নওগাঁর সাপাহার উপজেলার শিমুলডাঙ্গা রামাশ্রম পুলেরপাড় এলাকায় দীর্ঘদিনের পুরোনো একটি মাটির মসজিদ এখন জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে। মসজিদটিতে গ্রামের প্রায় ৩০টি পরিবার নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেন। তবে দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় মসজিদের টিনের ছাউনি মরিচা ধরে নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে সামান্য বৃষ্টি হলেই মসজিদের ভেতরে পানি পড়ায় নামাজ আদায়ে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় মুসল্লিদের।
স্থানীয়রা জানান, মাটির তৈরি ছোট্ট এ মসজিদটির অবস্থা দীর্ঘদিন ধরেই নাজুক। কোনো রকমে টিনের ছাউনি দিয়ে মসজিদটি ব্যবহার করা হচ্ছে। বর্তমানে ছাউনির অধিকাংশ টিনে মরিচা ধরে ফুটো হয়ে গেছে। বৃষ্টির সময় মসজিদের ভেতরে পানি পড়ে যায়। এতে মুসল্লিদের নামাজ আদায় করতে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।
এদিকে মসজিদটিতে আজান দেওয়ার জন্য কোনো মাইকের ব্যবস্থাও নেই। ফলে স্থানীয় মুসল্লিদের নিজ উদ্যোগেই আজান দিতে হয়। সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেই দীর্ঘদিন ধরে মসজিদটিতে নামাজ আদায় করে আসছেন গ্রামের মানুষ।
একরামুল হোসেন, শরিফুল ইসলামসহ স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, এ গ্রামের অধিকাংশ মানুষই দরিদ্র। নিজেদের নিত্যদিনের প্রয়োজন মেটাতেই তাদের হিমশিম খেতে হয়। এ কারণে সম্মিলিতভাবে অর্থ সংগ্রহ করে মসজিদটির সংস্কার বা নতুন ভবন নির্মাণ করা তাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।
তারা আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মসজিদটি সংস্কারের প্রয়োজন হলেও আর্থিক সংকটের কারণে তা করা সম্ভব হয়নি। দ্রুত মসজিদটির টিনের ছাউনি সংস্কার, প্রয়োজনীয় মাইক স্থাপন এবং ভবনটি মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।
স্থানীয় মুসল্লিরা মসজিদটির জরাজীর্ণ অবস্থা বিবেচনা করে স্থানীয় সংসদ সদস্য, উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। একই সঙ্গে সরকারি বা ব্যক্তিগত সহায়তায় মসজিদটি সংস্কার করে মুসল্লিদের নামাজ আদায়ের উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২৬
নওগাঁর সাপাহার উপজেলার শিমুলডাঙ্গা রামাশ্রম পুলেরপাড় এলাকায় দীর্ঘদিনের পুরোনো একটি মাটির মসজিদ এখন জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে। মসজিদটিতে গ্রামের প্রায় ৩০টি পরিবার নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেন। তবে দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় মসজিদের টিনের ছাউনি মরিচা ধরে নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে সামান্য বৃষ্টি হলেই মসজিদের ভেতরে পানি পড়ায় নামাজ আদায়ে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় মুসল্লিদের।
স্থানীয়রা জানান, মাটির তৈরি ছোট্ট এ মসজিদটির অবস্থা দীর্ঘদিন ধরেই নাজুক। কোনো রকমে টিনের ছাউনি দিয়ে মসজিদটি ব্যবহার করা হচ্ছে। বর্তমানে ছাউনির অধিকাংশ টিনে মরিচা ধরে ফুটো হয়ে গেছে। বৃষ্টির সময় মসজিদের ভেতরে পানি পড়ে যায়। এতে মুসল্লিদের নামাজ আদায় করতে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।
এদিকে মসজিদটিতে আজান দেওয়ার জন্য কোনো মাইকের ব্যবস্থাও নেই। ফলে স্থানীয় মুসল্লিদের নিজ উদ্যোগেই আজান দিতে হয়। সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেই দীর্ঘদিন ধরে মসজিদটিতে নামাজ আদায় করে আসছেন গ্রামের মানুষ।
একরামুল হোসেন, শরিফুল ইসলামসহ স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, এ গ্রামের অধিকাংশ মানুষই দরিদ্র। নিজেদের নিত্যদিনের প্রয়োজন মেটাতেই তাদের হিমশিম খেতে হয়। এ কারণে সম্মিলিতভাবে অর্থ সংগ্রহ করে মসজিদটির সংস্কার বা নতুন ভবন নির্মাণ করা তাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।
তারা আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মসজিদটি সংস্কারের প্রয়োজন হলেও আর্থিক সংকটের কারণে তা করা সম্ভব হয়নি। দ্রুত মসজিদটির টিনের ছাউনি সংস্কার, প্রয়োজনীয় মাইক স্থাপন এবং ভবনটি মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।
স্থানীয় মুসল্লিরা মসজিদটির জরাজীর্ণ অবস্থা বিবেচনা করে স্থানীয় সংসদ সদস্য, উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। একই সঙ্গে সরকারি বা ব্যক্তিগত সহায়তায় মসজিদটি সংস্কার করে মুসল্লিদের নামাজ আদায়ের উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন