সাভারের আশুলিয়ায় সাভার ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ঢাকা জেলা উত্তরের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক তৌহিদুর ইসলাম সানভীসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম।
পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তৌহিদুর ইসলাম সানভী ও নাজিমকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আশুলিয়া থানার এসআই মিরাজ জানান, প্রাথমিক তদন্তে অপহরণের ঘটনায় গ্রেপ্তার দুজনের সরাসরি সম্পৃক্ততা ও সহযোগিতার প্রমাণ পাওয়া গেছে। বিষয়টি আরও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা আরিফা আক্তার জানান, তার মেয়ে আশুলিয়ার কন্ডা এলাকার বাসিন্দা। গত ১০ আগস্ট সকালে তিনি মেয়েকে স্কুলে পৌঁছে দেন। পরে দুপুরে মেয়েকে নিতে স্কুলে গিয়ে জানতে পারেন, সে স্কুলে নেই।
পরবর্তীতে মেয়ের বান্ধবীদের কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন, দুপুর ২টার দিকে নবীনগর এলাকায় স্কুলের সামনে থেকে প্রতিবেশী শাকিল ও তার সহযোগীরা অসৎ উদ্দেশ্যে ফুসলিয়ে তার মেয়েকে নিয়ে গেছে।
এরপর পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও মেয়েটির সন্ধান না পেয়ে মঙ্গলবার আশুলিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগের ভিত্তিতে আশুলিয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়।
আশুলিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়েরের পর তদন্তে তৌহিদুর ইসলাম সানভী ও নাজিমের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়। পরে তাদের গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কি না, তা গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মামলার প্রধান অভিযুক্ত শাকিলকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬
সাভারের আশুলিয়ায় সাভার ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ঢাকা জেলা উত্তরের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক তৌহিদুর ইসলাম সানভীসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম।
পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তৌহিদুর ইসলাম সানভী ও নাজিমকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আশুলিয়া থানার এসআই মিরাজ জানান, প্রাথমিক তদন্তে অপহরণের ঘটনায় গ্রেপ্তার দুজনের সরাসরি সম্পৃক্ততা ও সহযোগিতার প্রমাণ পাওয়া গেছে। বিষয়টি আরও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা আরিফা আক্তার জানান, তার মেয়ে আশুলিয়ার কন্ডা এলাকার বাসিন্দা। গত ১০ আগস্ট সকালে তিনি মেয়েকে স্কুলে পৌঁছে দেন। পরে দুপুরে মেয়েকে নিতে স্কুলে গিয়ে জানতে পারেন, সে স্কুলে নেই।
পরবর্তীতে মেয়ের বান্ধবীদের কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন, দুপুর ২টার দিকে নবীনগর এলাকায় স্কুলের সামনে থেকে প্রতিবেশী শাকিল ও তার সহযোগীরা অসৎ উদ্দেশ্যে ফুসলিয়ে তার মেয়েকে নিয়ে গেছে।
এরপর পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও মেয়েটির সন্ধান না পেয়ে মঙ্গলবার আশুলিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগের ভিত্তিতে আশুলিয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়।
আশুলিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়েরের পর তদন্তে তৌহিদুর ইসলাম সানভী ও নাজিমের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়। পরে তাদের গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কি না, তা গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মামলার প্রধান অভিযুক্ত শাকিলকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন