রাজশাহী মহানগরীতে গাঁজা, ইয়াবা, ট্যাপেন্টাডল ও বাংলামদ-সহ ৬জন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় ২০ কেজি গাঁজা, ২৫০ গ্রাম গাঁজা, ৮৩ পিস ইয়াবা, ২৩ পিস ট্যাপেন্টাডল ও ৪৫ বোতল বাংলা মদ উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি মাদক বিক্রির ৪ হাজার ২৯০ টাকা ও একটি অটোরিকশা জব্দ করেছে পুলিশ।
শুক্রবার দিবারাত থেকে সোমবার ভোররাত পর্যন্ত চলা অভিযানে মহানগরীর শাহমখদুম, বোয়ালিয়া, এয়ারপোর্ট ও কাটাখালী থানা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে এসব মাদক উদ্ধার ও গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটে।
গ্রেপ্তার ছয়জন হলেন—জিয়ারুল হক (৫০), আফরোজা (৩৮), আলম হোসেন (২৬), মোহাম্মদ আলী শুভ (২৬), মাসুদ রানা (৪৮) ও সাব্বির (৩২)।
সোমবার (১৬ আগস্ট) বিকেলে আরএমপির পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হল।
পুলিশ জানায়, শাহমখদুম থানা পুলিশ বড়বনগ্রাম (পাঁচানীপাড়া) এলাকায় অভিযান চালিয়ে জিয়ারুল হককে গ্রেপ্তার করে। তার বসতবাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ২৩ পিস ট্যাপেন্টাডল, ১০ পিস ইয়াবা ও মাদক বিক্রির ১ হাজার ১১০ টাকা উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের তথ্যমতে, জিয়ারুলের বিরুদ্ধে শাহমখদুম থানায় ১০টি এবং চন্দ্রিমা থানায় একটি মাদক মামলা রয়েছে। এসব মামলায় বিভিন্ন সময়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
অন্যদিকে, বোয়ালিয়া থানা পুলিশ সাহেববাজার মাস্টারপাড়া কাঁচাবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে আফরোজাকে গ্রেপ্তার করে। তার কাছ থেকে ৭ পিস ইয়াবা, ২৫০ গ্রাম গাঁজা ও ১ হাজার ১৮০ টাকা উদ্ধার করা হয়।
এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ পশ্চিম বাঘাটা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আলম হোসেন ও মোহাম্মদ আলী শুভকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় আলমের কাছ থেকে ১২ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পুলিশ বলছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শুভ দীর্ঘদিন ধরে আলমের সহযোগী হিসেবে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে।
এদিকে, কাটাখালী থানা পুলিশ আলমগীর কবিরের ভাটা থেকে সুচারনগামী হেয়ারিং সড়কে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে একটি অটোরিকশার চালক সেটি ফেলে পালিয়ে যায়। পরে অটোরিকশাটিতে তল্লাশি চালিয়ে ২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। অটোরিকশাটিও জব্দ করা হয়েছে। চালক ও এর প্রকৃত মালিককে শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এছাড়া বোয়ালিয়া থানা পুলিশ গৌরহাঙ্গা রেলগেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাসুদ রানাকে গ্রেপ্তার করে। তার কাছ থেকে ৪৫ বোতলে মোট ৯ হাজার মিলিলিটার বাংলা মদ উদ্ধার করা হয়।
একই রাতে পাঠানপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাব্বিরকে গ্রেপ্তার করে বোয়ালিয়া থানা পুলিশ। তার কাছ থেকে ৫০ পিস ইয়াবা ও মাদক বিক্রির ২ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ছয়জনের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা করা হয়েছে। পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
অন্যদিকে, গাঁজাসহ ফেলে যাওয়া অটোরিকশাটির চালক ও প্রকৃত মালিককে শনাক্ত এবং গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬
রাজশাহী মহানগরীতে গাঁজা, ইয়াবা, ট্যাপেন্টাডল ও বাংলামদ-সহ ৬জন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় ২০ কেজি গাঁজা, ২৫০ গ্রাম গাঁজা, ৮৩ পিস ইয়াবা, ২৩ পিস ট্যাপেন্টাডল ও ৪৫ বোতল বাংলা মদ উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি মাদক বিক্রির ৪ হাজার ২৯০ টাকা ও একটি অটোরিকশা জব্দ করেছে পুলিশ।
শুক্রবার দিবারাত থেকে সোমবার ভোররাত পর্যন্ত চলা অভিযানে মহানগরীর শাহমখদুম, বোয়ালিয়া, এয়ারপোর্ট ও কাটাখালী থানা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে এসব মাদক উদ্ধার ও গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটে।
গ্রেপ্তার ছয়জন হলেন—জিয়ারুল হক (৫০), আফরোজা (৩৮), আলম হোসেন (২৬), মোহাম্মদ আলী শুভ (২৬), মাসুদ রানা (৪৮) ও সাব্বির (৩২)।
সোমবার (১৬ আগস্ট) বিকেলে আরএমপির পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হল।
পুলিশ জানায়, শাহমখদুম থানা পুলিশ বড়বনগ্রাম (পাঁচানীপাড়া) এলাকায় অভিযান চালিয়ে জিয়ারুল হককে গ্রেপ্তার করে। তার বসতবাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ২৩ পিস ট্যাপেন্টাডল, ১০ পিস ইয়াবা ও মাদক বিক্রির ১ হাজার ১১০ টাকা উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের তথ্যমতে, জিয়ারুলের বিরুদ্ধে শাহমখদুম থানায় ১০টি এবং চন্দ্রিমা থানায় একটি মাদক মামলা রয়েছে। এসব মামলায় বিভিন্ন সময়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
অন্যদিকে, বোয়ালিয়া থানা পুলিশ সাহেববাজার মাস্টারপাড়া কাঁচাবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে আফরোজাকে গ্রেপ্তার করে। তার কাছ থেকে ৭ পিস ইয়াবা, ২৫০ গ্রাম গাঁজা ও ১ হাজার ১৮০ টাকা উদ্ধার করা হয়।
এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ পশ্চিম বাঘাটা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আলম হোসেন ও মোহাম্মদ আলী শুভকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় আলমের কাছ থেকে ১২ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পুলিশ বলছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শুভ দীর্ঘদিন ধরে আলমের সহযোগী হিসেবে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে।
এদিকে, কাটাখালী থানা পুলিশ আলমগীর কবিরের ভাটা থেকে সুচারনগামী হেয়ারিং সড়কে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে একটি অটোরিকশার চালক সেটি ফেলে পালিয়ে যায়। পরে অটোরিকশাটিতে তল্লাশি চালিয়ে ২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। অটোরিকশাটিও জব্দ করা হয়েছে। চালক ও এর প্রকৃত মালিককে শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এছাড়া বোয়ালিয়া থানা পুলিশ গৌরহাঙ্গা রেলগেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাসুদ রানাকে গ্রেপ্তার করে। তার কাছ থেকে ৪৫ বোতলে মোট ৯ হাজার মিলিলিটার বাংলা মদ উদ্ধার করা হয়।
একই রাতে পাঠানপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাব্বিরকে গ্রেপ্তার করে বোয়ালিয়া থানা পুলিশ। তার কাছ থেকে ৫০ পিস ইয়াবা ও মাদক বিক্রির ২ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ছয়জনের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা করা হয়েছে। পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
অন্যদিকে, গাঁজাসহ ফেলে যাওয়া অটোরিকশাটির চালক ও প্রকৃত মালিককে শনাক্ত এবং গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন