জয়পুরহাট    শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬
Daily Joypur Barta

আলফাডাঙ্গায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব দেয়ার অভিযোগ



আলফাডাঙ্গায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব দেয়ার অভিযোগ
ছবি: প্রতিনিধি

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে মোবাইলে কুপ্রস্তাব ও অশ্লীল বার্তা পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। 

ওই ছাত্রীর নিকট হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো অভিযুক্ত শিক্ষকের আপত্তিকর কয়েকটি ক্ষুদে বার্তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনার ঝড় উঠে। 

এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ওই ছাত্রীর চাচা। অভিযোগে বলা হয়, আলফাডাঙ্গা আরিফুজ্জামান সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. নূরুদৌহা সোহেল (৪৮) দীর্ঘদিন ধরে ওই ছাত্রীকে প্রাইভেট পড়াতেন। এ সুযোগে তিনি বিভিন্ন সময় ছাত্রীটিকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার পাশাপাশি হোয়াটসঅ্যাপে অশ্লীল কথাবার্তা ও ক্ষুদে বার্তা পাঠাতেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। 

অভিযোগে আরও বলা হয়, শিক্ষক সোহেল বিভিন্নভাবে ওই ছাত্রীকে চাপ প্রয়োগ করে শাড়ি পরা ছবি পাঠাতে বলেন। এতে রাজি না হওয়ায় তাকে মুঠোফোনে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হতো। এসব ঘটনায় ভীত হয়ে ওই ছাত্রী বর্তমানে স্কুল ও প্রাইভেট পড়তে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী ছাত্রীর পরিবারের দাবি, অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত করে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক। অভিযোগপত্রে আরও দাবি করা হয়েছে, এর আগেও ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে একাধিক ছাত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর ছবি আদান-প্রদানসহ নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে।

এ ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত শিক্ষক মো. নূরুদৌহা সোহেলের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ব্যস্ততা দেখিয়ে ফোন কেটে দেন। আলফাডাঙ্গা আরিফুজ্জামান সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আজাদুর রহমান বলেন, "মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছ থেকে বিষয়টি জানতে পেরেছি। ঘটনাটি স্কুলের জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক। তদন্ত করে যথাযথ কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে আশা করছি।

আলফাডাঙ্গা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মোজাম্মেল হোসেন বলেন, “অভিযোগটি তদন্তের দায়িত্ব আমাকে দেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হবে। তারা এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন। 

আপনার মতামত লিখুন

Daily Joypur Barta

শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬


আলফাডাঙ্গায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব দেয়ার অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬

featured Image

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে মোবাইলে কুপ্রস্তাব ও অশ্লীল বার্তা পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। 

ওই ছাত্রীর নিকট হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো অভিযুক্ত শিক্ষকের আপত্তিকর কয়েকটি ক্ষুদে বার্তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনার ঝড় উঠে। 

এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ওই ছাত্রীর চাচা। অভিযোগে বলা হয়, আলফাডাঙ্গা আরিফুজ্জামান সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. নূরুদৌহা সোহেল (৪৮) দীর্ঘদিন ধরে ওই ছাত্রীকে প্রাইভেট পড়াতেন। এ সুযোগে তিনি বিভিন্ন সময় ছাত্রীটিকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার পাশাপাশি হোয়াটসঅ্যাপে অশ্লীল কথাবার্তা ও ক্ষুদে বার্তা পাঠাতেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। 

অভিযোগে আরও বলা হয়, শিক্ষক সোহেল বিভিন্নভাবে ওই ছাত্রীকে চাপ প্রয়োগ করে শাড়ি পরা ছবি পাঠাতে বলেন। এতে রাজি না হওয়ায় তাকে মুঠোফোনে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হতো। এসব ঘটনায় ভীত হয়ে ওই ছাত্রী বর্তমানে স্কুল ও প্রাইভেট পড়তে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী ছাত্রীর পরিবারের দাবি, অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত করে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক। অভিযোগপত্রে আরও দাবি করা হয়েছে, এর আগেও ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে একাধিক ছাত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর ছবি আদান-প্রদানসহ নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে।

এ ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত শিক্ষক মো. নূরুদৌহা সোহেলের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ব্যস্ততা দেখিয়ে ফোন কেটে দেন। আলফাডাঙ্গা আরিফুজ্জামান সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আজাদুর রহমান বলেন, "মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছ থেকে বিষয়টি জানতে পেরেছি। ঘটনাটি স্কুলের জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক। তদন্ত করে যথাযথ কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে আশা করছি।

আলফাডাঙ্গা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মোজাম্মেল হোসেন বলেন, “অভিযোগটি তদন্তের দায়িত্ব আমাকে দেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হবে। তারা এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন। 


Daily Joypur Barta



কপিরাইট © ২০২৬ Daily Joypur Barta । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত