জয়পুরহাট    বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
Daily Joypur Barta

বেলকুচি পৌরসভা অফিসে শত শত ডাস্টবিন ,রাস্তায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ময়লা



বেলকুচি পৌরসভা অফিসে শত শত ডাস্টবিন ,রাস্তায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ময়লা
ছবি: প্রতিনিধি

সিরাজগঞ্জের বেলকুচি পৌরসভা কার্যালয়ে স্টোর রুমে শত শত ডাস্টবিন পড়ে থাকলেও পৌর এলাকার গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে সেগুলোর কার্যকর ব্যবহার বা স্থাপন দেখা যাচ্ছে না—এমন অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

ফলে নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলার সুযোগ না থাকায় পৌর এলাকার বিভিন্ন রাস্তা ও সড়কের পাশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ছে ময়লা-আবর্জনা। এতে একদিকে যেমন পরিবেশ দূষিত হচ্ছে, অন্যদিকে পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের দুর্ভোগও বাড়ছে। 

স্থানীয়দের অভিযোগ, পৌরসভা কার্যালয়ের স্টোর রুমে  বিপুলসংখ্যক ডাস্টবিন থাকার পরও সেগুলো যদি গুরুত্বপূর্ণ বাজার, সড়ক, মোড়, জনসমাগমস্থল ও আবাসিক এলাকার নির্ধারিত স্থানে স্থাপন করা হতো, তাহলে যেখানে-সেখানে ময়লা ফেলার প্রবণতা অনেকটাই কমানো সম্ভব হতো। কিন্তু বাস্তবে অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ডাস্টবিন না থাকায় মানুষ বাধ্য হয়ে রাস্তার পাশে কিংবা খোলা জায়গায় ময়লা ফেলছেন। 

সরেজমিনে পৌর এলাকার বিভিন্ন সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে গিয়ে দেখা যায়, কোথাও কোথাও রাস্তার পাশে ময়লা-আবর্জনা জমে আছে। এতে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশের স্বাভাবিক সৌন্দর্যও নষ্ট হচ্ছে। বৃষ্টির সময় এসব ময়লা ড্রেন ও নালা-নর্দমায় গিয়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টির আশঙ্কাও রয়েছে। 

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, শুধু রাস্তা পরিষ্কার করলেই হবে না; ময়লা ফেলার জন্য পর্যাপ্ত ডাস্টবিন স্থাপন, নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ এবং নাগরিকদের সচেতন করার কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন। পৌর কর্তৃপক্ষ ডাস্টবিন সরবরাহ ও স্থাপন করলে নাগরিকদেরও নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলার বিষয়ে আরও সচেতন হতে হবে। 

বেলকুচি পৌরসভা ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত। সরকারি তথ্য অনুযায়ী পৌর এলাকায় পাকা ও কাঁচা সড়কসহ বিস্তৃত যোগাযোগ ব্যবস্থা রয়েছে। 

স্থানীয়দের দাবি, পৌরসভার গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে দ্রুত ডাস্টবিন স্থাপন, নিয়মিত ময়লা অপসারণ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য একটি কার্যকর ও স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। একই সঙ্গে পৌরসভা কার্যালয়ে পড়ে থাকা ডাস্টবিনগুলো কেন ব্যবহার করা হচ্ছে না—তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। 

এ বিষয়ে পৌর কর্তৃপক্ষের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে, তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে পরবর্তী প্রতিবেদনে সংযুক্ত করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Daily Joypur Barta

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬


বেলকুচি পৌরসভা অফিসে শত শত ডাস্টবিন ,রাস্তায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ময়লা

প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬

featured Image

সিরাজগঞ্জের বেলকুচি পৌরসভা কার্যালয়ে স্টোর রুমে শত শত ডাস্টবিন পড়ে থাকলেও পৌর এলাকার গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে সেগুলোর কার্যকর ব্যবহার বা স্থাপন দেখা যাচ্ছে না—এমন অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

ফলে নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলার সুযোগ না থাকায় পৌর এলাকার বিভিন্ন রাস্তা ও সড়কের পাশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ছে ময়লা-আবর্জনা। এতে একদিকে যেমন পরিবেশ দূষিত হচ্ছে, অন্যদিকে পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের দুর্ভোগও বাড়ছে। 

স্থানীয়দের অভিযোগ, পৌরসভা কার্যালয়ের স্টোর রুমে  বিপুলসংখ্যক ডাস্টবিন থাকার পরও সেগুলো যদি গুরুত্বপূর্ণ বাজার, সড়ক, মোড়, জনসমাগমস্থল ও আবাসিক এলাকার নির্ধারিত স্থানে স্থাপন করা হতো, তাহলে যেখানে-সেখানে ময়লা ফেলার প্রবণতা অনেকটাই কমানো সম্ভব হতো। কিন্তু বাস্তবে অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ডাস্টবিন না থাকায় মানুষ বাধ্য হয়ে রাস্তার পাশে কিংবা খোলা জায়গায় ময়লা ফেলছেন। 

সরেজমিনে পৌর এলাকার বিভিন্ন সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে গিয়ে দেখা যায়, কোথাও কোথাও রাস্তার পাশে ময়লা-আবর্জনা জমে আছে। এতে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশের স্বাভাবিক সৌন্দর্যও নষ্ট হচ্ছে। বৃষ্টির সময় এসব ময়লা ড্রেন ও নালা-নর্দমায় গিয়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টির আশঙ্কাও রয়েছে। 

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, শুধু রাস্তা পরিষ্কার করলেই হবে না; ময়লা ফেলার জন্য পর্যাপ্ত ডাস্টবিন স্থাপন, নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ এবং নাগরিকদের সচেতন করার কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন। পৌর কর্তৃপক্ষ ডাস্টবিন সরবরাহ ও স্থাপন করলে নাগরিকদেরও নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলার বিষয়ে আরও সচেতন হতে হবে। 

বেলকুচি পৌরসভা ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত। সরকারি তথ্য অনুযায়ী পৌর এলাকায় পাকা ও কাঁচা সড়কসহ বিস্তৃত যোগাযোগ ব্যবস্থা রয়েছে। 

স্থানীয়দের দাবি, পৌরসভার গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে দ্রুত ডাস্টবিন স্থাপন, নিয়মিত ময়লা অপসারণ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য একটি কার্যকর ও স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। একই সঙ্গে পৌরসভা কার্যালয়ে পড়ে থাকা ডাস্টবিনগুলো কেন ব্যবহার করা হচ্ছে না—তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। 

এ বিষয়ে পৌর কর্তৃপক্ষের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে, তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে পরবর্তী প্রতিবেদনে সংযুক্ত করা হবে।


Daily Joypur Barta



কপিরাইট © ২০২৬ Daily Joypur Barta । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত