ভোলার দৌলতখানে আলোচিত লিটন হত্যার ৫ মাস পর প্রধান আসামি ইয়াসমিন বেগমকে কারাগারে পাঠিয়েছেন বিজ্ঞ আদালত।
বুধবার (১২ আগস্ট) ভোলা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হলে বিচারক সৌরভ রায় মিঠু তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। দুসন্তানের জননী আসামি ইয়াসমিন বেগম উপজেলার চরখলিফা ইউনিয়ন কলাকোপা গ্রামের নায়েব বাড়ির প্রবাসী মোসলেহ উদ্দিনের স্ত্রী।
দৌলতখান থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফখরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, লিটন নায়েব (৩২) হত্যা মামলার প্রধান আসামি ইয়াসমিন বেগম আদালতে আত্মসমর্পণ করলে বিজ্ঞ আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ মার্চ চরখলিফা ইউনিয়নের নায়েব বাড়িতে লিটন নায়েবকে নির্মমভাবে হত্যার পর তার মরদেহ ইয়াসমিন বেগমের নির্মাণাধীন সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে বালু চাপা দিয়ে রাখা হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় নিহত লিটনের বাবা হারুন নায়েব ইয়াসমিন বেগমকে প্রধান আসামি করে দৌলতখান থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার পর থেকে দীর্ঘ প্রায় পাঁচ মাস প্রধান আসামি ইয়াসমিন আত্মগোপনে ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ আগস্ট ২০২৬
ভোলার দৌলতখানে আলোচিত লিটন হত্যার ৫ মাস পর প্রধান আসামি ইয়াসমিন বেগমকে কারাগারে পাঠিয়েছেন বিজ্ঞ আদালত।
বুধবার (১২ আগস্ট) ভোলা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হলে বিচারক সৌরভ রায় মিঠু তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। দুসন্তানের জননী আসামি ইয়াসমিন বেগম উপজেলার চরখলিফা ইউনিয়ন কলাকোপা গ্রামের নায়েব বাড়ির প্রবাসী মোসলেহ উদ্দিনের স্ত্রী।
দৌলতখান থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফখরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, লিটন নায়েব (৩২) হত্যা মামলার প্রধান আসামি ইয়াসমিন বেগম আদালতে আত্মসমর্পণ করলে বিজ্ঞ আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ মার্চ চরখলিফা ইউনিয়নের নায়েব বাড়িতে লিটন নায়েবকে নির্মমভাবে হত্যার পর তার মরদেহ ইয়াসমিন বেগমের নির্মাণাধীন সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে বালু চাপা দিয়ে রাখা হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় নিহত লিটনের বাবা হারুন নায়েব ইয়াসমিন বেগমকে প্রধান আসামি করে দৌলতখান থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার পর থেকে দীর্ঘ প্রায় পাঁচ মাস প্রধান আসামি ইয়াসমিন আত্মগোপনে ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন