জয়পুরহাট    বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
Daily Joypur Barta

‎পাঁচবিবিতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ ‎



‎পাঁচবিবিতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ  ‎
ছবি: প্রতিনিধি

জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে আটাপুর ইউনিয়নের দিবাকরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইবনে আইনুল ইপসীর বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্য করে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ, নিয়ম বহির্ভূতভাবে দলীয় নিজস্ব লোক দিয়ে এ্যাডহক কমিটি গঠনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

‎ এ ব্যাপারে এলাকার সচেতন নাগরিক মামুনুর রশিদ সম্প্রতি জয়পুরহাট জেলা প্রশাসক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগটি আমলে নিয়ে জেলা প্রশাসক পাঁচবিবি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে তদন্ত রিপোর্ট চেয়ে অভিযোগ পত্রটি প্রেরণ করেছেন। সেই প্রেক্ষিতে আজ ১৭ ই আগস্ট সোমবার বেলা ১১ টায় 

‎উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা একাডেমি সুপারভাইজার মোঃ জহুরুল ইসলাম ঐ স্কুলে তদন্তে যান। তিনি স্কুল কক্ষে বাদী বিবাদী, অভিভাবক সদস্য,দাতা সদস্যসহ উভয় পক্ষকে নিয়ে বৈঠকে বসেন এবং শুনানি গ্রহণ করেন।

‎অভিযোগের পক্ষে বিপক্ষে বক্তব্য রাখেন, এলাকাবাসী খবির উদ্দিন,আব্দুস সালাম মাস্টার, নুর ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম বাবুল, সাবেক এ্যাডহক কমিটির সভাপতি আবু ফরহাদ, সাবেক ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম,সাবেক অভিভাবক সদস্য আনোয়ার হোসেন ও দাতা সদস্য সাইফুল ইসলাম।

‎তারা বলেন, আমাদের সন্তানের লেখাপড়ার বিষয়ে যদি সচেতন না হলে সন্তানদের ভবিষ্যৎ গড়ে উঠবে না, স্কুলেরও উন্নয়ন হবেন। তাই একে অপরের প্রতি কাঁদা ছোড়াছুড়ি না করে আগামীতে নির্বাচন দিন এবং আপনাদের মনোনীত পূর্ণাঙ্গ কমিটি নিয়ে আসুন। যারা স্কুলের উন্নয়ন করবে।

‎এ বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা একাডেমিক সুপারভাইজার মোঃ জহুরুল ইসলাম জানান,তদন্তে আমি উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনেছি এবং লিখিতও নিয়েছি।এ রিপোর্ট আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট জমা দিবো।

‎অভিযোগকারী মামুনুর রশিদ বলেন,চলমান প্রক্রিয়া অনুযায়ী প্রধান শিক্ষক নিয়ম বহির্ভূতভাবে বিদ্যালয়ের অভিভাবক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের না জানিয়ে দলীয় নিজস্ব লোক দিয়ে এ্যাডহক কমিটি গঠন করেছেন। ইতিপূর্বে নিয়োগ বাণিজ্য করে দুর্নীতির মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। স্কুলে শিক্ষার্থী স্বল্পতা। বর্ধিতকরণের কোন উদ্যোগ নেই। প্রতিষ্ঠানটিকে বাঁচাতে আমি এই অভিযোগ করেছি।

‎অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক ইবনে আইনুল ইপসী বলেন, নিয়োগ বাণিজ্য ও এ্যাডহক কমিটিতে‌ নিজস্ব লোক নিয়োগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। অভিভাবক সদস্য,দাতা সদস্য সহ এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে নিয়মতান্ত্রিকভাবেই এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।আমার সুনাম ক্ষুন্ন করতেই এমন ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে প্রতিপক্ষরা।

আপনার মতামত লিখুন

Daily Joypur Barta

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬


‎পাঁচবিবিতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ ‎

প্রকাশের তারিখ : ১৭ আগস্ট ২০২৬

featured Image

জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে আটাপুর ইউনিয়নের দিবাকরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইবনে আইনুল ইপসীর বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্য করে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ, নিয়ম বহির্ভূতভাবে দলীয় নিজস্ব লোক দিয়ে এ্যাডহক কমিটি গঠনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

‎ এ ব্যাপারে এলাকার সচেতন নাগরিক মামুনুর রশিদ সম্প্রতি জয়পুরহাট জেলা প্রশাসক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগটি আমলে নিয়ে জেলা প্রশাসক পাঁচবিবি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে তদন্ত রিপোর্ট চেয়ে অভিযোগ পত্রটি প্রেরণ করেছেন। সেই প্রেক্ষিতে আজ ১৭ ই আগস্ট সোমবার বেলা ১১ টায় 

‎উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা একাডেমি সুপারভাইজার মোঃ জহুরুল ইসলাম ঐ স্কুলে তদন্তে যান। তিনি স্কুল কক্ষে বাদী বিবাদী, অভিভাবক সদস্য,দাতা সদস্যসহ উভয় পক্ষকে নিয়ে বৈঠকে বসেন এবং শুনানি গ্রহণ করেন।

‎অভিযোগের পক্ষে বিপক্ষে বক্তব্য রাখেন, এলাকাবাসী খবির উদ্দিন,আব্দুস সালাম মাস্টার, নুর ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম বাবুল, সাবেক এ্যাডহক কমিটির সভাপতি আবু ফরহাদ, সাবেক ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম,সাবেক অভিভাবক সদস্য আনোয়ার হোসেন ও দাতা সদস্য সাইফুল ইসলাম।

‎তারা বলেন, আমাদের সন্তানের লেখাপড়ার বিষয়ে যদি সচেতন না হলে সন্তানদের ভবিষ্যৎ গড়ে উঠবে না, স্কুলেরও উন্নয়ন হবেন। তাই একে অপরের প্রতি কাঁদা ছোড়াছুড়ি না করে আগামীতে নির্বাচন দিন এবং আপনাদের মনোনীত পূর্ণাঙ্গ কমিটি নিয়ে আসুন। যারা স্কুলের উন্নয়ন করবে।

‎এ বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা একাডেমিক সুপারভাইজার মোঃ জহুরুল ইসলাম জানান,তদন্তে আমি উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনেছি এবং লিখিতও নিয়েছি।এ রিপোর্ট আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট জমা দিবো।

‎অভিযোগকারী মামুনুর রশিদ বলেন,চলমান প্রক্রিয়া অনুযায়ী প্রধান শিক্ষক নিয়ম বহির্ভূতভাবে বিদ্যালয়ের অভিভাবক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের না জানিয়ে দলীয় নিজস্ব লোক দিয়ে এ্যাডহক কমিটি গঠন করেছেন। ইতিপূর্বে নিয়োগ বাণিজ্য করে দুর্নীতির মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। স্কুলে শিক্ষার্থী স্বল্পতা। বর্ধিতকরণের কোন উদ্যোগ নেই। প্রতিষ্ঠানটিকে বাঁচাতে আমি এই অভিযোগ করেছি।

‎অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক ইবনে আইনুল ইপসী বলেন, নিয়োগ বাণিজ্য ও এ্যাডহক কমিটিতে‌ নিজস্ব লোক নিয়োগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। অভিভাবক সদস্য,দাতা সদস্য সহ এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে নিয়মতান্ত্রিকভাবেই এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।আমার সুনাম ক্ষুন্ন করতেই এমন ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে প্রতিপক্ষরা।


Daily Joypur Barta



কপিরাইট © ২০২৬ Daily Joypur Barta । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত