মানুষের চেয়ে বেশি বুদ্ধিমান ও শক্তিশালী হয়ে উঠলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। এমন পরিস্থিতির পরিণতি ভয়াবহ হতে পারে, এমনকি এর ফলে মানবজাতির বিলুপ্তিও ঘটতে পারে বলে সতর্ক করেছেন এআই প্রযুক্তির অন্যতম পথিকৃৎ জিওফ্রি হিন্টন।
এআইয়ের ‘গডফাদার’ হিসেবে পরিচিত হিন্টনের মতে, নিরাপদ ও নিয়ন্ত্রণযোগ্য এআই তৈরির বিষয়ে বিজ্ঞানীদের মধ্যে এখনো কোনো ঐকমত্য নেই। তাই অতিমানবীয় বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন এআই তৈরির দিকে এখনই এগিয়ে যাওয়া উচিত নয়।
কৃত্রিম নিউরাল নেটওয়ার্ক নিয়ে গবেষণার জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত জিওফ্রি হিন্টন। এআই প্রযুক্তির বর্তমান বিকাশে তার গবেষণার গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। এ কারণেই তাকে এআইয়ের ‘গডফাদার’ বলা হয়। তবে এআইয়ের সম্ভাবনা নিয়ে কাজ করার পাশাপাশি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রযুক্তিটির সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়েও একাধিকবার সতর্ক করেছেন তিনি।
অতিবুদ্ধিমান এআই বলতে এমন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে বোঝানো হয়, যার বুদ্ধিমত্তা ও সক্ষমতা মানুষের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এমনকি কোনো দেশের সামগ্রিক সক্ষমতাকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে। হিন্টনের আশঙ্কা, মানুষের চেয়ে বেশি বুদ্ধিমান এআইয়ের ওপর একবার নিয়ন্ত্রণ হারালে সেটিকে পুনরায় নিয়ন্ত্রণে আনা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়তে পারে।
হিন্টনের এই সতর্কবার্তা এমন এক সময়ে সামনে এলো, যখন যুক্তরাজ্যে অতিবুদ্ধিমান এআইয়ের উন্নয়ন ও সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এআইয়ের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করা সংগঠন কন্ট্রোলএআইয়ের সহায়তায় তৈরি ‘ইউকে আর্টিফিশিয়াল সুপারইন্টেলিজেন্স সিকিউরিটি’ নামের একটি বিল ব্রিটিশ পার্লামেন্টে উপস্থাপন করার উদ্যোগ নিয়েছেন লেবার পার্টির সংসদ সদস্য অ্যালেক্স সোবার।
কন্ট্রোলএআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, এআইয়ের সম্ভাব্য সুফল কাজে লাগানোর পাশাপাশি এর ঝুঁকি কমাতে সবচেয়ে শক্তিশালী এআই ব্যবস্থাগুলোর ওপর বাধ্যতামূলক নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা প্রয়োজন।
তবে এআই খাতের সবাই এমন কঠোর নিয়ন্ত্রণের পক্ষে নন। ওপেনএআইয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্যাম অল্টম্যান অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণের বিরোধিতা করে আসছেন। যদিও এআই প্রযুক্তির বিকাশের শুরুর দিকে এই খাতের ওপর আরও নিয়ন্ত্রণ আরোপের প্রয়োজনীয়তার কথা তিনিও বলেছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬
মানুষের চেয়ে বেশি বুদ্ধিমান ও শক্তিশালী হয়ে উঠলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। এমন পরিস্থিতির পরিণতি ভয়াবহ হতে পারে, এমনকি এর ফলে মানবজাতির বিলুপ্তিও ঘটতে পারে বলে সতর্ক করেছেন এআই প্রযুক্তির অন্যতম পথিকৃৎ জিওফ্রি হিন্টন।
এআইয়ের ‘গডফাদার’ হিসেবে পরিচিত হিন্টনের মতে, নিরাপদ ও নিয়ন্ত্রণযোগ্য এআই তৈরির বিষয়ে বিজ্ঞানীদের মধ্যে এখনো কোনো ঐকমত্য নেই। তাই অতিমানবীয় বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন এআই তৈরির দিকে এখনই এগিয়ে যাওয়া উচিত নয়।
কৃত্রিম নিউরাল নেটওয়ার্ক নিয়ে গবেষণার জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত জিওফ্রি হিন্টন। এআই প্রযুক্তির বর্তমান বিকাশে তার গবেষণার গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। এ কারণেই তাকে এআইয়ের ‘গডফাদার’ বলা হয়। তবে এআইয়ের সম্ভাবনা নিয়ে কাজ করার পাশাপাশি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রযুক্তিটির সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়েও একাধিকবার সতর্ক করেছেন তিনি।
অতিবুদ্ধিমান এআই বলতে এমন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে বোঝানো হয়, যার বুদ্ধিমত্তা ও সক্ষমতা মানুষের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এমনকি কোনো দেশের সামগ্রিক সক্ষমতাকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে। হিন্টনের আশঙ্কা, মানুষের চেয়ে বেশি বুদ্ধিমান এআইয়ের ওপর একবার নিয়ন্ত্রণ হারালে সেটিকে পুনরায় নিয়ন্ত্রণে আনা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়তে পারে।
হিন্টনের এই সতর্কবার্তা এমন এক সময়ে সামনে এলো, যখন যুক্তরাজ্যে অতিবুদ্ধিমান এআইয়ের উন্নয়ন ও সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এআইয়ের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করা সংগঠন কন্ট্রোলএআইয়ের সহায়তায় তৈরি ‘ইউকে আর্টিফিশিয়াল সুপারইন্টেলিজেন্স সিকিউরিটি’ নামের একটি বিল ব্রিটিশ পার্লামেন্টে উপস্থাপন করার উদ্যোগ নিয়েছেন লেবার পার্টির সংসদ সদস্য অ্যালেক্স সোবার।
কন্ট্রোলএআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, এআইয়ের সম্ভাব্য সুফল কাজে লাগানোর পাশাপাশি এর ঝুঁকি কমাতে সবচেয়ে শক্তিশালী এআই ব্যবস্থাগুলোর ওপর বাধ্যতামূলক নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা প্রয়োজন।
তবে এআই খাতের সবাই এমন কঠোর নিয়ন্ত্রণের পক্ষে নন। ওপেনএআইয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্যাম অল্টম্যান অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণের বিরোধিতা করে আসছেন। যদিও এআই প্রযুক্তির বিকাশের শুরুর দিকে এই খাতের ওপর আরও নিয়ন্ত্রণ আরোপের প্রয়োজনীয়তার কথা তিনিও বলেছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন