সুনামগঞ্জে পারিবারিক কলহের জেরে দুই শিশু সন্তানকে কলার সাথে ঘুমের ঔষুধ খাইয়ে হাওরের পানিতে ফেলে হত্যা করেছেন কামরুল হাসান নামের এক পাষন্ড পিতা। ঘটনাটি ঘটেছে দিরাই উপজেলার চরনারচর ইউনিয়নের পেরুয়া মধুপুর গ্রামে। পরে স্থানীয়রা সন্দেহবশত নিহতদের বাবাকে আটক করে পুলিশে দিলে নিজ হাতে সন্তানদের হত্যার লোমহর্ষক ঘটনার বর্ণনা দেন তিনি।
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার পেরুয়া মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা দিনমজুর কামরুল হাসান। অভাব অনটনের সংসারে পারিবারিক কলহে মানসিক অশান্তিতে ভোগছিলেন তিনি। শিশুদের ঝগড়াকে কেন্দ্র করে তার স্ত্রী ও মায়ের ঝগড়ায় হাপিয়ে উঠেন তিনি।
গত শুক্রবার (৭ই আগষ্ঠ)নিজ সন্তানদের হত্যা করতে পরিবারের অগোচরে সিলেট শহরে নিয়ে যান ওই পাষন্ড বাবা। এদিকে শিশু দুটির মা ও স্থানীয়রা অনেক খোঁজাখুজির পরও বাচ্চাদের সন্ধান না পাননি। শিশু দুটির বাবাও নিখোঁজ থাকায় সবাই ধারনা করে হয়তো হয়তো পিতার সাথেই রয়েছে সন্তান দুটি। তাই তাদের ফিরার অপেক্ষায় বুকভরা আশা নিয়ে থাকেন অভাগী ওই মা।
এদিকে সিলেটে দুই দিন অবস্থানের পর ঘাতক পিতা কামরুল হাসান দুই অবুঝ সন্তানকে নিয়ে রবিবার (৯ আগষ্ঠ) বিকেলে গাড়িতে করে দিরাইয়ের দিকে ফেরার পথে সুনামগঞ্জ-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের ডাবর এলাকায় নেমে ছোট মেয়ে তুলনা আক্তারকে পানিতে ফেলে হত্যা করার পর বড় ছেলে মুহাদ্দিস মিয়াকে কলার সাথে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে ঘুমন্ত অবস্থায় দিরাইয়ের রাস্তার মোড়ে দেখার হাওরের পানিতে ফেলে হত্যা করে তিনি নিজ বাড়ি মধুপুরে ফিরে আসেন।
সোমবার (১০ আগষ্ঠ) বিকালে সন্তানদের ছাড়া একা বাড়িতে ফিরেই তাদের পাচ্ছেন না বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করে ঘাতক পিতা কামরুল। অপরদিকে স্থানীয় লোকজনের তথ্যর ভিত্তিতে সুনামগঞ্জের দেখার হাওর থেকে সদর থানার ওসি রতন শেখ পিপিএম এর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল হাওরে গিয়ে পৃথক দৃটি স্থান থেকে দুটি শিশুর লাশ উদ্ধার করার ঘটনা ও পাষন্ড পিতার অস্বাভাবিক আচরনে স্থানীয়দের মনে সন্দেহ জাগে। পরে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেন তারা। পুলিশের কাছে সন্তানদের হত্যার কথা স্বীকার করে ঘাতক বাবা কামরুল হাসান।
স্থানীয় চেয়ারম্যান তার ইউনিয়নে এমন পাষন্ড পিতার হাতে নিজের অবুঝ দুই শিশু সন্তান খুনের ঘটনায় হতবাক হয়েছি বলে তিনি জানান।
দুই শিশু সন্তানতে হত্যার ঘটনায় ঘাতক পিতা কামরুল হাসান গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানালেন পুলিশের এই কর্মকর্তা।

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬
সুনামগঞ্জে পারিবারিক কলহের জেরে দুই শিশু সন্তানকে কলার সাথে ঘুমের ঔষুধ খাইয়ে হাওরের পানিতে ফেলে হত্যা করেছেন কামরুল হাসান নামের এক পাষন্ড পিতা। ঘটনাটি ঘটেছে দিরাই উপজেলার চরনারচর ইউনিয়নের পেরুয়া মধুপুর গ্রামে। পরে স্থানীয়রা সন্দেহবশত নিহতদের বাবাকে আটক করে পুলিশে দিলে নিজ হাতে সন্তানদের হত্যার লোমহর্ষক ঘটনার বর্ণনা দেন তিনি।
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার পেরুয়া মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা দিনমজুর কামরুল হাসান। অভাব অনটনের সংসারে পারিবারিক কলহে মানসিক অশান্তিতে ভোগছিলেন তিনি। শিশুদের ঝগড়াকে কেন্দ্র করে তার স্ত্রী ও মায়ের ঝগড়ায় হাপিয়ে উঠেন তিনি।
গত শুক্রবার (৭ই আগষ্ঠ)নিজ সন্তানদের হত্যা করতে পরিবারের অগোচরে সিলেট শহরে নিয়ে যান ওই পাষন্ড বাবা। এদিকে শিশু দুটির মা ও স্থানীয়রা অনেক খোঁজাখুজির পরও বাচ্চাদের সন্ধান না পাননি। শিশু দুটির বাবাও নিখোঁজ থাকায় সবাই ধারনা করে হয়তো হয়তো পিতার সাথেই রয়েছে সন্তান দুটি। তাই তাদের ফিরার অপেক্ষায় বুকভরা আশা নিয়ে থাকেন অভাগী ওই মা।
এদিকে সিলেটে দুই দিন অবস্থানের পর ঘাতক পিতা কামরুল হাসান দুই অবুঝ সন্তানকে নিয়ে রবিবার (৯ আগষ্ঠ) বিকেলে গাড়িতে করে দিরাইয়ের দিকে ফেরার পথে সুনামগঞ্জ-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের ডাবর এলাকায় নেমে ছোট মেয়ে তুলনা আক্তারকে পানিতে ফেলে হত্যা করার পর বড় ছেলে মুহাদ্দিস মিয়াকে কলার সাথে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে ঘুমন্ত অবস্থায় দিরাইয়ের রাস্তার মোড়ে দেখার হাওরের পানিতে ফেলে হত্যা করে তিনি নিজ বাড়ি মধুপুরে ফিরে আসেন।
সোমবার (১০ আগষ্ঠ) বিকালে সন্তানদের ছাড়া একা বাড়িতে ফিরেই তাদের পাচ্ছেন না বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করে ঘাতক পিতা কামরুল। অপরদিকে স্থানীয় লোকজনের তথ্যর ভিত্তিতে সুনামগঞ্জের দেখার হাওর থেকে সদর থানার ওসি রতন শেখ পিপিএম এর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল হাওরে গিয়ে পৃথক দৃটি স্থান থেকে দুটি শিশুর লাশ উদ্ধার করার ঘটনা ও পাষন্ড পিতার অস্বাভাবিক আচরনে স্থানীয়দের মনে সন্দেহ জাগে। পরে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেন তারা। পুলিশের কাছে সন্তানদের হত্যার কথা স্বীকার করে ঘাতক বাবা কামরুল হাসান।
স্থানীয় চেয়ারম্যান তার ইউনিয়নে এমন পাষন্ড পিতার হাতে নিজের অবুঝ দুই শিশু সন্তান খুনের ঘটনায় হতবাক হয়েছি বলে তিনি জানান।
দুই শিশু সন্তানতে হত্যার ঘটনায় ঘাতক পিতা কামরুল হাসান গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানালেন পুলিশের এই কর্মকর্তা।

আপনার মতামত লিখুন