দিনাজপুরের পার্বতীপুরে রূপসা এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে রুনা লায়লা (৪৭) নামে এক স্কুলশিক্ষিকার মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পার্বতীপুর রেলওয়ে স্টেশনের উত্তরে গণকবর বস্তিসংলগ্ন রহমতনগর রেলওয়ে কলোনি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত রুনা লায়লা সৈয়দপুরের আল-ফারুক স্কুলের বাংলা বিষয়ের শিক্ষিকা ছিলেন। তাঁর স্বামী আব্দুল আউয়াল সৈয়দপুর ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের বাংলা বিভাগের শিক্ষক।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে তাঁকে গুলপাড়া রেলগেট এলাকায় রেললাইনের পাশে বসে থাকতে দেখা যায়। এ সময় তাঁর অস্বাভাবিক গতিবিধি লক্ষ্য করে স্থানীয় কয়েকজন তাঁকে সেখান থেকে সরে যেতে বলেন।
পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রূপসা এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে তাঁর মৃত্যু হয়। তবে কী কারণে তিনি রেললাইনে অবস্থান করছিলেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
পার্বতীপুর রেলওয়ে জিআরপি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহামুদুন নবী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিহত শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের সহকর্মী, স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ নভেম্বর ২০২৬
দিনাজপুরের পার্বতীপুরে রূপসা এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে রুনা লায়লা (৪৭) নামে এক স্কুলশিক্ষিকার মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পার্বতীপুর রেলওয়ে স্টেশনের উত্তরে গণকবর বস্তিসংলগ্ন রহমতনগর রেলওয়ে কলোনি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত রুনা লায়লা সৈয়দপুরের আল-ফারুক স্কুলের বাংলা বিষয়ের শিক্ষিকা ছিলেন। তাঁর স্বামী আব্দুল আউয়াল সৈয়দপুর ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের বাংলা বিভাগের শিক্ষক।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে তাঁকে গুলপাড়া রেলগেট এলাকায় রেললাইনের পাশে বসে থাকতে দেখা যায়। এ সময় তাঁর অস্বাভাবিক গতিবিধি লক্ষ্য করে স্থানীয় কয়েকজন তাঁকে সেখান থেকে সরে যেতে বলেন।
পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রূপসা এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে তাঁর মৃত্যু হয়। তবে কী কারণে তিনি রেললাইনে অবস্থান করছিলেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
পার্বতীপুর রেলওয়ে জিআরপি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহামুদুন নবী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিহত শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের সহকর্মী, স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন