পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার দেবোত্তর ইউনিয়নে পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে সাইফুল ইসলাম নামে এক যুবককে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে আটঘরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দেবোত্তর ইউনিয়নের রাজাই প্রামাণিকের ছেলে সাইফুল ইসলামের সঙ্গে চাঁদবা ইউনিয়নের কোমরশার গ্রামের মোহাম্মদ সোলের মেয়ের প্রায় তিন বছর আগে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বনিবনা না হওয়ায় মাঝেমধ্যে পারিবারিক অশান্তি দেখা দিত।
পরিবারের অভিযোগ, এই বিরোধের জেরে একপর্যায়ে স্ত্রী রাত আনুমানিক ১১টার দিকে কাউকে কিছু না জানিয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে বেরিয়ে বাবার বাড়িতে চলে যান। এ সময় শ্বশুরবাড়ির প্রায় এক লাখ ২০ হাজার টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করেছেন সাইফুলের পরিবার।
পরবর্তীতে সাইফুল ইসলাম মাঠে ঘাস কাটতে গেলে একই এলাকার আরমান প্রামাণিকের ছেলে মোজাম প্রামাণিক, আশরাফুল প্রামাণিক, আমিরুল প্রামাণিক, সিয়ামসহ কয়েকজন তার ওপর হামলা চালিয়ে ব্যাপক মারধর করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তাকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয় বলে পরিবারের দাবি।
স্থানীয় এলাকাবাসী আহত অবস্থায় সাইফুল ইসলামকে উদ্ধার করে আটঘরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠান। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে পরিবার জানিয়েছে।
এ ঘটনায় সাইফুল ইসলামের পরিবার হামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য জানতে সাংবাদিকরা তাদের বাড়িতে গেলে তারা কথা বলতে রাজি হননি। ফলে তাদের পক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে, ঘটনাটি নিয়ে আদালতে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে। ভুক্তভোগীর পরিবার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ নভেম্বর ২০২৬
পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার দেবোত্তর ইউনিয়নে পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে সাইফুল ইসলাম নামে এক যুবককে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে আটঘরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দেবোত্তর ইউনিয়নের রাজাই প্রামাণিকের ছেলে সাইফুল ইসলামের সঙ্গে চাঁদবা ইউনিয়নের কোমরশার গ্রামের মোহাম্মদ সোলের মেয়ের প্রায় তিন বছর আগে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বনিবনা না হওয়ায় মাঝেমধ্যে পারিবারিক অশান্তি দেখা দিত।
পরিবারের অভিযোগ, এই বিরোধের জেরে একপর্যায়ে স্ত্রী রাত আনুমানিক ১১টার দিকে কাউকে কিছু না জানিয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে বেরিয়ে বাবার বাড়িতে চলে যান। এ সময় শ্বশুরবাড়ির প্রায় এক লাখ ২০ হাজার টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করেছেন সাইফুলের পরিবার।
পরবর্তীতে সাইফুল ইসলাম মাঠে ঘাস কাটতে গেলে একই এলাকার আরমান প্রামাণিকের ছেলে মোজাম প্রামাণিক, আশরাফুল প্রামাণিক, আমিরুল প্রামাণিক, সিয়ামসহ কয়েকজন তার ওপর হামলা চালিয়ে ব্যাপক মারধর করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তাকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয় বলে পরিবারের দাবি।
স্থানীয় এলাকাবাসী আহত অবস্থায় সাইফুল ইসলামকে উদ্ধার করে আটঘরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠান। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে পরিবার জানিয়েছে।
এ ঘটনায় সাইফুল ইসলামের পরিবার হামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য জানতে সাংবাদিকরা তাদের বাড়িতে গেলে তারা কথা বলতে রাজি হননি। ফলে তাদের পক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে, ঘটনাটি নিয়ে আদালতে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে। ভুক্তভোগীর পরিবার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন