ঢাকার আশুলিয়ায় পাঁচ বছরের শিশু আব্দুর রহমান তাসিন হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় মোঃ সাইফুল ইসলাম (২৭) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে সাইফুল হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।
পরে আদালতে তিনি এ ঘটনায় নিজের সম্পৃক্ততার কথা উল্লেখ করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ আগস্ট ২০২৬ সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশ ভাদাইল পশ্চিমপাড়ায় মো. হারুন অর রশিদের তিনতলা ভবনের ছাদ থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় শিশু আব্দুর রহমান তাসিনের মরদেহ উদ্ধার করে।
পরে পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়। একই সঙ্গে ঘটনাস্থলের আশপাশ থেকে বিভিন্ন আলামত জব্দ করে পুলিশ।
এ ঘটনায় শিশুটির বাবা মোঃ শহিদ মিয়া (৩৮) বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় মামলা করেন। ২০ আগস্ট ২০২৬ তারিখে আশুলিয়া থানার মামলা নম্বর-১১৫ হিসেবে পেনাল কোডের ৩০২/২০১/৩৪ ধারায় মামলাটি রুজু করা হয়। মামলার তদন্তভার দেওয়া হয় এসআই (নিরস্ত্র) মো. রাসেল আহম্মেদের ওপর।
পুলিশের দাবি, ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার শামীমা পারভীনের প্রত্যক্ষ দিকনির্দেশনায় তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ আশুলিয়া থানার একটি দল দ্রুত তদন্ত শুরু করে। তদন্তের একপর্যায়ে সন্দেহভাজন সাইফুল ইসলামের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশির সময় সাইফুল ইসলামের দেখানো ও শনাক্ত মতে একটি লাল রঙের শপিং ব্যাগ, দুই টুকরা ইলাস্টিক এবং ঘরের মেঝে ও খাটের নিচে ছড়িয়ে থাকা চাল উদ্ধার করা হয়। এসব আলামতের সঙ্গে শিশুটির মরদেহ উদ্ধারের ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া আলামতের সামঞ্জস্য খুঁজে পাওয়ার পর সাইফুলকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে পাঠানো হয়। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে আদালতের অনুমতি নিয়ে দুই দফায় মোট দুই দিনের পুলিশ রিমান্ডে এনে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, রিমান্ডে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে সাইফুল ইসলাম পাঁচ বছরের শিশু আব্দুর রহমান তাসিনকে হত্যার কথা স্বীকার করেন। পরে আদালতে তিনি হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা উল্লেখ করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
তবে এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না এবং ঘটনায় আরও কেউ জড়িত ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তদন্তের পর এ বিষয়ে আরও তথ্য জানা যাবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬
ঢাকার আশুলিয়ায় পাঁচ বছরের শিশু আব্দুর রহমান তাসিন হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় মোঃ সাইফুল ইসলাম (২৭) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে সাইফুল হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।
পরে আদালতে তিনি এ ঘটনায় নিজের সম্পৃক্ততার কথা উল্লেখ করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ আগস্ট ২০২৬ সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশ ভাদাইল পশ্চিমপাড়ায় মো. হারুন অর রশিদের তিনতলা ভবনের ছাদ থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় শিশু আব্দুর রহমান তাসিনের মরদেহ উদ্ধার করে।
পরে পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়। একই সঙ্গে ঘটনাস্থলের আশপাশ থেকে বিভিন্ন আলামত জব্দ করে পুলিশ।
এ ঘটনায় শিশুটির বাবা মোঃ শহিদ মিয়া (৩৮) বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় মামলা করেন। ২০ আগস্ট ২০২৬ তারিখে আশুলিয়া থানার মামলা নম্বর-১১৫ হিসেবে পেনাল কোডের ৩০২/২০১/৩৪ ধারায় মামলাটি রুজু করা হয়। মামলার তদন্তভার দেওয়া হয় এসআই (নিরস্ত্র) মো. রাসেল আহম্মেদের ওপর।
পুলিশের দাবি, ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার শামীমা পারভীনের প্রত্যক্ষ দিকনির্দেশনায় তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ আশুলিয়া থানার একটি দল দ্রুত তদন্ত শুরু করে। তদন্তের একপর্যায়ে সন্দেহভাজন সাইফুল ইসলামের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশির সময় সাইফুল ইসলামের দেখানো ও শনাক্ত মতে একটি লাল রঙের শপিং ব্যাগ, দুই টুকরা ইলাস্টিক এবং ঘরের মেঝে ও খাটের নিচে ছড়িয়ে থাকা চাল উদ্ধার করা হয়। এসব আলামতের সঙ্গে শিশুটির মরদেহ উদ্ধারের ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া আলামতের সামঞ্জস্য খুঁজে পাওয়ার পর সাইফুলকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে পাঠানো হয়। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে আদালতের অনুমতি নিয়ে দুই দফায় মোট দুই দিনের পুলিশ রিমান্ডে এনে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, রিমান্ডে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে সাইফুল ইসলাম পাঁচ বছরের শিশু আব্দুর রহমান তাসিনকে হত্যার কথা স্বীকার করেন। পরে আদালতে তিনি হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা উল্লেখ করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
তবে এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না এবং ঘটনায় আরও কেউ জড়িত ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তদন্তের পর এ বিষয়ে আরও তথ্য জানা যাবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন