পাবনার ভাঙ্গুড়ায় নকল দুধ প্রস্তুতকারী এক দুগ্ধ ব্যবসায়ীর বাড়ি সিলগালা ও এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বুধবার রাতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর পাবনার সরকারি পরিচালক মাহমুদ হাসান রনির নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
অভিযুক্ত আবুল বাশার (৪৫) উপজেলার সদর ইউনিয়নের কৈডাঙ্গা গ্রামের আবু তালেবের ছেলে। এর আগেও তিনি দুইবার নকল দুধ তৈরির অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালতে শাস্তি পেয়েছেন।
অভিযানের সময় তার বাড়িতে বিপুল পরিমাণ নকল দুধ তৈরির সরঞ্জাম ও নকল দুধ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আবুল বাশার প্রায় অর্ধযুগ ধরে কস্টিক সোডা, গ্লুকোজ জেলি, সয়াবিন তেল ও চিনি মিশিয়ে নকল দুধ তৈরি করে আসছিলেন।
এই দুধ রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন দুগ্ধ কোম্পানিতে সরবরাহ করা হতো। তিনি নিজের বাড়িতেই দীর্ঘদিন ধরে এই কারখানা পরিচালনা করছিলেন।
গত বছর উপজেলা প্রশাসন তার বাড়িতে একাধিকবার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে আর্থিক জরিমানা করেছিল। তবুও তিনি নিয়মিত নকল দুধ তৈরির কর্মকাণ্ড চালিয়ে যান। সর্বশেষ বুধবার রাতে নকল দুধ তৈরির সময় ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানে ধরা পড়েন। তবে খবর পেয়ে আবুল বাশার পালিয়ে যান।
ফলে তার স্ত্রীকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং বাড়ি সিলগালা করা হয়। একই সঙ্গে নকল দুধ তৈরির সরঞ্জাম ও ব্লেন্ডার ধ্বংস করা হয়।
ভোক্তা কর্মকর্তা মাহমুদ হাসান রনি বলেন, “ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৪২ ও ৪৩ ধারায় অপরাধের দায়ে আবুল বাশারকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
একই সঙ্গে নকল দুধ তৈরির স্থানটি সাময়িকভাবে সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ অক্টোবর ২০২৬
পাবনার ভাঙ্গুড়ায় নকল দুধ প্রস্তুতকারী এক দুগ্ধ ব্যবসায়ীর বাড়ি সিলগালা ও এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বুধবার রাতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর পাবনার সরকারি পরিচালক মাহমুদ হাসান রনির নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
অভিযুক্ত আবুল বাশার (৪৫) উপজেলার সদর ইউনিয়নের কৈডাঙ্গা গ্রামের আবু তালেবের ছেলে। এর আগেও তিনি দুইবার নকল দুধ তৈরির অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালতে শাস্তি পেয়েছেন।
অভিযানের সময় তার বাড়িতে বিপুল পরিমাণ নকল দুধ তৈরির সরঞ্জাম ও নকল দুধ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আবুল বাশার প্রায় অর্ধযুগ ধরে কস্টিক সোডা, গ্লুকোজ জেলি, সয়াবিন তেল ও চিনি মিশিয়ে নকল দুধ তৈরি করে আসছিলেন।
এই দুধ রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন দুগ্ধ কোম্পানিতে সরবরাহ করা হতো। তিনি নিজের বাড়িতেই দীর্ঘদিন ধরে এই কারখানা পরিচালনা করছিলেন।
গত বছর উপজেলা প্রশাসন তার বাড়িতে একাধিকবার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে আর্থিক জরিমানা করেছিল। তবুও তিনি নিয়মিত নকল দুধ তৈরির কর্মকাণ্ড চালিয়ে যান। সর্বশেষ বুধবার রাতে নকল দুধ তৈরির সময় ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানে ধরা পড়েন। তবে খবর পেয়ে আবুল বাশার পালিয়ে যান।
ফলে তার স্ত্রীকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং বাড়ি সিলগালা করা হয়। একই সঙ্গে নকল দুধ তৈরির সরঞ্জাম ও ব্লেন্ডার ধ্বংস করা হয়।
ভোক্তা কর্মকর্তা মাহমুদ হাসান রনি বলেন, “ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৪২ ও ৪৩ ধারায় অপরাধের দায়ে আবুল বাশারকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
একই সঙ্গে নকল দুধ তৈরির স্থানটি সাময়িকভাবে সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

আপনার মতামত লিখুন