রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে মাঠজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে খেলাধুলার উন্মাদনা। চারদিকে দর্শকদের ভিড়, খেলোয়াড়দের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ পারফরম্যান্স আর করতালিতে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয় ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার বিরাশি বাজারে। স্থানীয় যুবকদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত নাইট ভলিবল প্রতিযোগিতা ঘিরে এক মিলনমেলায় পরিণত হয় পুরো এলাকা।
উপজেলার ৪ নম্বর লেহেম্বা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের হাইস্কুল মাঠে আয়োজিত এ টুর্নামেন্টে সন্ধ্যার পর থেকেই ক্রীড়াপ্রেমীদের আনাগোনা শুরু হয়। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মাঠে দর্শকদের উপস্থিতিও বাড়তে থাকে। বিভিন্ন বয়সী মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে প্রতিযোগিতাটি স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে।
আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আকতারুল ইসলাম আকতার। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন ওমর ফারুক ও অগ্রণী ব্যাংকের কর্মকর্তা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ৪ নম্বর লেহেম্বা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. সামসুদ্দোহা সামু।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মুরশালিন, পৌর যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মুক্তারুল ইসলাম মুক্তার, ছাত্রদল নেতা শাওয়াল, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলাম, সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য ময়না পারভিন, বিএনপি নেতা খড়্গমোহন রায়, জামায়াতে ইসলামীর নেতা রশিদুল ইসলাম এবং ইউনিয়ন যুবদলের সহসভাপতি জসিম উদ্দিনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
প্রতিযোগিতাটি সফল করতে সহযোগিতা করেন সমাজসেবক ইঞ্জিনিয়ার মো. বাদল বিন হাসান এবং লেহেম্বা ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আকতারুল ইসলাম।
খেলার পরিচালনায় ছিলেন চাপোড় পার্বতীপুর আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. গোলাম দোস্তগীর বিপ্লব। অন্যদিকে সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করেন মো. জীবন হাসান, মো. সুমন, মো. সুজন, মো. আমিন ও শ্রী সুমন চন্দ্র।
আয়োজকরা জানান, গ্রামাঞ্চলের তরুণদের ক্রীড়াঙ্গনে ফিরিয়ে আনা এবং স্থানীয় পর্যায়ে খেলাধুলার চর্চা বাড়ানোর লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। খেলাধুলা মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সহযোগিতার মনোভাব তৈরি করে। পাশাপাশি তরুণদের অবসর সময়কে ইতিবাচক কাজে কাজে লাগানোর সুযোগ সৃষ্টি করে।
স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীরা মনে করেন, বিরাশি বাজারে এমন আয়োজন নিয়মিত হলে নতুন প্রজন্মের মধ্যে খেলাধুলার আগ্রহ বাড়বে। একই সঙ্গে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সামাজিক সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় হবে।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, স্থানীয় যুবসমাজের এমন উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে এবং ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে।

শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ নভেম্বর ২০২৬
রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে মাঠজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে খেলাধুলার উন্মাদনা। চারদিকে দর্শকদের ভিড়, খেলোয়াড়দের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ পারফরম্যান্স আর করতালিতে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয় ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার বিরাশি বাজারে। স্থানীয় যুবকদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত নাইট ভলিবল প্রতিযোগিতা ঘিরে এক মিলনমেলায় পরিণত হয় পুরো এলাকা।
উপজেলার ৪ নম্বর লেহেম্বা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের হাইস্কুল মাঠে আয়োজিত এ টুর্নামেন্টে সন্ধ্যার পর থেকেই ক্রীড়াপ্রেমীদের আনাগোনা শুরু হয়। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মাঠে দর্শকদের উপস্থিতিও বাড়তে থাকে। বিভিন্ন বয়সী মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে প্রতিযোগিতাটি স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে।
আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আকতারুল ইসলাম আকতার। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন ওমর ফারুক ও অগ্রণী ব্যাংকের কর্মকর্তা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ৪ নম্বর লেহেম্বা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. সামসুদ্দোহা সামু।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মুরশালিন, পৌর যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মুক্তারুল ইসলাম মুক্তার, ছাত্রদল নেতা শাওয়াল, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলাম, সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য ময়না পারভিন, বিএনপি নেতা খড়্গমোহন রায়, জামায়াতে ইসলামীর নেতা রশিদুল ইসলাম এবং ইউনিয়ন যুবদলের সহসভাপতি জসিম উদ্দিনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
প্রতিযোগিতাটি সফল করতে সহযোগিতা করেন সমাজসেবক ইঞ্জিনিয়ার মো. বাদল বিন হাসান এবং লেহেম্বা ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আকতারুল ইসলাম।
খেলার পরিচালনায় ছিলেন চাপোড় পার্বতীপুর আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. গোলাম দোস্তগীর বিপ্লব। অন্যদিকে সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করেন মো. জীবন হাসান, মো. সুমন, মো. সুজন, মো. আমিন ও শ্রী সুমন চন্দ্র।
আয়োজকরা জানান, গ্রামাঞ্চলের তরুণদের ক্রীড়াঙ্গনে ফিরিয়ে আনা এবং স্থানীয় পর্যায়ে খেলাধুলার চর্চা বাড়ানোর লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। খেলাধুলা মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সহযোগিতার মনোভাব তৈরি করে। পাশাপাশি তরুণদের অবসর সময়কে ইতিবাচক কাজে কাজে লাগানোর সুযোগ সৃষ্টি করে।
স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীরা মনে করেন, বিরাশি বাজারে এমন আয়োজন নিয়মিত হলে নতুন প্রজন্মের মধ্যে খেলাধুলার আগ্রহ বাড়বে। একই সঙ্গে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সামাজিক সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় হবে।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, স্থানীয় যুবসমাজের এমন উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে এবং ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন