জয়পুরহাট    বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
Daily Joypur Barta

‎পাঁচবিবিতে হিমাগারে আলু সংরক্ষণ, লোকসানে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা



‎পাঁচবিবিতে হিমাগারে আলু সংরক্ষণ, লোকসানে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা
ছবি: প্রতিনিধি

লাভের আশায় মাঠ থেকে আলু তুলে হিমাগারে সংরক্ষণ করে এখন লোকসানে জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার কৃষক ও ব্যবসায়ীরা।

‎মৌসুমের শুরুতেই আলুর দাম কম থাকায় হিমাগারে আলু সংরক্ষণ করেন তারা। তবে বেশি দামে বিক্রির জন্য হিমাগারে রাখা সেই আলু নিয়ে এখন বিপাকে আছেন। প্রতি বস্তায় লোকসান গুনতে হচ্ছে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত।

‎কৃষক ও হিমাগার কর্তৃপক্ষ জানায়, এ বছর আলু উৎপাদন থেকে শুরু করে হিমাগারে সংরক্ষণ পর্যন্ত সব মিলে প্রতি বস্তা আলুতে খরচ হয়েছে ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা পর্যন্ত। বর্তমানে হিমাগারের আলু বিক্রি হচ্ছে ৯২০ থেকে ১০০০ হাজার টাকা পর্যন্ত। এতে করে প্রতি বস্তা আলুতে লোকসান গুনতে হচ্ছে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত।

‎কৃষক ও হিমাগার কর্তৃপক্ষ জানায়, এ বছর আলু উৎপাদন থেকে শুরু করে হিমাগারে সংরক্ষণ পর্যন্ত সব মিলে প্রতি বস্তা আলুতে খরচ হয়েছে ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা পর্যন্ত। বর্তমানে হিমাগারের আলু বিক্রি হচ্ছে ৯২০ থেকে ১০০০ হাজার টাকা পর্যন্ত। এতে করে প্রতি বস্তা আলুতে লোকসান গুনতে হচ্ছে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত।

‎পাঁচবিবি উপজেলার কুয়াতপুর গ্রামের আলুচাষি মিজানুর রহমান জানান, এ বছর প্রতি বিঘা জমিতে আলুর বীজ, সার, কীটনাশক, শ্রমিক ও সেচ দেওয়াসহ সব মিলিয়ে কৃষকের খরচ হয়েছে ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা। আর প্রতি বিঘা জমিতে আলু উত্তোলনের সময় বিক্রি হয়েছে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকায়। এতে করে ভরা মৌসুমেই আলুতে লোকসান হয়েছে কৃষকের ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা।

‎মৌসুমী আলু ব্যবসায়ী .মোঃ জাকারিয়া ও আইয়ুব আলীসহ একাধিক ব্যবসায়ী বলেন, এ বছর ভরা মৌসুমে কৃষকের কাছ থেকে আলু কিনে হিমাগারে সংরক্ষণ করেছিলাম বাজারে বেশি দামের আশায়।ব্যবসায়ীরা জানান, এ বছর কৃষকের জমি থেকে হিমাগারে আলু সংরক্ষণ পর্যন্ত প্রতি বস্তা আলুতে গুনতে হয়েছে ১ হাজার থেকে ১২০০ টাকা পর্যন্ত। বর্তমান বাজারে ৯০০ থেকে ৯৫০ টাকায় আলু বিক্রি হচ্ছে। এতে করে তারা বড় অঙ্কের লোকসানে আছেন। এছাড়া হিমাগারে ভাড়া বৃদ্ধির চাপতো আছেই।

‎পাঁচবিবি উপজেলার কুসুম্বা আফিয়া হিমাগারের ব্যবস্থাপক মো. জিয়াউর রহমান বলেন, হিমাগারে আলু সংরক্ষণে তারা কোনো ভাড়া বাড়াননি।

‎তার দাবি, তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ এবং শ্রমিকের মজুরি কয়েক গুণ বাড়লেও তারা ভাড়া বাড়াননি। আগের ভাড়াই নিচ্ছেন তারা।

‎

আপনার মতামত লিখুন

Daily Joypur Barta

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬


‎পাঁচবিবিতে হিমাগারে আলু সংরক্ষণ, লোকসানে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা

প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬

featured Image

লাভের আশায় মাঠ থেকে আলু তুলে হিমাগারে সংরক্ষণ করে এখন লোকসানে জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার কৃষক ও ব্যবসায়ীরা।

‎মৌসুমের শুরুতেই আলুর দাম কম থাকায় হিমাগারে আলু সংরক্ষণ করেন তারা। তবে বেশি দামে বিক্রির জন্য হিমাগারে রাখা সেই আলু নিয়ে এখন বিপাকে আছেন। প্রতি বস্তায় লোকসান গুনতে হচ্ছে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত।

‎কৃষক ও হিমাগার কর্তৃপক্ষ জানায়, এ বছর আলু উৎপাদন থেকে শুরু করে হিমাগারে সংরক্ষণ পর্যন্ত সব মিলে প্রতি বস্তা আলুতে খরচ হয়েছে ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা পর্যন্ত। বর্তমানে হিমাগারের আলু বিক্রি হচ্ছে ৯২০ থেকে ১০০০ হাজার টাকা পর্যন্ত। এতে করে প্রতি বস্তা আলুতে লোকসান গুনতে হচ্ছে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত।

‎কৃষক ও হিমাগার কর্তৃপক্ষ জানায়, এ বছর আলু উৎপাদন থেকে শুরু করে হিমাগারে সংরক্ষণ পর্যন্ত সব মিলে প্রতি বস্তা আলুতে খরচ হয়েছে ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা পর্যন্ত। বর্তমানে হিমাগারের আলু বিক্রি হচ্ছে ৯২০ থেকে ১০০০ হাজার টাকা পর্যন্ত। এতে করে প্রতি বস্তা আলুতে লোকসান গুনতে হচ্ছে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত।

‎পাঁচবিবি উপজেলার কুয়াতপুর গ্রামের আলুচাষি মিজানুর রহমান জানান, এ বছর প্রতি বিঘা জমিতে আলুর বীজ, সার, কীটনাশক, শ্রমিক ও সেচ দেওয়াসহ সব মিলিয়ে কৃষকের খরচ হয়েছে ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা। আর প্রতি বিঘা জমিতে আলু উত্তোলনের সময় বিক্রি হয়েছে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকায়। এতে করে ভরা মৌসুমেই আলুতে লোকসান হয়েছে কৃষকের ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা।

‎মৌসুমী আলু ব্যবসায়ী .মোঃ জাকারিয়া ও আইয়ুব আলীসহ একাধিক ব্যবসায়ী বলেন, এ বছর ভরা মৌসুমে কৃষকের কাছ থেকে আলু কিনে হিমাগারে সংরক্ষণ করেছিলাম বাজারে বেশি দামের আশায়।ব্যবসায়ীরা জানান, এ বছর কৃষকের জমি থেকে হিমাগারে আলু সংরক্ষণ পর্যন্ত প্রতি বস্তা আলুতে গুনতে হয়েছে ১ হাজার থেকে ১২০০ টাকা পর্যন্ত। বর্তমান বাজারে ৯০০ থেকে ৯৫০ টাকায় আলু বিক্রি হচ্ছে। এতে করে তারা বড় অঙ্কের লোকসানে আছেন। এছাড়া হিমাগারে ভাড়া বৃদ্ধির চাপতো আছেই।

‎পাঁচবিবি উপজেলার কুসুম্বা আফিয়া হিমাগারের ব্যবস্থাপক মো. জিয়াউর রহমান বলেন, হিমাগারে আলু সংরক্ষণে তারা কোনো ভাড়া বাড়াননি।

‎তার দাবি, তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ এবং শ্রমিকের মজুরি কয়েক গুণ বাড়লেও তারা ভাড়া বাড়াননি। আগের ভাড়াই নিচ্ছেন তারা।

‎


Daily Joypur Barta



কপিরাইট © ২০২৬ Daily Joypur Barta । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত