নওগাঁর নিয়ামতপুরে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের পৃথক দুটি অভিযানে ১৫০ পিস ট্যাপেন্টাডল মাদক ট্যাবলেটসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) নওগাঁ জেলা গোয়েন্দা শাখার পৃথক অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রথমে নিয়ামতপুর উপজেলার ২ নম্বর চন্দননগর ইউনিয়নের ছাতড়া বাজারে মো. বদিউজ্জামানের স্যানিটারি কারখানার সামনে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় মো. আমিনুল ইসলাম (৪৩) ও মো. বাবুল ইসলাম ওরফে বাবু (৩৮) নামে দুজনকে আটক করা হয়।
পরে তাদের তল্লাশি করে আমিনুল ইসলামের হেফাজত থেকে ১০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পুলিশের দাবি, বাবুল ইসলাম মাদক বিক্রির কাজে আমিনুল ইসলামকে সহযোগিতা করছিলেন।
অপরদিকে একই ইউনিয়নের ছাতড়া বিলের যাত্রী ছাউনির সামনে অভিযান চালিয়ে মো. হাফিজুল ইসলাম (৩০), মো. দেলোয়ার হোসেন (৩৬) ও মো. রনি হাসান (২৪) নামে আরও তিনজনকে আটক করা হয়।
পরে হাফিজুল ইসলামের হেফাজত থেকে ৫০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পুলিশের দাবি, দেলোয়ার হোসেন ও রনি হাসান মাদক বিক্রির কাজে হাফিজুল ইসলামকে সহযোগিতা করছিলেন।
দুটি ঘটনায় মোট ১৫০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিয়ামতপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা রুজু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬
নওগাঁর নিয়ামতপুরে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের পৃথক দুটি অভিযানে ১৫০ পিস ট্যাপেন্টাডল মাদক ট্যাবলেটসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) নওগাঁ জেলা গোয়েন্দা শাখার পৃথক অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রথমে নিয়ামতপুর উপজেলার ২ নম্বর চন্দননগর ইউনিয়নের ছাতড়া বাজারে মো. বদিউজ্জামানের স্যানিটারি কারখানার সামনে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় মো. আমিনুল ইসলাম (৪৩) ও মো. বাবুল ইসলাম ওরফে বাবু (৩৮) নামে দুজনকে আটক করা হয়।
পরে তাদের তল্লাশি করে আমিনুল ইসলামের হেফাজত থেকে ১০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পুলিশের দাবি, বাবুল ইসলাম মাদক বিক্রির কাজে আমিনুল ইসলামকে সহযোগিতা করছিলেন।
অপরদিকে একই ইউনিয়নের ছাতড়া বিলের যাত্রী ছাউনির সামনে অভিযান চালিয়ে মো. হাফিজুল ইসলাম (৩০), মো. দেলোয়ার হোসেন (৩৬) ও মো. রনি হাসান (২৪) নামে আরও তিনজনকে আটক করা হয়।
পরে হাফিজুল ইসলামের হেফাজত থেকে ৫০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পুলিশের দাবি, দেলোয়ার হোসেন ও রনি হাসান মাদক বিক্রির কাজে হাফিজুল ইসলামকে সহযোগিতা করছিলেন।
দুটি ঘটনায় মোট ১৫০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিয়ামতপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা রুজু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন