বগুড়ার ধুনট উপজেলায় যমুনা নদীর পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে শহড়াবাড়ি এলাকায় ফের ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ রক্ষায় নির্মিত শহড়াবাড়ি স্পারের সামনের অংশে প্রায় ২০ দিন পর নতুন করে ভাঙন শুরু হওয়ায় নদীপাড়ের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টার দিকে শহড়াবাড়ি স্পারের প্রায় ১০০ মিটার অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এর আগে গত ২০ জুলাই একই স্পারের প্রায় ৮০ মিটার অংশ নদীতে বিলীন হয়েছিল। পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে যমুনার স্রোত তীব্র হওয়ায় আবারও ভাঙনের রুদ্ররূপ দেখা দিয়েছে। এবার ভাঙন ধেয়ে আসছে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও জনবসতির দিকে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক মাস ধরে যমুনা নদীর পানি ধীরে ধীরে কমছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নদীর পানি আরও ৪ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ১৯২ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি কমে যাওয়ায় নদীতে স্রোতের তীব্রতা বেড়েছে। এতে ঘূর্ণাবর্তের সৃষ্টি হয়ে স্পারে আঘাত হানায় ভাঙন দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, গত দুই মাস ধরে প্রতিদিনই নদীর পাড় ধসে পড়ার শব্দে আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটছে। প্রতি বছরই যমুনার ভাঙনে বসতভিটা, ফসলি জমি ও গাছপালা হারাতে হয় অনেক পরিবারকে। নদীভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলেও কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় বর্ষা এলেই নতুন করে আতঙ্ক তৈরি হয়।
তাদের আশঙ্কা, ভাঙন অব্যাহত থাকলে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধও হুমকির মুখে পড়তে পারে। বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হলে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি হাজারো মানুষ নতুন করে দুর্ভোগে পড়তে পারেন। তাই দ্রুত কার্যকর ও স্থায়ীভাবে নদীভাঙন রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন নদীপাড়ের বাসিন্দারা।
বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী আব্দুল মালেক বলেন, শহড়াবাড়ি স্পারের ক্ষতিগ্রস্ত অংশে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ও টিউব ফেলে দ্রুত ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা চলছে।

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬
বগুড়ার ধুনট উপজেলায় যমুনা নদীর পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে শহড়াবাড়ি এলাকায় ফের ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ রক্ষায় নির্মিত শহড়াবাড়ি স্পারের সামনের অংশে প্রায় ২০ দিন পর নতুন করে ভাঙন শুরু হওয়ায় নদীপাড়ের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টার দিকে শহড়াবাড়ি স্পারের প্রায় ১০০ মিটার অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এর আগে গত ২০ জুলাই একই স্পারের প্রায় ৮০ মিটার অংশ নদীতে বিলীন হয়েছিল। পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে যমুনার স্রোত তীব্র হওয়ায় আবারও ভাঙনের রুদ্ররূপ দেখা দিয়েছে। এবার ভাঙন ধেয়ে আসছে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও জনবসতির দিকে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক মাস ধরে যমুনা নদীর পানি ধীরে ধীরে কমছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নদীর পানি আরও ৪ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ১৯২ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি কমে যাওয়ায় নদীতে স্রোতের তীব্রতা বেড়েছে। এতে ঘূর্ণাবর্তের সৃষ্টি হয়ে স্পারে আঘাত হানায় ভাঙন দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, গত দুই মাস ধরে প্রতিদিনই নদীর পাড় ধসে পড়ার শব্দে আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটছে। প্রতি বছরই যমুনার ভাঙনে বসতভিটা, ফসলি জমি ও গাছপালা হারাতে হয় অনেক পরিবারকে। নদীভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলেও কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় বর্ষা এলেই নতুন করে আতঙ্ক তৈরি হয়।
তাদের আশঙ্কা, ভাঙন অব্যাহত থাকলে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধও হুমকির মুখে পড়তে পারে। বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হলে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি হাজারো মানুষ নতুন করে দুর্ভোগে পড়তে পারেন। তাই দ্রুত কার্যকর ও স্থায়ীভাবে নদীভাঙন রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন নদীপাড়ের বাসিন্দারা।
বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী আব্দুল মালেক বলেন, শহড়াবাড়ি স্পারের ক্ষতিগ্রস্ত অংশে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ও টিউব ফেলে দ্রুত ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা চলছে।

আপনার মতামত লিখুন