পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলা থেকে অসুস্থ একটি গরু কিনে জবাই করে মাংস হিসেবে বিক্রির চেষ্টার অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে ফরিদপুর থানা পুলিশ।
বুধবার দিবাগত রাত পৌনে একটার দিকে ফরিদপুর উপজেলার বেড়হাউলিয়া এলাকার কাশিমপুর বাজার থেকে তাদের আটক করা হয়। একই সঙ্গে জবাই করা গরুর মাংস উদ্ধার করে ধ্বংস করা হয়েছে।
আটককৃতরা হলেন— সাঁথিয়া উপজেলার পিপুলিয়া গ্রামের মুনজুর আলীর ছেলে মোঃ রবিন এবং খান মোহাম্মদপুর গ্রামের তাজের প্রামাণিকের ছেলে মোঃ বাবুর আলী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আটককৃতরা ভাঙ্গুড়া উপজেলার চড়-ভাঙ্গুড়া খাঁপাড়া এলাকা থেকে একটি অসুস্থ গরু কিনে মাংস হিসেবে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যান।
রাত আনুমানিক ১০টার দিকে গরুটি জবাই করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ কাজে ভাঙ্গুড়া উপজেলার বাসিন্দাসহ আরও দুজন তাদের সহযোগিতা করেছেন বলে জানা গেছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার দিবাগত রাত ১টার দিকে ফরিদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মনজুরুল হাসান মাসুদের নেতৃত্বে এসআই নুর মোহাম্মদসহ পুলিশের একটি দল কাশিমপুর বাজার এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে ওই দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয় এবং জবাই করা গরুর মাংস উদ্ধার করা হয়।
পরবর্তীতে ফরিদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে ইমামা বানিন ও ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মোঃ আলহাজ্ব উদ্দিনের উপস্থিতিতে উদ্ধারকৃত মাংস ফরিদপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ হাসপাতালের পেছনে প্রায় ছয় ফুট গভীর গর্ত করে মাটিচাপা দিয়ে ধ্বংস করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, অসুস্থ পশু জবাই করে মাংস বিক্রির অভিযোগে এর আগেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পূর্বের একটি ঘটনায় দুই ব্যক্তিকে প্রত্যেককে পাঁচ হাজার টাকা করে মোট ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়।
ফরিদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে ইমামা বানিন বলেন, “অসুস্থ বা রোগাক্রান্ত পশুর মাংস বাজারজাত ও বিক্রির মাধ্যমে জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ অক্টোবর ২০২৬
পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলা থেকে অসুস্থ একটি গরু কিনে জবাই করে মাংস হিসেবে বিক্রির চেষ্টার অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে ফরিদপুর থানা পুলিশ।
বুধবার দিবাগত রাত পৌনে একটার দিকে ফরিদপুর উপজেলার বেড়হাউলিয়া এলাকার কাশিমপুর বাজার থেকে তাদের আটক করা হয়। একই সঙ্গে জবাই করা গরুর মাংস উদ্ধার করে ধ্বংস করা হয়েছে।
আটককৃতরা হলেন— সাঁথিয়া উপজেলার পিপুলিয়া গ্রামের মুনজুর আলীর ছেলে মোঃ রবিন এবং খান মোহাম্মদপুর গ্রামের তাজের প্রামাণিকের ছেলে মোঃ বাবুর আলী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আটককৃতরা ভাঙ্গুড়া উপজেলার চড়-ভাঙ্গুড়া খাঁপাড়া এলাকা থেকে একটি অসুস্থ গরু কিনে মাংস হিসেবে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যান।
রাত আনুমানিক ১০টার দিকে গরুটি জবাই করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ কাজে ভাঙ্গুড়া উপজেলার বাসিন্দাসহ আরও দুজন তাদের সহযোগিতা করেছেন বলে জানা গেছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার দিবাগত রাত ১টার দিকে ফরিদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মনজুরুল হাসান মাসুদের নেতৃত্বে এসআই নুর মোহাম্মদসহ পুলিশের একটি দল কাশিমপুর বাজার এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে ওই দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয় এবং জবাই করা গরুর মাংস উদ্ধার করা হয়।
পরবর্তীতে ফরিদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে ইমামা বানিন ও ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মোঃ আলহাজ্ব উদ্দিনের উপস্থিতিতে উদ্ধারকৃত মাংস ফরিদপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ হাসপাতালের পেছনে প্রায় ছয় ফুট গভীর গর্ত করে মাটিচাপা দিয়ে ধ্বংস করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, অসুস্থ পশু জবাই করে মাংস বিক্রির অভিযোগে এর আগেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পূর্বের একটি ঘটনায় দুই ব্যক্তিকে প্রত্যেককে পাঁচ হাজার টাকা করে মোট ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়।
ফরিদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে ইমামা বানিন বলেন, “অসুস্থ বা রোগাক্রান্ত পশুর মাংস বাজারজাত ও বিক্রির মাধ্যমে জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

আপনার মতামত লিখুন