিপ্ত এই ময়েন উদ্দিন। আওয়ামীলীগ সরকার শাসন আমলে তিনি রকি বাহিনীর সোর্স হিসেবে এলাকায় তৎপরতা চালায়, মাদক সরবরাহের সহযোগিতা করে মাদক ব্যবসায়ীদের।
তবে এ ঘটনায় শরিফুল ইসলাম মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়ে বিষয়টি তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানিয়েছেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ময়েনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এ বিষয়ে মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ওমর ফারুক জানান অভিযোগের বিষয়টি দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন