০
শনিবার (৮ আগস্ট) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে উপজেলার মুমুরদিয়া ইউনিয়নের মাগুরা ভিটা (কুড়িখাই-মাগুরা) এলাকায় এ নৃশংস ঘটনা ঘটে।
নিহত জাকির হোসেন ওই এলাকার শিবলু মিয়া ও ঝরিনা বেগম দম্পতির ছেলে। তিনি দীর্ঘ দিন ধরে সৌদি আরবে কর্মরত ছিলেন এবং পাঁচ মাস আগে ছুটিতে বাড়িতে আসেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাতে জাকির হোসেন বাড়ির পাশের একটি বিল থেকে মাছ ধরে হেঁটে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে পূর্ব থেকে ওত পেতে থাকা একদল দুর্বৃত্ত তার গতিরোধ করে এবং ধারালো ছুরি দিয়ে সরাসরি বুকের মধ্যে আঘাত করে পালিয়ে যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় জাকির বুকের মধ্যে ছুরি বিদ্ধ থাকা অবস্থাতেই জীবন বাঁচাতে সামনের দিকে দৌড়াতে শুরু করেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পরে তার আত্মচিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয়রা জানান, নিহত জাকিরের পরিবারের সাথে এক প্রতিপক্ষের দীর্ঘ দিন ধরে জমি জমা নিয়ে বিরোধ ও মামলা-মোকদ্দমা চলছিল। তাঁদের ধারণা, সেই জমিসংক্রান্ত পূর্বশত্রুতার জের ধরেই এই পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড ঘটানো হতে পারে।
কটিয়াদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্বের সাথে তদন্ত করছে।
তিনি বলেন,"নিহতের পরিবারের বক্তব্য ও প্রাথমিক তদন্তে মনে হচ্ছে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানা ঘটতে পারে। ওই প্রতিপক্ষের সাথে পূর্বেও তাদের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছিল, তবে তখন থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ করা হয়নি। আমরা ঘটনার সাথে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করছি।
মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলছে এবং এ ঘটনায় কটিয়াদী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬
০
শনিবার (৮ আগস্ট) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে উপজেলার মুমুরদিয়া ইউনিয়নের মাগুরা ভিটা (কুড়িখাই-মাগুরা) এলাকায় এ নৃশংস ঘটনা ঘটে।
নিহত জাকির হোসেন ওই এলাকার শিবলু মিয়া ও ঝরিনা বেগম দম্পতির ছেলে। তিনি দীর্ঘ দিন ধরে সৌদি আরবে কর্মরত ছিলেন এবং পাঁচ মাস আগে ছুটিতে বাড়িতে আসেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাতে জাকির হোসেন বাড়ির পাশের একটি বিল থেকে মাছ ধরে হেঁটে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে পূর্ব থেকে ওত পেতে থাকা একদল দুর্বৃত্ত তার গতিরোধ করে এবং ধারালো ছুরি দিয়ে সরাসরি বুকের মধ্যে আঘাত করে পালিয়ে যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় জাকির বুকের মধ্যে ছুরি বিদ্ধ থাকা অবস্থাতেই জীবন বাঁচাতে সামনের দিকে দৌড়াতে শুরু করেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পরে তার আত্মচিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয়রা জানান, নিহত জাকিরের পরিবারের সাথে এক প্রতিপক্ষের দীর্ঘ দিন ধরে জমি জমা নিয়ে বিরোধ ও মামলা-মোকদ্দমা চলছিল। তাঁদের ধারণা, সেই জমিসংক্রান্ত পূর্বশত্রুতার জের ধরেই এই পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড ঘটানো হতে পারে।
কটিয়াদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্বের সাথে তদন্ত করছে।
তিনি বলেন,"নিহতের পরিবারের বক্তব্য ও প্রাথমিক তদন্তে মনে হচ্ছে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানা ঘটতে পারে। ওই প্রতিপক্ষের সাথে পূর্বেও তাদের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছিল, তবে তখন থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ করা হয়নি। আমরা ঘটনার সাথে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করছি।
মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলছে এবং এ ঘটনায় কটিয়াদী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন