নওগাঁ সদর উপজেলার চকপ্রসাদ এলাকায় ফসলি জমির মাটি কেটে বিক্রির ঘটনায় বিরোধের জেরে ওসমান গনি নামে এক জামায়াত নেতাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক যুবদল নেতার বিরুদ্ধে। জমির মালিককে না জানিয়ে মাটি কাটার প্রতিবাদ এবং এ ঘটনায় প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী। বর্তমানে তিনি নওগাঁ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে চকপ্রসাদ বাজারে এ ঘটনা ঘটে। আহত ওসমান গনি নওগাঁ পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির।
ভুক্তভোগী ওসমান গনি জানান, চকপ্রসাদ এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দা সাহাবুল বিশ্বাসের একটি ধানিজমি গত এক বছর ধরে লিজ নিয়ে চাষাবাদ করছেন তিনি। গত ২৮ অক্টোবর হঠাৎ ওই জমি থেকে হাবিবুর নামে স্থানীয় এক যুবদল নেতাকে মাটি কাটতে দেখেন। বিষয়টি তিনি জমির মালিক সাহাবুল বিশ্বাসকে জানান এবং মাটি কাটায় বাধা দেন। তবে তার বাধা উপেক্ষা করেই মাটি কাটা অব্যাহত রাখা হয়। এ ঘটনায় প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়ে নিজের ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্টও দেন তিনি।
ওসমান গনির অভিযোগ, ওই ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করেই বৃহস্পতিবার বিকেলে তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। তিনি জানান, ঘটনার সময় চকপ্রসাদ বাজারে নিজের কীটনাশকের দোকানে বসে ছিলেন। এ সময় যুবদল নেতা হাবিবুর, আল আমিন ও সৈকত নামের তিনজন সেখানে এসে তাকে দোকান থেকে বের করে বাজারের এক পাশে নিয়ে যান। পরে সেখানে তাকে মারধর করা হয়।
একপর্যায়ে হামলাকারীদের হাত থেকে বাঁচতে তিনি দৌড়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। পরে তাকে নওগাঁ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
জমির মালিক সাহাবুল বিশ্বাস জানান, গত ২৮ অক্টোবর ওসমান গনি মুঠোফোনে তাকে জমি থেকে মাটি কাটার বিষয়টি জানান। পরে তিনি জানতে পারেন, স্থানীয় যুবদল নেতা হাবিবুর তার জমি থেকে মাটি কেটে অন্যত্র বিক্রি করছেন। বিষয়টি জানার পর তিনি নিজেই জমিতে গিয়ে মাটি কাটতে বাধা দেন। সাহাবুল বিশ্বাসের দাবি, তাঁর জমি থেকে মাটি কাটার বিষয়ে তিনি কিছুই জানতেন না। তাকে না জানিয়েই হাবিবুর মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছিলেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে যুবদল নেতা হাবিবুর জানান, এক বছর আগে সাহাবুল বিশ্বাসকে ২০ হাজার টাকা দিয়ে তিনি ওই জমির মাটি কিনেছিলেন। গত বছর বৃষ্টির কারণে মাটি কাটতে না পারায় এ বছর অল্প কিছু মাটি কেটেছেন। তার দাবি, মাটি কাটার বিষয়টি জমির মালিক জানতেন। তবে ওসমান গনিকে কারা মারধর করেছেন, সে বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। ঘটনার সময় তিনি পারিবারিক কাজে বাইরে ছিলেন বলেও দাবি করেন।

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ অক্টোবর ২০২৬
নওগাঁ সদর উপজেলার চকপ্রসাদ এলাকায় ফসলি জমির মাটি কেটে বিক্রির ঘটনায় বিরোধের জেরে ওসমান গনি নামে এক জামায়াত নেতাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক যুবদল নেতার বিরুদ্ধে। জমির মালিককে না জানিয়ে মাটি কাটার প্রতিবাদ এবং এ ঘটনায় প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী। বর্তমানে তিনি নওগাঁ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে চকপ্রসাদ বাজারে এ ঘটনা ঘটে। আহত ওসমান গনি নওগাঁ পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির।
ভুক্তভোগী ওসমান গনি জানান, চকপ্রসাদ এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দা সাহাবুল বিশ্বাসের একটি ধানিজমি গত এক বছর ধরে লিজ নিয়ে চাষাবাদ করছেন তিনি। গত ২৮ অক্টোবর হঠাৎ ওই জমি থেকে হাবিবুর নামে স্থানীয় এক যুবদল নেতাকে মাটি কাটতে দেখেন। বিষয়টি তিনি জমির মালিক সাহাবুল বিশ্বাসকে জানান এবং মাটি কাটায় বাধা দেন। তবে তার বাধা উপেক্ষা করেই মাটি কাটা অব্যাহত রাখা হয়। এ ঘটনায় প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়ে নিজের ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্টও দেন তিনি।
ওসমান গনির অভিযোগ, ওই ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করেই বৃহস্পতিবার বিকেলে তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। তিনি জানান, ঘটনার সময় চকপ্রসাদ বাজারে নিজের কীটনাশকের দোকানে বসে ছিলেন। এ সময় যুবদল নেতা হাবিবুর, আল আমিন ও সৈকত নামের তিনজন সেখানে এসে তাকে দোকান থেকে বের করে বাজারের এক পাশে নিয়ে যান। পরে সেখানে তাকে মারধর করা হয়।
একপর্যায়ে হামলাকারীদের হাত থেকে বাঁচতে তিনি দৌড়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। পরে তাকে নওগাঁ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
জমির মালিক সাহাবুল বিশ্বাস জানান, গত ২৮ অক্টোবর ওসমান গনি মুঠোফোনে তাকে জমি থেকে মাটি কাটার বিষয়টি জানান। পরে তিনি জানতে পারেন, স্থানীয় যুবদল নেতা হাবিবুর তার জমি থেকে মাটি কেটে অন্যত্র বিক্রি করছেন। বিষয়টি জানার পর তিনি নিজেই জমিতে গিয়ে মাটি কাটতে বাধা দেন। সাহাবুল বিশ্বাসের দাবি, তাঁর জমি থেকে মাটি কাটার বিষয়ে তিনি কিছুই জানতেন না। তাকে না জানিয়েই হাবিবুর মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছিলেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে যুবদল নেতা হাবিবুর জানান, এক বছর আগে সাহাবুল বিশ্বাসকে ২০ হাজার টাকা দিয়ে তিনি ওই জমির মাটি কিনেছিলেন। গত বছর বৃষ্টির কারণে মাটি কাটতে না পারায় এ বছর অল্প কিছু মাটি কেটেছেন। তার দাবি, মাটি কাটার বিষয়টি জমির মালিক জানতেন। তবে ওসমান গনিকে কারা মারধর করেছেন, সে বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। ঘটনার সময় তিনি পারিবারিক কাজে বাইরে ছিলেন বলেও দাবি করেন।

আপনার মতামত লিখুন