জয়পুরহাট    বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
Daily Joypur Barta

মোবাইল অ্যাপসে মুরগির খামার নিয়ন্ত্রণ



মোবাইল অ্যাপসে মুরগির খামার নিয়ন্ত্রণ
ছবি: প্রতিনিধি

প্রযুক্তির ছোঁয়ায় বদলে যাচ্ছে মুরগি খামারিদের ভাগ্য। এখন আর সারাদিন শেডে বসে থাকতে হচ্ছে না। মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমেই আলো, পানি, ফ্যান, তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন খামারিরা। জাকস ফাউন্ডেশন এমন উদ্যোগ গ্রহণ করায় খামারিরা লাভবান হচ্ছেন।

জাকস ফাউন্ডেশন অ্যাপসের মাধ্যমে খামারের বৈদ্যুতিক লাইন, পানির পাম্প, ফ্যানসহ আবহাওয়া ও আর্দ্রতার পরিমাণ দূর থেকেই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। ফলে খামারিরা বিভিন্ন কাজে বাইরে থাকলেও সময়মতো শেডের পরিবেশ ঠিক রাখতে পারছেন। এতে মুরগি মারা যাওয়ার ঝুঁকি যেমন কমেছে, তেমনি উৎপাদন ও লাভও বেড়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার আয়মারসুলপুর ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামের খামারি সামিউল ইসলাম রাসেল জাকস ফাউন্ডেশন থেকে পাওয়া অ্যাপস ব্যবহার করছেন। তিনি মুরগির খামারটি নিয়ন্ত্রণ করেন মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে। 

রাসেল বলেন, "আমি যেখানেই থাকি না কেন সেখান থেকেই খামারের সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারি। সন্ধ্যা হয়ে আসলে মোবাইল দিয়েই আলো জ্বালিয়ে দিই। খামারের তাপমাত্রা কেমন সেটা দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেই। এতে আমি অনেক লাভবান হয়েছি এবং মুরগি মারা যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে গেছে।"

জাকস ফাউন্ডেশনের উপ-নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল বাশার বলেন, "জাকস ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সমাজের পিছিয়ে থাকা মানুষকে স্বাবলম্বী করতে বিভিন্নভাবে কাজ করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় পাঁচবিবির রাসেলসহ জেলার একাধিক খামারিকে আমরা এই অ্যাপস প্রদান করেছি। এর মাধ্যমে তারা ঘরে বসেই খামারের সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন এবং তারা আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন। জাকসের এই কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।"

খামারিরা বলছেন, প্রযুক্তির এই ব্যবহার তাদের সময় বাঁচানোর পাশাপাশি ঝুঁকি কমিয়েছে। ফলে তরুণরাও এখন মুরগি পালনে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ হাসান আলী বলেন, ছোট বড় সব মিলিয়ে এ উপজেলায় ৯'শর মতো চলমান হাঁস-মুরগির খামার আছে।


আপনার মতামত লিখুন

Daily Joypur Barta

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬


মোবাইল অ্যাপসে মুরগির খামার নিয়ন্ত্রণ

প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬

featured Image

প্রযুক্তির ছোঁয়ায় বদলে যাচ্ছে মুরগি খামারিদের ভাগ্য। এখন আর সারাদিন শেডে বসে থাকতে হচ্ছে না। মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমেই আলো, পানি, ফ্যান, তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন খামারিরা। জাকস ফাউন্ডেশন এমন উদ্যোগ গ্রহণ করায় খামারিরা লাভবান হচ্ছেন।

জাকস ফাউন্ডেশন অ্যাপসের মাধ্যমে খামারের বৈদ্যুতিক লাইন, পানির পাম্প, ফ্যানসহ আবহাওয়া ও আর্দ্রতার পরিমাণ দূর থেকেই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। ফলে খামারিরা বিভিন্ন কাজে বাইরে থাকলেও সময়মতো শেডের পরিবেশ ঠিক রাখতে পারছেন। এতে মুরগি মারা যাওয়ার ঝুঁকি যেমন কমেছে, তেমনি উৎপাদন ও লাভও বেড়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার আয়মারসুলপুর ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামের খামারি সামিউল ইসলাম রাসেল জাকস ফাউন্ডেশন থেকে পাওয়া অ্যাপস ব্যবহার করছেন। তিনি মুরগির খামারটি নিয়ন্ত্রণ করেন মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে। 

রাসেল বলেন, "আমি যেখানেই থাকি না কেন সেখান থেকেই খামারের সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারি। সন্ধ্যা হয়ে আসলে মোবাইল দিয়েই আলো জ্বালিয়ে দিই। খামারের তাপমাত্রা কেমন সেটা দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেই। এতে আমি অনেক লাভবান হয়েছি এবং মুরগি মারা যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে গেছে।"

জাকস ফাউন্ডেশনের উপ-নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল বাশার বলেন, "জাকস ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সমাজের পিছিয়ে থাকা মানুষকে স্বাবলম্বী করতে বিভিন্নভাবে কাজ করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় পাঁচবিবির রাসেলসহ জেলার একাধিক খামারিকে আমরা এই অ্যাপস প্রদান করেছি। এর মাধ্যমে তারা ঘরে বসেই খামারের সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন এবং তারা আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন। জাকসের এই কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।"

খামারিরা বলছেন, প্রযুক্তির এই ব্যবহার তাদের সময় বাঁচানোর পাশাপাশি ঝুঁকি কমিয়েছে। ফলে তরুণরাও এখন মুরগি পালনে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ হাসান আলী বলেন, ছোট বড় সব মিলিয়ে এ উপজেলায় ৯'শর মতো চলমান হাঁস-মুরগির খামার আছে।



Daily Joypur Barta



কপিরাইট © ২০২৬ Daily Joypur Barta । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত