জয়পুরহাটে কিশোরী ধর্ষণ মামলায় সিরাতুল ইসলাম মোসতাকিন রনি (২৮) নামের এক যুবককে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের একটি ধারায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে তাকে এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এই অর্থ পরিশোধ না তাকে আসামিকে আরও এক বছরের কারাভোগ করতে হবে।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে জয়পুরহাট শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মো: আবদুর রহমান এ রায় দেন। রায়ের সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিল। পরে তাকে কড়া পুলিশি পাহারায় কারাগারে পাঠানো হয়। বিষয়টি আদালতের পরিদর্শক আবু বকর সিদ্দিক নিশ্চিত করেছেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত সিরাতুল ইসলাম মোসতাকিন রনির বাড়ি এ জেলার আক্কেলপুর উপজেলার তেমারিয়া এলাকায়। তিনি বর্তমানে বান্দরবানের আলীকদম সেনানিবাসে সৈনিক পদে কর্মরত রয়েছেন।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ থেকে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার বাবা প্রবাসে থাকার সুবাদে সে তার মাকে নিয়ে আক্কেলপুর উপজেলার তেমারিয়া গ্রামে নানা বাড়িতে থাকতেন। ২০২২ সালের ১৪ জুন বাড়ির পাশে সহপাঠীদের সাথে খেলার সময় সিরাতুল ইসলাম তাকে চকলেট খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে নিজের চাচার বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয় এবং বিষয়টি কাউকে না জানাতে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করা হয়।
পরদিন ওই কিশোরী অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের কাছে পুরো ঘটনা খুলে বলে। এই ঘটনায় ৫ আগস্ট আক্কেলপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলার দীর্ঘ শুনানি শেষে আজ সিরাতুল ইসলামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুন ২০২৬
জয়পুরহাটে কিশোরী ধর্ষণ মামলায় সিরাতুল ইসলাম মোসতাকিন রনি (২৮) নামের এক যুবককে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের একটি ধারায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে তাকে এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এই অর্থ পরিশোধ না তাকে আসামিকে আরও এক বছরের কারাভোগ করতে হবে।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে জয়পুরহাট শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মো: আবদুর রহমান এ রায় দেন। রায়ের সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিল। পরে তাকে কড়া পুলিশি পাহারায় কারাগারে পাঠানো হয়। বিষয়টি আদালতের পরিদর্শক আবু বকর সিদ্দিক নিশ্চিত করেছেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত সিরাতুল ইসলাম মোসতাকিন রনির বাড়ি এ জেলার আক্কেলপুর উপজেলার তেমারিয়া এলাকায়। তিনি বর্তমানে বান্দরবানের আলীকদম সেনানিবাসে সৈনিক পদে কর্মরত রয়েছেন।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ থেকে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার বাবা প্রবাসে থাকার সুবাদে সে তার মাকে নিয়ে আক্কেলপুর উপজেলার তেমারিয়া গ্রামে নানা বাড়িতে থাকতেন। ২০২২ সালের ১৪ জুন বাড়ির পাশে সহপাঠীদের সাথে খেলার সময় সিরাতুল ইসলাম তাকে চকলেট খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে নিজের চাচার বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয় এবং বিষয়টি কাউকে না জানাতে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করা হয়।
পরদিন ওই কিশোরী অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের কাছে পুরো ঘটনা খুলে বলে। এই ঘটনায় ৫ আগস্ট আক্কেলপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলার দীর্ঘ শুনানি শেষে আজ সিরাতুল ইসলামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

আপনার মতামত লিখুন