বাঙালি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, ভক্তি ও আধ্যাত্মিক চেতনায় মুখরিত হয়ে উঠেছে বগুড়ার দুপচাঁচিয়া মহাশ্মশান কালীবাড়ি কেন্দ্রীয় মন্দির প্রাঙ্গণ।
পবিত্র কার্তিক মাস ও দামোদর ব্রত উপলক্ষে পহেলা কার্তিক থেকে মন্দিরে শুরু হয়েছে মাসব্যাপী বর্ণাঢ্য ধর্মীয় অনুষ্ঠানমালা। প্রতিদিনের পূজা-অর্চনা, দীপদান, আরতি ও নামসংকীর্তন ও মাসব্যাপী প্রসাদ বিতরণ মন্দিরজুড়ে সৃষ্টি হচ্ছে এক পবিত্র ও ভক্তিময় পরিবেশ।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে কার্তিক মাস বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। এ মাসে ভক্তি, সংযম, পূজা-অর্চনা ও প্রার্থনার মধ্য দিয়ে আত্মশুদ্ধি এবং সৃষ্টিকর্তার কৃপা লাভের প্রত্যাশা করেন ধর্মপ্রাণ মানুষ। সেই আধ্যাত্মিক চেতনাকে ধারণ করে দুপচাঁচিয়া মহাশ্মশান কালীবাড়ি কেন্দ্রীয় মন্দিরে মাসব্যাপী এ ধর্মীয় আয়োজন চলছে।
অনুষ্ঠানের নিয়মিত সূচি অনুযায়ী, প্রতিদিন সন্ধ্যায় মন্দির প্রাঙ্গণে প্রদীপ প্রজ্বালন ও দীপদান, পবিত্র দামোদর আরতি, ভক্তিমূলক নামসংকীর্তন এবং ভক্ত-পুণ্যার্থীদের মধ্যে মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হচ্ছে। প্রদীপের আলো, আরতির পবিত্র সুর আর হরিনামের ধ্বনিতে মুখর হয়ে উঠছে মন্দিরের পরিবেশ। এ আয়োজনে উপজেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত বিভিন্ন বয়সী ভক্ত-পুণ্যার্থীরা অংশ নিয়ে ধর্মীয় আবহকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলছেন।
মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি বাবু দ্বিজেন্দ্রনাথ বসাক মন্টু জানান, কার্তিক মাস ও দামোদর ব্রত পালনের মধ্য দিয়ে আত্মশুদ্ধি, ভক্তি ও আধ্যাত্মিক সাধনার পাশাপাশি বিশ্বমানবতার কল্যাণ কামনা করা হয়। মাসব্যাপী এ ধর্মীয় আয়োজনের মাধ্যমে ভক্তদের মধ্যে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও সুদৃঢ় হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও প্রার্থনার মধ্য দিয়ে মাসব্যাপী এ আয়োজন শুধু পূজা-অর্চনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; বরং এটি হয়ে উঠেছে ভক্ত-পুণ্যার্থীদের পারস্পরিক মিলন, সৌহার্দ্য ও ভক্তির এক আন্তরিক ক্ষেত্র। কার্তিক মাসজুড়ে এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে মন্দির প্রাঙ্গণে ধর্মীয় চেতনা ও আধ্যাত্মিক আবহ অব্যাহত থাকবে।

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬
বাঙালি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, ভক্তি ও আধ্যাত্মিক চেতনায় মুখরিত হয়ে উঠেছে বগুড়ার দুপচাঁচিয়া মহাশ্মশান কালীবাড়ি কেন্দ্রীয় মন্দির প্রাঙ্গণ।
পবিত্র কার্তিক মাস ও দামোদর ব্রত উপলক্ষে পহেলা কার্তিক থেকে মন্দিরে শুরু হয়েছে মাসব্যাপী বর্ণাঢ্য ধর্মীয় অনুষ্ঠানমালা। প্রতিদিনের পূজা-অর্চনা, দীপদান, আরতি ও নামসংকীর্তন ও মাসব্যাপী প্রসাদ বিতরণ মন্দিরজুড়ে সৃষ্টি হচ্ছে এক পবিত্র ও ভক্তিময় পরিবেশ।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে কার্তিক মাস বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। এ মাসে ভক্তি, সংযম, পূজা-অর্চনা ও প্রার্থনার মধ্য দিয়ে আত্মশুদ্ধি এবং সৃষ্টিকর্তার কৃপা লাভের প্রত্যাশা করেন ধর্মপ্রাণ মানুষ। সেই আধ্যাত্মিক চেতনাকে ধারণ করে দুপচাঁচিয়া মহাশ্মশান কালীবাড়ি কেন্দ্রীয় মন্দিরে মাসব্যাপী এ ধর্মীয় আয়োজন চলছে।
অনুষ্ঠানের নিয়মিত সূচি অনুযায়ী, প্রতিদিন সন্ধ্যায় মন্দির প্রাঙ্গণে প্রদীপ প্রজ্বালন ও দীপদান, পবিত্র দামোদর আরতি, ভক্তিমূলক নামসংকীর্তন এবং ভক্ত-পুণ্যার্থীদের মধ্যে মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হচ্ছে। প্রদীপের আলো, আরতির পবিত্র সুর আর হরিনামের ধ্বনিতে মুখর হয়ে উঠছে মন্দিরের পরিবেশ। এ আয়োজনে উপজেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত বিভিন্ন বয়সী ভক্ত-পুণ্যার্থীরা অংশ নিয়ে ধর্মীয় আবহকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলছেন।
মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি বাবু দ্বিজেন্দ্রনাথ বসাক মন্টু জানান, কার্তিক মাস ও দামোদর ব্রত পালনের মধ্য দিয়ে আত্মশুদ্ধি, ভক্তি ও আধ্যাত্মিক সাধনার পাশাপাশি বিশ্বমানবতার কল্যাণ কামনা করা হয়। মাসব্যাপী এ ধর্মীয় আয়োজনের মাধ্যমে ভক্তদের মধ্যে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও সুদৃঢ় হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও প্রার্থনার মধ্য দিয়ে মাসব্যাপী এ আয়োজন শুধু পূজা-অর্চনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; বরং এটি হয়ে উঠেছে ভক্ত-পুণ্যার্থীদের পারস্পরিক মিলন, সৌহার্দ্য ও ভক্তির এক আন্তরিক ক্ষেত্র। কার্তিক মাসজুড়ে এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে মন্দির প্রাঙ্গণে ধর্মীয় চেতনা ও আধ্যাত্মিক আবহ অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন