পোরশার নিতপুর বাঙালপাড়া গ্রামে একটি বসতবাড়ির দেয়াল প্লাস্টার করাকে কেন্দ্র করে দু'পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারীসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৭ জন আহত হয়েছেন। সোমবার সকালে উপজেলার নিতপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বাঙালপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালের দিকে বাঙালপাড়া গ্রামের আবু কালাম ও আবু হায়াত তাদের নির্মিত একটি ভবনের দেয়াল প্লাস্টারের কাজ শুরু করেন। এ সময় জমির সীমানা দাবি করে একই গ্রামের কেরামদ্দিন ওই কাজে বাধা দেন। এতে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজন লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
সংঘর্ষে এক পক্ষের আবু কালাম (৩৮), আবু হায়াত (৩২), লাতিফা (২৬) ও মাসুদ (৩০) আহত হন। অপর পক্ষে আহত হন কেরামদ্দিন (৮৮), জমির উদ্দিন (৩০) ও অনামিকা (২২) আহত হন।
ঘটনার পর স্থানীয়রা আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। তবে আবু হায়াতের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
এ বিষয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে।

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬
পোরশার নিতপুর বাঙালপাড়া গ্রামে একটি বসতবাড়ির দেয়াল প্লাস্টার করাকে কেন্দ্র করে দু'পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারীসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৭ জন আহত হয়েছেন। সোমবার সকালে উপজেলার নিতপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বাঙালপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালের দিকে বাঙালপাড়া গ্রামের আবু কালাম ও আবু হায়াত তাদের নির্মিত একটি ভবনের দেয়াল প্লাস্টারের কাজ শুরু করেন। এ সময় জমির সীমানা দাবি করে একই গ্রামের কেরামদ্দিন ওই কাজে বাধা দেন। এতে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজন লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
সংঘর্ষে এক পক্ষের আবু কালাম (৩৮), আবু হায়াত (৩২), লাতিফা (২৬) ও মাসুদ (৩০) আহত হন। অপর পক্ষে আহত হন কেরামদ্দিন (৮৮), জমির উদ্দিন (৩০) ও অনামিকা (২২) আহত হন।
ঘটনার পর স্থানীয়রা আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। তবে আবু হায়াতের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
এ বিষয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন