বগুড়ার ধুনটে ফ্যামিলি কার্ড পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে হতদরিদ্র মানুষের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগে বেদেনা খাতুন (৪০) নামে এক নারীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা।
বেদেনা খাতুন উপজেলার চিকাশি ইউনিয়নের সুলতানহাটা গ্রামের আব্দুল জলিলের স্ত্রী। সোমবার বিকেলে উপজেলার চান্দিয়ার গ্রাম থেকে স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেন।
পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করা হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে থানায় নিয়ে যায়। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তাকে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বেদেনা খাতুন নিজেকে সরকারি কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে কয়েকজন হতদরিদ্র নারীর কাছ থেকে এক হাজার টাকা করে নেন। কার্ড হলে প্রতি মাসে সরকারি আর্থিক সহায়তা পাওয়া যাবে বলেও তিনি জানান।
এ সময় তিনি বিভিন্ন ধরনের সরকারি ফরম দেখিয়ে স্থানীয়দের বিশ্বাস অর্জনের চেষ্টা করেন এবং কয়েকজনের জাতীয় পরিচয়পত্র ও পাসপোর্ট সাইজের ছবি সংগ্রহ করেন।
একপর্যায়ে এক নারীর সন্দেহ হলে বিষয়টি স্থানীয়দের জানানো হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেন।
ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম বলেন, ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে ওই নারীকে থানায় আনা হয়। পরবর্তীতে এ বিষয়ে কেউ লিখিত অভিযোগ না করায় তাকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় নয়, ৫১ ধারায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বগুড়ার ধুনটে ফ্যামিলি কার্ড পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে হতদরিদ্র মানুষের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগে বেদেনা খাতুন (৪০) নামে এক নারীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা।
বেদেনা খাতুন উপজেলার চিকাশি ইউনিয়নের সুলতানহাটা গ্রামের আব্দুল জলিলের স্ত্রী। সোমবার বিকেলে উপজেলার চান্দিয়ার গ্রাম থেকে স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেন।
পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করা হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে থানায় নিয়ে যায়। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তাকে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বেদেনা খাতুন নিজেকে সরকারি কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে কয়েকজন হতদরিদ্র নারীর কাছ থেকে এক হাজার টাকা করে নেন। কার্ড হলে প্রতি মাসে সরকারি আর্থিক সহায়তা পাওয়া যাবে বলেও তিনি জানান।
এ সময় তিনি বিভিন্ন ধরনের সরকারি ফরম দেখিয়ে স্থানীয়দের বিশ্বাস অর্জনের চেষ্টা করেন এবং কয়েকজনের জাতীয় পরিচয়পত্র ও পাসপোর্ট সাইজের ছবি সংগ্রহ করেন।
একপর্যায়ে এক নারীর সন্দেহ হলে বিষয়টি স্থানীয়দের জানানো হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেন।
ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম বলেন, ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে ওই নারীকে থানায় আনা হয়। পরবর্তীতে এ বিষয়ে কেউ লিখিত অভিযোগ না করায় তাকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় নয়, ৫১ ধারায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন