পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, জসীম উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ ও তীব্র শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। অসুস্থতার শারীরিক কষ্ট এবং পরিবারের চরম আর্থিক অনটনের কারণে তিনি মানসিক বিষণ্ণতায় ভুগছিলেন। গতকাল দুপুরে পরিবারের সবার অগোচরে নিজ বসতবাড়ির পাশের একটি ঘরে রশি দিয়ে গলায় ফাঁস নেন তিনি। পরে স্বজনরা তাঁর ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পায়।
দুপচাঁচিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তাজমিলুর রহমান জানান, মৃত্যুর পেছনে অন্য কোনো কারণ বা কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ না থাকায় এবং পরিবারের লিখিত আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুন ২০২৬
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, জসীম উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ ও তীব্র শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। অসুস্থতার শারীরিক কষ্ট এবং পরিবারের চরম আর্থিক অনটনের কারণে তিনি মানসিক বিষণ্ণতায় ভুগছিলেন। গতকাল দুপুরে পরিবারের সবার অগোচরে নিজ বসতবাড়ির পাশের একটি ঘরে রশি দিয়ে গলায় ফাঁস নেন তিনি। পরে স্বজনরা তাঁর ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পায়।
দুপচাঁচিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তাজমিলুর রহমান জানান, মৃত্যুর পেছনে অন্য কোনো কারণ বা কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ না থাকায় এবং পরিবারের লিখিত আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন