আশুলিয়ার নবীনগরের নিরিবিলি এলাকার বাঁশতলা ফকির বাড়ি মোড়ে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনাকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, পুলিশের উপস্থিতিতে দেশীয় ধারালো অস্ত্র প্রদর্শন ও হত্যার হুমকি দেওয়ার পরও এসকে শফিকুল ইসলাম (শুভ) নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
পরে অন্য একটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি বাদী, সাক্ষী ও সাংবাদিকদের আবারও হত্যার হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ৩০ জুলাই রাতে অভিযুক্ত ব্যক্তি একটি চাইনিজ কুড়াল ও হকিস্টিকসহ দেশীয় অস্ত্র হাতে নিয়ে উপস্থিত জনতার ওপর চড়াও হন। সংবাদ পেয়ে সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে গেলে তাদের প্রতিও তিনি আক্রমণাত্মক আচরণ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে ৯৯৯-এ ফোন করার পর পুলিশ এসে তাকে আটক করে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ঘটনাস্থলে অস্ত্র দেখা গেলেও সেগুলো জব্দ করে অস্ত্র আইনে কোনো মামলা করা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আশুলিয়া থানার ওসি বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য এসব অস্ত্র রেখেছেন বলে দাবি করেছেন।
এদিকে, অন্য একটি মামলায় কারাগারে যাওয়ার পর জামিনে মুক্ত হয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি আবারও বাদী, সাক্ষী ও সাংবাদিকদের ভয়ভীতি ও হত্যার হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা এ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, অস্ত্র জব্দ না করার কারণ উদ্ঘাটন এবং হুমকির অভিযোগের বিষয়ে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ আগস্ট ২০২৬
আশুলিয়ার নবীনগরের নিরিবিলি এলাকার বাঁশতলা ফকির বাড়ি মোড়ে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনাকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, পুলিশের উপস্থিতিতে দেশীয় ধারালো অস্ত্র প্রদর্শন ও হত্যার হুমকি দেওয়ার পরও এসকে শফিকুল ইসলাম (শুভ) নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
পরে অন্য একটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি বাদী, সাক্ষী ও সাংবাদিকদের আবারও হত্যার হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ৩০ জুলাই রাতে অভিযুক্ত ব্যক্তি একটি চাইনিজ কুড়াল ও হকিস্টিকসহ দেশীয় অস্ত্র হাতে নিয়ে উপস্থিত জনতার ওপর চড়াও হন। সংবাদ পেয়ে সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে গেলে তাদের প্রতিও তিনি আক্রমণাত্মক আচরণ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে ৯৯৯-এ ফোন করার পর পুলিশ এসে তাকে আটক করে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ঘটনাস্থলে অস্ত্র দেখা গেলেও সেগুলো জব্দ করে অস্ত্র আইনে কোনো মামলা করা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আশুলিয়া থানার ওসি বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য এসব অস্ত্র রেখেছেন বলে দাবি করেছেন।
এদিকে, অন্য একটি মামলায় কারাগারে যাওয়ার পর জামিনে মুক্ত হয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি আবারও বাদী, সাক্ষী ও সাংবাদিকদের ভয়ভীতি ও হত্যার হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা এ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, অস্ত্র জব্দ না করার কারণ উদ্ঘাটন এবং হুমকির অভিযোগের বিষয়ে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন