কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্র শিবির কর্তৃক পৌর অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। বুধবার পৌর অডিটোরিয়ামটি পরিণত হয় কৃতী শিক্ষার্থীদের মিলনমেলায়।
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন জেলা সেক্রেটারি মোবাশ্বের রাশেদীন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক ও ডাকসুর ছাত্র পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক রেজাউল করিম শাকিল, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কুড়িগ্রাম জেলা আমির অধ্যাপক আজিজুর রহমান সরকার স্বপন এবং অর্থোপেডিকস সার্জন আমিনুর রহমান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আসিফ আব্দুল্লাহ বলেন, ‘তোমরা যারা এ প্লাস পেয়েছ, যারা মেধাবী, সাহসী ও স্বপ্নবান—তোমরাই আমাদের সঙ্গে থাকবে। শিক্ষা-সম্পর্কিত যেকোনো সহযোগিতায় ইসলামী ছাত্রশিবির শিক্ষার্থীদের পাশে থাকবে।’
শিক্ষার্থীদের সাফল্যের পাশাপাশি নৈতিকতা ও মানবিকতার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক রেজাউল করিম শাকিল বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু ভালো ফলাফল অর্জন করলেই হবে না। নৈতিকতা, দেশপ্রেম, মানবিক মূল্যবোধ ও নেতৃত্বের গুণাবলিতেও সমৃদ্ধ হতে হবে। একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একটি সৎ, দক্ষ ও জ্ঞাননির্ভর প্রজন্ম গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
জেলা সভাপতি মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামীর বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবে। ইনসাফ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের যে স্বপ্ন দেখা হচ্ছে, তা তরুণ প্রজন্মের হাত ধরেই বাস্তবায়িত হবে।’
শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে সব ছাত্রসংগঠনকে এ ধরনের আয়োজন করার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে কৃতী শিক্ষার্থী সাইদ ইবনে সিরাজ বলেন, ‘ইতিপূর্বে এত সুন্দর ও চমৎকার আয়োজন আর কোনো সংগঠন করেছে বলে আমার জানা নেই। নিজেদের মেধার এমন মূল্যায়নে আজ আমরা খুবই আনন্দিত। সুন্দর এ আয়োজনের জন্য ইসলামী ছাত্রশিবির কুড়িগ্রাম জেলা শাখাকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।’
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে পাঁচ শতাধিক জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট, মননশীল বই ও বিভিন্ন ধরনের ইসলামি বই তুলে দেওয়া হয়। পুরো আয়োজনজুড়ে ছিল আনন্দ-উচ্ছ্বাস ও উৎসবের আমেজ।

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ আগস্ট ২০২৬
কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্র শিবির কর্তৃক পৌর অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। বুধবার পৌর অডিটোরিয়ামটি পরিণত হয় কৃতী শিক্ষার্থীদের মিলনমেলায়।
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন জেলা সেক্রেটারি মোবাশ্বের রাশেদীন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক ও ডাকসুর ছাত্র পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক রেজাউল করিম শাকিল, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কুড়িগ্রাম জেলা আমির অধ্যাপক আজিজুর রহমান সরকার স্বপন এবং অর্থোপেডিকস সার্জন আমিনুর রহমান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আসিফ আব্দুল্লাহ বলেন, ‘তোমরা যারা এ প্লাস পেয়েছ, যারা মেধাবী, সাহসী ও স্বপ্নবান—তোমরাই আমাদের সঙ্গে থাকবে। শিক্ষা-সম্পর্কিত যেকোনো সহযোগিতায় ইসলামী ছাত্রশিবির শিক্ষার্থীদের পাশে থাকবে।’
শিক্ষার্থীদের সাফল্যের পাশাপাশি নৈতিকতা ও মানবিকতার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক রেজাউল করিম শাকিল বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু ভালো ফলাফল অর্জন করলেই হবে না। নৈতিকতা, দেশপ্রেম, মানবিক মূল্যবোধ ও নেতৃত্বের গুণাবলিতেও সমৃদ্ধ হতে হবে। একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একটি সৎ, দক্ষ ও জ্ঞাননির্ভর প্রজন্ম গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
জেলা সভাপতি মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামীর বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবে। ইনসাফ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের যে স্বপ্ন দেখা হচ্ছে, তা তরুণ প্রজন্মের হাত ধরেই বাস্তবায়িত হবে।’
শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে সব ছাত্রসংগঠনকে এ ধরনের আয়োজন করার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে কৃতী শিক্ষার্থী সাইদ ইবনে সিরাজ বলেন, ‘ইতিপূর্বে এত সুন্দর ও চমৎকার আয়োজন আর কোনো সংগঠন করেছে বলে আমার জানা নেই। নিজেদের মেধার এমন মূল্যায়নে আজ আমরা খুবই আনন্দিত। সুন্দর এ আয়োজনের জন্য ইসলামী ছাত্রশিবির কুড়িগ্রাম জেলা শাখাকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।’
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে পাঁচ শতাধিক জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট, মননশীল বই ও বিভিন্ন ধরনের ইসলামি বই তুলে দেওয়া হয়। পুরো আয়োজনজুড়ে ছিল আনন্দ-উচ্ছ্বাস ও উৎসবের আমেজ।

আপনার মতামত লিখুন