ভারতের কলকাতা শহরের একটি হোটেলে বুধবার আগুনে অন্তত নয়জনের প্রাণহানি ও আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। রাজ্যের ফায়ার সার্ভিসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।
পশ্চিমবঙ্গের ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক অনুজ শর্মা এএফপিকে বলেন, ‘বুধবার ভোরে লাগা আগুনে নয়জন মারা গেছে। মৃতদের মধ্যে একটি শিশুও রয়েছে।’কলকাতা থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে। তিনি বলেন, ‘হোটেলটি ঘন ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। কয়েকজনের মরদেহ বাথরুমে পাওয়া গেছে।’
শর্মা জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সাশ্রয়ী মূল্যের ওই হোটেলের একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র বিস্ফোরিত হয়ে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।
তিনি আরও জানান, ছয়জন পুরুষ, দুই নারী ও একটি শিশুসহ নয়জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতাসীন দলের সদস্য সন্তোষ পাঠক বলেন, নিহতদের কয়েকজন বাংলাদেশি নাগরিক বলে ধারণা করা হচ্ছে। তারা চিকিৎসার জন্য কলকাতায় এসেছিলেন।
তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘মৃত ব্যক্তিদের জাতীয়তা নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে।’আগুন লাগার সময় হোটেলটিতে মোট ৬০ জন অতিথি ছিলেন। অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জামের অভাব এবং নিরাপত্তা বিধি নিয়মিত উপেক্ষার কারণে ভারতে ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা প্রায়ই ঘটে থাকে।

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬
ভারতের কলকাতা শহরের একটি হোটেলে বুধবার আগুনে অন্তত নয়জনের প্রাণহানি ও আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। রাজ্যের ফায়ার সার্ভিসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।
পশ্চিমবঙ্গের ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক অনুজ শর্মা এএফপিকে বলেন, ‘বুধবার ভোরে লাগা আগুনে নয়জন মারা গেছে। মৃতদের মধ্যে একটি শিশুও রয়েছে।’কলকাতা থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে। তিনি বলেন, ‘হোটেলটি ঘন ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। কয়েকজনের মরদেহ বাথরুমে পাওয়া গেছে।’
শর্মা জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সাশ্রয়ী মূল্যের ওই হোটেলের একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র বিস্ফোরিত হয়ে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।
তিনি আরও জানান, ছয়জন পুরুষ, দুই নারী ও একটি শিশুসহ নয়জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতাসীন দলের সদস্য সন্তোষ পাঠক বলেন, নিহতদের কয়েকজন বাংলাদেশি নাগরিক বলে ধারণা করা হচ্ছে। তারা চিকিৎসার জন্য কলকাতায় এসেছিলেন।
তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘মৃত ব্যক্তিদের জাতীয়তা নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে।’আগুন লাগার সময় হোটেলটিতে মোট ৬০ জন অতিথি ছিলেন। অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জামের অভাব এবং নিরাপত্তা বিধি নিয়মিত উপেক্ষার কারণে ভারতে ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা প্রায়ই ঘটে থাকে।

আপনার মতামত লিখুন