ঢাকার আশুলিয়ার নবীনগরের নিরিবিলি এলাকার বাঁশতলা ফকির বাড়ি মোড় (প্রফেসর বাড়ি) এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসকে শফিকুল ইসলাম (শুভ) ওরফে শফিককে আটক করেছে আশুলিয়া থানা পুলিশ।
এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি চাইনিজ কুড়াল ও একটি হকিস্টিকসহ কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে পুলিশ অভিযানটি পরিচালনা করে। আটক শফিকুল ইসলামের (৩৯) পিতা মৃত আব্দুল হালিম। তার স্থায়ী বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার বাহেরচর এলাকায় এবং বর্তমানে তিনি আশুলিয়ার এনায়েতপুর এলাকায় বসবাস করতেন।
স্থানীয়দের দাবি, শফিকুল ইসলাম নিজেকে ‘স্পেশাল সাংবাদিক ৬৪ জেলা’-এর সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে পরিচয় দিতেন। এছাড়া তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে গণঅধিকার পরিষদের মনোনীত প্রার্থী ছিলেন বলেও এলাকায় প্রচলিত রয়েছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ঘটনাস্থলে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধারের পরও প্রথমদিকে বিভিন্ন প্রভাবের কারণে তাকে আটক করা হচ্ছিল না। পরে এলাকাবাসীর প্রতিবাদের মুখে পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় মামলা নম্বর-১২৬ (তারিখ: ৩১ জুলাই ২০২৬) দায়ের করা হয়েছে। মামলায় দণ্ডবিধির ১৪৩, ৪৪৭, ৪৪৮ ও ৫০৬ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটির তদন্ত চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষে প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জুলাই ২০২৬
ঢাকার আশুলিয়ার নবীনগরের নিরিবিলি এলাকার বাঁশতলা ফকির বাড়ি মোড় (প্রফেসর বাড়ি) এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসকে শফিকুল ইসলাম (শুভ) ওরফে শফিককে আটক করেছে আশুলিয়া থানা পুলিশ।
এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি চাইনিজ কুড়াল ও একটি হকিস্টিকসহ কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে পুলিশ অভিযানটি পরিচালনা করে। আটক শফিকুল ইসলামের (৩৯) পিতা মৃত আব্দুল হালিম। তার স্থায়ী বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার বাহেরচর এলাকায় এবং বর্তমানে তিনি আশুলিয়ার এনায়েতপুর এলাকায় বসবাস করতেন।
স্থানীয়দের দাবি, শফিকুল ইসলাম নিজেকে ‘স্পেশাল সাংবাদিক ৬৪ জেলা’-এর সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে পরিচয় দিতেন। এছাড়া তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে গণঅধিকার পরিষদের মনোনীত প্রার্থী ছিলেন বলেও এলাকায় প্রচলিত রয়েছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ঘটনাস্থলে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধারের পরও প্রথমদিকে বিভিন্ন প্রভাবের কারণে তাকে আটক করা হচ্ছিল না। পরে এলাকাবাসীর প্রতিবাদের মুখে পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় মামলা নম্বর-১২৬ (তারিখ: ৩১ জুলাই ২০২৬) দায়ের করা হয়েছে। মামলায় দণ্ডবিধির ১৪৩, ৪৪৭, ৪৪৮ ও ৫০৬ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটির তদন্ত চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষে প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন