প্রেমিকাকে একটি দামি মোবাইল ফোন উপহার দেওয়ার ইচ্ছা—এমন আবেগ থেকেই জন্ম নেয় এক ঝুঁকিপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর পরিকল্পনা। বাবার কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিতে নিজেরই অপহরণের নাটক সাজালেন এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী। শেষ পর্যন্ত তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় রাজশাহী থেকে তাকে উদ্ধার করে দুপচাঁচিয়া থানা পুলিশ।
ঘটনাটি ঘটেছে বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলায়। পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রেমিকার পছন্দ অনুযায়ী মোবাইল ফোন কিনে দেওয়ার জন্য টাকার প্রয়োজন ছিল ওই শিক্ষার্থীর। কিন্তু সরাসরি বাবার কাছে বড় অঙ্কের টাকা চাওয়া সম্ভব না হওয়ায় সে বাবার কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা আদায়ের নীলকশ সাজায়।
পরিকল্পনা অনুযায়ী ওই তরুণ রাজশাহীতে গিয়ে আত্মগোপন করে। সেখান থেকেই নিজের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর দিয়ে বাবাকে ফোন করে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। স্বজনদের বিশ্বাস করাতে ফোনে মারধরের কৃত্রিম শব্দও শোনানো হয়। সন্তানের এমন বিপদের খবরে চরম মানসিক উদ্বেগ ও আতঙ্কে ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্যরা।
ঘটনাটি দুপচাঁচিয়া থানা পুলিশকে জানানো হলে তারা দ্রুত একটি বিশেষ টিম গঠন করে তদন্তে নামে। পরবর্তীতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অবস্থান শনাক্ত করে রাজশাহী থেকে তাকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারের পর পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে থলের বিড়াল বেরিয়ে আসে। সে স্বীকার করে, কেবল প্রেমিকার জন্য মোবাইল কেনার টাকা জোগাড় করতেই এই অপহরণের নাটক সাজিয়েছিল। পরবর্তীতে নিজের ভুল স্বীকার করায় এবং কোনো অপরাধমূলক রেকর্ড না থাকায়, পুলিশ প্রয়োজনীয় কাউন্সেলিং শেষে শিক্ষার্থীকে তার বাবার জিম্মায় হস্তান্তর করে।

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬
প্রেমিকাকে একটি দামি মোবাইল ফোন উপহার দেওয়ার ইচ্ছা—এমন আবেগ থেকেই জন্ম নেয় এক ঝুঁকিপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর পরিকল্পনা। বাবার কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিতে নিজেরই অপহরণের নাটক সাজালেন এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী। শেষ পর্যন্ত তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় রাজশাহী থেকে তাকে উদ্ধার করে দুপচাঁচিয়া থানা পুলিশ।
ঘটনাটি ঘটেছে বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলায়। পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রেমিকার পছন্দ অনুযায়ী মোবাইল ফোন কিনে দেওয়ার জন্য টাকার প্রয়োজন ছিল ওই শিক্ষার্থীর। কিন্তু সরাসরি বাবার কাছে বড় অঙ্কের টাকা চাওয়া সম্ভব না হওয়ায় সে বাবার কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা আদায়ের নীলকশ সাজায়।
পরিকল্পনা অনুযায়ী ওই তরুণ রাজশাহীতে গিয়ে আত্মগোপন করে। সেখান থেকেই নিজের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর দিয়ে বাবাকে ফোন করে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। স্বজনদের বিশ্বাস করাতে ফোনে মারধরের কৃত্রিম শব্দও শোনানো হয়। সন্তানের এমন বিপদের খবরে চরম মানসিক উদ্বেগ ও আতঙ্কে ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্যরা।
ঘটনাটি দুপচাঁচিয়া থানা পুলিশকে জানানো হলে তারা দ্রুত একটি বিশেষ টিম গঠন করে তদন্তে নামে। পরবর্তীতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অবস্থান শনাক্ত করে রাজশাহী থেকে তাকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারের পর পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে থলের বিড়াল বেরিয়ে আসে। সে স্বীকার করে, কেবল প্রেমিকার জন্য মোবাইল কেনার টাকা জোগাড় করতেই এই অপহরণের নাটক সাজিয়েছিল। পরবর্তীতে নিজের ভুল স্বীকার করায় এবং কোনো অপরাধমূলক রেকর্ড না থাকায়, পুলিশ প্রয়োজনীয় কাউন্সেলিং শেষে শিক্ষার্থীকে তার বাবার জিম্মায় হস্তান্তর করে।

আপনার মতামত লিখুন