নাটোরের লালপুর উপজেলার কদমচিলান ইউনিয়নে সুপেয় পানির সংকট নিরসনে ব্যক্তিগত অর্থায়নে প্রায় এক হাজার নলকূপ স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী আলহাজ্ব মাওঃ কাজী মোঃ আব্দুল হালিম (মাস্টার)। তাঁর দাবি, ইতোমধ্যে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ২০০টি নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে।
তাঁর পক্ষ থেকে জানানো হয়, ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে দরিদ্র ও নিম্নআয়ের পরিবারের পাশাপাশি মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দির, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানে এসব নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে। ব্যক্তিগত অর্থায়নে পরিচালিত এ উদ্যোগের মাধ্যমে এলাকার মানুষের সুপেয় পানির চাহিদা পূরণে সহযোগিতা করার চেষ্টা করছেন তিনি।
আলহাজ্ব মাওঃ কাজী মোঃ আব্দুল হালিম (মাস্টার) বলেন, “সুপেয় পানি মানুষের মৌলিক প্রয়োজন। এলাকার মানুষ যেন পানির সংকটে না পড়েন, সে লক্ষ্যেই ব্যক্তিগত অর্থায়নে নলকূপ স্থাপনে সহযোগিতা করছি। ইতোমধ্যে প্রায় ২০০টি নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় এলাকায় আরও নলকূপ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।”
তিনি আরও জানান, অসহায় ও দরিদ্র মানুষের সহায়তার পাশাপাশি মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দিরসহ বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সহযোগিতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার চেষ্টা করছেন।
তাঁর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পর্যায়ক্রমে কদমচিলান ইউনিয়নের প্রয়োজনীয় এলাকাগুলোতে নলকূপ স্থাপনের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ অক্টোবর ২০২৬
নাটোরের লালপুর উপজেলার কদমচিলান ইউনিয়নে সুপেয় পানির সংকট নিরসনে ব্যক্তিগত অর্থায়নে প্রায় এক হাজার নলকূপ স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী আলহাজ্ব মাওঃ কাজী মোঃ আব্দুল হালিম (মাস্টার)। তাঁর দাবি, ইতোমধ্যে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ২০০টি নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে।
তাঁর পক্ষ থেকে জানানো হয়, ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে দরিদ্র ও নিম্নআয়ের পরিবারের পাশাপাশি মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দির, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানে এসব নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে। ব্যক্তিগত অর্থায়নে পরিচালিত এ উদ্যোগের মাধ্যমে এলাকার মানুষের সুপেয় পানির চাহিদা পূরণে সহযোগিতা করার চেষ্টা করছেন তিনি।
আলহাজ্ব মাওঃ কাজী মোঃ আব্দুল হালিম (মাস্টার) বলেন, “সুপেয় পানি মানুষের মৌলিক প্রয়োজন। এলাকার মানুষ যেন পানির সংকটে না পড়েন, সে লক্ষ্যেই ব্যক্তিগত অর্থায়নে নলকূপ স্থাপনে সহযোগিতা করছি। ইতোমধ্যে প্রায় ২০০টি নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় এলাকায় আরও নলকূপ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।”
তিনি আরও জানান, অসহায় ও দরিদ্র মানুষের সহায়তার পাশাপাশি মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দিরসহ বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সহযোগিতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার চেষ্টা করছেন।
তাঁর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পর্যায়ক্রমে কদমচিলান ইউনিয়নের প্রয়োজনীয় এলাকাগুলোতে নলকূপ স্থাপনের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন