জয়পুরহাট    শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
Daily Joypur Barta

বাগমারায় ডিশ ব্যবসা দখলের অভিযোগ ভুক্তভোগী নারীর সংবাদ সম্মেলন ​



বাগমারায় ডিশ ব্যবসা দখলের অভিযোগ ভুক্তভোগী নারীর সংবাদ সম্মেলন  ​
ছবি: প্রতিনিধি

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার গোয়ালকান্দি বাজারে যুবদল নেতা আসাদুল ইসলামের বিরুদ্ধে এক অসহায় নারীর বৈধ ডিশ সংযোগ ও কোটি টাকার ব্যবসায়িক লাইন জোরপূর্বক দখল করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একই সাথে ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ছাত্রদল নেতাদের জড়িয়ে ভাঙচুর ও লুটপাটের যে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও মূল ঘটনা আড়াল করার অপচেষ্টা বলে দাবি করা হয়েছে।

​১৮ জুলাই (শনিবার) বেলা ২ টায় রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক  সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এই অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী নারী ও ডিশ ব্যবসায়ী মোসা. ফাইমা খাতুন। সংবাদ সম্মেলনে তাঁর প্রতি সমর্থন ও সংহতি জানিয়েছেন অভিযুক্ত নর্থ বেঙ্গল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি পারভেজ রানা, গোয়ালকান্দি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি শাহীন আলম এবং হামিরকুৎসা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি সুমন।

​সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠকালে মৃত মোহাম্মদ আলী খামারুর কন্যা ফাইমা খাতুন কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি জানান, ২০১০ সাল থেকে তাঁর স্বামী শাহ মো. শরিফুল ইসলাম রাজু বাগমারা উপজেলার হামিরকুৎসা, গোয়ালকান্দি, পলাশী, চন্দ্রপুর, উদপাড়া, ডাংগাপাড়া ও রায়পুরসহ বিভিন্ন এলাকায় কোটি কোটি টাকার মেশিন ও তার কিনে ডিশ ব্যবসা গড়ে তোলেন। সরকারি সমস্ত লাইসেন্স ও নিয়মিত ট্যাক্স-খাজনা দিয়ে তারা ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন।

​কিন্তু ২০২১ সালে ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যুবলীগ নেতা ইমন তাদের সাজানো লাইনে হামলা চালিয়ে মেশিন ও তার কেড়ে নেয় এবং ফাইমা খাতুন ও তাঁর সন্তানদের প্রচণ্ড মারধর করে। এই ঘটনার পর তীব্র মানসিক আঘাতে তাঁর স্বামী মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন। এরপর সন্তানদের রিযিকের তাগিদে ফাইমা খাতুন একাই এই ব্যবসার হাল ধরেন এবং দীর্ঘদিন লড়াই করে কিছু এলাকা উদ্ধার করেন।

​ফাইমা খাতুন অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ফ্যাসিষ্ট সরকারের পতনের পর গোয়ালকান্দি এলাকার যুবদল নেতা আসাদুল ইসলাম নতুন করে ডিশ লাইন ও ব্যবসাটি জোরপূর্বক দখল করে নেন। ব্যবসা ফেরত পাওয়ার জন্য তিনি স্থানীয় বাগমারা থানা পুলিশ, সেনাবাহিনী, ইউএনও, এসপি এবং  কর্তৃপক্ষ বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এমনকি বাগমারা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের শীর্ষ নেতাদের দ্বারস্থ হলেও আসাদুল কারও কথা তোয়াক্কা করেনি।।

এই বিষয় নিয়ে আসাদুল ইসলাম এর সাথে ফোনে যোগাযোগ করা চেষ্টা করে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন

Daily Joypur Barta

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬


বাগমারায় ডিশ ব্যবসা দখলের অভিযোগ ভুক্তভোগী নারীর সংবাদ সম্মেলন ​

প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুলাই ২০২৬

featured Image

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার গোয়ালকান্দি বাজারে যুবদল নেতা আসাদুল ইসলামের বিরুদ্ধে এক অসহায় নারীর বৈধ ডিশ সংযোগ ও কোটি টাকার ব্যবসায়িক লাইন জোরপূর্বক দখল করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একই সাথে ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ছাত্রদল নেতাদের জড়িয়ে ভাঙচুর ও লুটপাটের যে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও মূল ঘটনা আড়াল করার অপচেষ্টা বলে দাবি করা হয়েছে।

​১৮ জুলাই (শনিবার) বেলা ২ টায় রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক  সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এই অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী নারী ও ডিশ ব্যবসায়ী মোসা. ফাইমা খাতুন। সংবাদ সম্মেলনে তাঁর প্রতি সমর্থন ও সংহতি জানিয়েছেন অভিযুক্ত নর্থ বেঙ্গল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি পারভেজ রানা, গোয়ালকান্দি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি শাহীন আলম এবং হামিরকুৎসা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি সুমন।

​সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠকালে মৃত মোহাম্মদ আলী খামারুর কন্যা ফাইমা খাতুন কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি জানান, ২০১০ সাল থেকে তাঁর স্বামী শাহ মো. শরিফুল ইসলাম রাজু বাগমারা উপজেলার হামিরকুৎসা, গোয়ালকান্দি, পলাশী, চন্দ্রপুর, উদপাড়া, ডাংগাপাড়া ও রায়পুরসহ বিভিন্ন এলাকায় কোটি কোটি টাকার মেশিন ও তার কিনে ডিশ ব্যবসা গড়ে তোলেন। সরকারি সমস্ত লাইসেন্স ও নিয়মিত ট্যাক্স-খাজনা দিয়ে তারা ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন।

​কিন্তু ২০২১ সালে ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যুবলীগ নেতা ইমন তাদের সাজানো লাইনে হামলা চালিয়ে মেশিন ও তার কেড়ে নেয় এবং ফাইমা খাতুন ও তাঁর সন্তানদের প্রচণ্ড মারধর করে। এই ঘটনার পর তীব্র মানসিক আঘাতে তাঁর স্বামী মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন। এরপর সন্তানদের রিযিকের তাগিদে ফাইমা খাতুন একাই এই ব্যবসার হাল ধরেন এবং দীর্ঘদিন লড়াই করে কিছু এলাকা উদ্ধার করেন।

​ফাইমা খাতুন অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ফ্যাসিষ্ট সরকারের পতনের পর গোয়ালকান্দি এলাকার যুবদল নেতা আসাদুল ইসলাম নতুন করে ডিশ লাইন ও ব্যবসাটি জোরপূর্বক দখল করে নেন। ব্যবসা ফেরত পাওয়ার জন্য তিনি স্থানীয় বাগমারা থানা পুলিশ, সেনাবাহিনী, ইউএনও, এসপি এবং  কর্তৃপক্ষ বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এমনকি বাগমারা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের শীর্ষ নেতাদের দ্বারস্থ হলেও আসাদুল কারও কথা তোয়াক্কা করেনি।।

এই বিষয় নিয়ে আসাদুল ইসলাম এর সাথে ফোনে যোগাযোগ করা চেষ্টা করে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


Daily Joypur Barta



কপিরাইট © ২০২৬ Daily Joypur Barta । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত