জয়পুরহাট    বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
Daily Joypur Barta

নিয়ামতপুরে খাল খননের উদ্বৃত্ত টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা



নিয়ামতপুরে খাল খননের উদ্বৃত্ত  টাকা রাষ্ট্রীয়  কোষাগারে জমা
ছবি: প্রতিনিধি

নওগাঁর নিয়ামতপুরে খাল খননের কাজ শেষ করে বরাদ্দের উদ্বৃত্ত ৯ লাখ ৮৩ হাজার ৭৬২ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোসাঃ মুর্শিদা খাতুন।

ইউএনও অফিস সূত্রে জানায়, নিয়ামতপুর উপজেলার পানি নিষ্কাশনের জন্য উপজেলার চন্দননগর ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর রেজাউলের জমি হতে সন্তোষপাড়া ছাতড়া বিল পর্যন্ত ২ কিলোমিটার পূনঃখাল খননের জন্য ৬৪ লাখ ৪১ হাজার  ৪১৯ টাকা বরাদ্দ দেয় সরকার। খাল খনন কাজ শেষ হওয়ার পর ৯ লাখ ৮৩ হাজার ৭৬২ টাকা উদ্বৃত্ত  ছিল। সে টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত পাঠানো হয়।

চন্দননগর ইউনিয়ের ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান মইনুল ইসলাম ও স্থানীয় বাসিন্দা জানান, প্রকল্প বাস্তবায়নের পর উদ্বৃত্ত নগদ টাকা কোষাগারে ফেরত দেওয়ার ঘটনা বিরল।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এনামুল হক বলেন, খাল খননের মাধ্যমে কৃষিজমিতে সেচ ব্যবস্থা উন্নত হবে, জলাবদ্ধতা কমবে এবং বর্ষার পানি নিষ্কাশন সহজ হবে। স্থানীয় কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর ক্ষেত্রেও প্রকল্পটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এ বিষয় ইউএনও মোসাঃ মুর্শিদা খাতুন বলেন, সরকারি অর্থ মানেই জনগণের আমানত। সঠিক পরিকল্পনা, স্বচ্ছতা ও নিয়মিত তদারকি থাকলে নির্ধারিত বাজেট থেকেও সাশ্রয়ীভাবে মানসম্মত কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব। আমরা সেই চেষ্টাই করেছি। জনগণের টাকা জনগণের কাছে এবং রাষ্ট্রীয় তহবিলেই ফিরে গেছে।

আপনার মতামত লিখুন

Daily Joypur Barta

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬


নিয়ামতপুরে খাল খননের উদ্বৃত্ত টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা

প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬

featured Image

নওগাঁর নিয়ামতপুরে খাল খননের কাজ শেষ করে বরাদ্দের উদ্বৃত্ত ৯ লাখ ৮৩ হাজার ৭৬২ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোসাঃ মুর্শিদা খাতুন।

ইউএনও অফিস সূত্রে জানায়, নিয়ামতপুর উপজেলার পানি নিষ্কাশনের জন্য উপজেলার চন্দননগর ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর রেজাউলের জমি হতে সন্তোষপাড়া ছাতড়া বিল পর্যন্ত ২ কিলোমিটার পূনঃখাল খননের জন্য ৬৪ লাখ ৪১ হাজার  ৪১৯ টাকা বরাদ্দ দেয় সরকার। খাল খনন কাজ শেষ হওয়ার পর ৯ লাখ ৮৩ হাজার ৭৬২ টাকা উদ্বৃত্ত  ছিল। সে টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত পাঠানো হয়।

চন্দননগর ইউনিয়ের ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান মইনুল ইসলাম ও স্থানীয় বাসিন্দা জানান, প্রকল্প বাস্তবায়নের পর উদ্বৃত্ত নগদ টাকা কোষাগারে ফেরত দেওয়ার ঘটনা বিরল।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এনামুল হক বলেন, খাল খননের মাধ্যমে কৃষিজমিতে সেচ ব্যবস্থা উন্নত হবে, জলাবদ্ধতা কমবে এবং বর্ষার পানি নিষ্কাশন সহজ হবে। স্থানীয় কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর ক্ষেত্রেও প্রকল্পটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এ বিষয় ইউএনও মোসাঃ মুর্শিদা খাতুন বলেন, সরকারি অর্থ মানেই জনগণের আমানত। সঠিক পরিকল্পনা, স্বচ্ছতা ও নিয়মিত তদারকি থাকলে নির্ধারিত বাজেট থেকেও সাশ্রয়ীভাবে মানসম্মত কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব। আমরা সেই চেষ্টাই করেছি। জনগণের টাকা জনগণের কাছে এবং রাষ্ট্রীয় তহবিলেই ফিরে গেছে।


Daily Joypur Barta



কপিরাইট © ২০২৬ Daily Joypur Barta । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত