জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলা বিএনপি খাদ্য ও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারীকে নিয়ে একটি সাপ্তাহিক পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে।
মঙ্গলবার (১৭ জুন) বিকেলে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. কামরুজ্জামান কমল ও সাধারণ সম্পাদক আরিফ ইফতেখার আহমেদ (রানা) স্বাক্ষরিত এক প্রতিবাদ লিপিতে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবাদ লিপিতে বলা হয়, গত ৮ জুন একটি সাপ্তাহিক পত্রিকায় প্রকাশিত “খাদ্য প্রতিমন্ত্রীকে নিয়ে কথিত ৩ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি সংকট” শীর্ষক প্রতিবেদনে যে অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে, তা ভিত্তিহীন, অনুমাননির্ভর ও অসৎ উদ্দেশ্য প্রণোদিত। প্রতিবেদনে উত্থাপিত অভিযোগের পক্ষে কোনো তথ্যভিত্তিক বা প্রমাণযোগ্য উপাদান উপস্থাপন করা হয়নি বলেও দাবি করা হয়।
আক্কেলপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি কামরুজ্জামান কমল বলেন, “গত ৫০ বছরে জয়পুরহাট থেকে আমরা কোনো মন্ত্রী পাইনি। তিনি একজন অত্যন্ত দক্ষ, সৎ ও যোগ্য ব্যক্তি। দীর্ঘ চাকরি জীবনে তাঁর বিরুদ্ধে কোনো ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ ওঠেনি। তাঁর সততা, দক্ষতা ও কর্মনিষ্ঠার স্বীকৃতি হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাঁকে দুটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব প্রদান করেছেন। কিন্তু কিছু হলুদ সাংবাদিক তাঁর সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে ভিত্তিহীন ও মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করছে। এসব সংবাদের কোনো সত্যতা নেই। আমরা এ ধরনের অপপ্রচার ও মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের তীব্র নিন্দা জানাই এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।”
নেতারা বলেন, ২০১৪ সালে শুরু হওয়া একটি প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৫ সালে শেষ হয়েছে। মেয়াদোত্তীর্ণ ওই প্রকল্পের সঙ্গে বর্তমান খাদ্য প্রতিমন্ত্রীর নাম জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশ করা গ্রহণযোগ্য নয়।

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুন ২০২৬
জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলা বিএনপি খাদ্য ও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারীকে নিয়ে একটি সাপ্তাহিক পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে।
মঙ্গলবার (১৭ জুন) বিকেলে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. কামরুজ্জামান কমল ও সাধারণ সম্পাদক আরিফ ইফতেখার আহমেদ (রানা) স্বাক্ষরিত এক প্রতিবাদ লিপিতে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবাদ লিপিতে বলা হয়, গত ৮ জুন একটি সাপ্তাহিক পত্রিকায় প্রকাশিত “খাদ্য প্রতিমন্ত্রীকে নিয়ে কথিত ৩ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি সংকট” শীর্ষক প্রতিবেদনে যে অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে, তা ভিত্তিহীন, অনুমাননির্ভর ও অসৎ উদ্দেশ্য প্রণোদিত। প্রতিবেদনে উত্থাপিত অভিযোগের পক্ষে কোনো তথ্যভিত্তিক বা প্রমাণযোগ্য উপাদান উপস্থাপন করা হয়নি বলেও দাবি করা হয়।
আক্কেলপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি কামরুজ্জামান কমল বলেন, “গত ৫০ বছরে জয়পুরহাট থেকে আমরা কোনো মন্ত্রী পাইনি। তিনি একজন অত্যন্ত দক্ষ, সৎ ও যোগ্য ব্যক্তি। দীর্ঘ চাকরি জীবনে তাঁর বিরুদ্ধে কোনো ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ ওঠেনি। তাঁর সততা, দক্ষতা ও কর্মনিষ্ঠার স্বীকৃতি হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাঁকে দুটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব প্রদান করেছেন। কিন্তু কিছু হলুদ সাংবাদিক তাঁর সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে ভিত্তিহীন ও মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করছে। এসব সংবাদের কোনো সত্যতা নেই। আমরা এ ধরনের অপপ্রচার ও মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের তীব্র নিন্দা জানাই এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।”
নেতারা বলেন, ২০১৪ সালে শুরু হওয়া একটি প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৫ সালে শেষ হয়েছে। মেয়াদোত্তীর্ণ ওই প্রকল্পের সঙ্গে বর্তমান খাদ্য প্রতিমন্ত্রীর নাম জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশ করা গ্রহণযোগ্য নয়।

আপনার মতামত লিখুন