জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্যের আলোকে দিনাজপুরের ফুলবাড়ী কয়লা খনি থেকে দ্রুত কয়লা উত্তোলন শুরুর দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকালে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি সংলগ্ন বৈগ্রাম চাররাস্তার মোড়ে ফুলবাড়ী কয়লা খনি এলাকার সর্বস্তরের জনগণ এর ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচিতে ফুলবাড়ী ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকার চার শতাধিক মানুষ অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ফুলবাড়ী কয়লা খনি থেকে দ্রুত কয়লা উত্তোলন শুরু করতে হবে। একই সঙ্গে খনি বাস্তবায়নের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ, পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে হবে।
তারা আরও বলেন, ইতিপূর্বে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত অনেক মানুষ এখনো ন্যায্য ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। ফুলবাড়ী কয়লা খনি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যেন একই পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আগেই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। খনির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের অধিকার ও স্বার্থ সুরক্ষা নিশ্চিত করেই কয়লা উত্তোলন কার্যক্রম শুরু করতে হবে।
মানববন্ধনে ফুলবাড়ী ও বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি বাস্তবায়নের পক্ষে বক্তব্য দেন মো. জাকারিয়া নয়ন, আব্দুল কাদের, আব্দুল আজিজ ও বিপ্লব হোসেনসহ স্থানীয় ব্যক্তিরা।

শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ নভেম্বর ২০২৬
জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্যের আলোকে দিনাজপুরের ফুলবাড়ী কয়লা খনি থেকে দ্রুত কয়লা উত্তোলন শুরুর দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকালে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি সংলগ্ন বৈগ্রাম চাররাস্তার মোড়ে ফুলবাড়ী কয়লা খনি এলাকার সর্বস্তরের জনগণ এর ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচিতে ফুলবাড়ী ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকার চার শতাধিক মানুষ অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ফুলবাড়ী কয়লা খনি থেকে দ্রুত কয়লা উত্তোলন শুরু করতে হবে। একই সঙ্গে খনি বাস্তবায়নের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ, পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে হবে।
তারা আরও বলেন, ইতিপূর্বে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত অনেক মানুষ এখনো ন্যায্য ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। ফুলবাড়ী কয়লা খনি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যেন একই পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আগেই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। খনির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের অধিকার ও স্বার্থ সুরক্ষা নিশ্চিত করেই কয়লা উত্তোলন কার্যক্রম শুরু করতে হবে।
মানববন্ধনে ফুলবাড়ী ও বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি বাস্তবায়নের পক্ষে বক্তব্য দেন মো. জাকারিয়া নয়ন, আব্দুল কাদের, আব্দুল আজিজ ও বিপ্লব হোসেনসহ স্থানীয় ব্যক্তিরা।

আপনার মতামত লিখুন