জয়পুরহাটে যানজট নিরসনের পাশাপাশি মাদক, বাল্যবিবাহ, চুরি, কিশোর গ্যাং, ধর্ষণ, ইভটিজিং, অবৈধ বালুমহল, পতিতাবৃত্তি ও লাইসেন্স সংক্রান্ত দালালির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে আরও কার্যকর ও সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
শনিবার ( ১৩ জুন) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা আইন- শৃঙ্খলা কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক আল মামুন মিয়া।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী এমপি। জয়পুরহাট-১ আসনের এমপি মো. ফজলুর রহমান সাঈদ, জয়পুরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক মাসুদ রানা প্রধানসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।
সভায় বক্তারা বলেন, যানজট ও সামাজিক অপরাধ সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়াচ্ছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এসব সমস্যা মোকাবিলায় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।
বক্তারা জনদুর্ভোগ কমানো, সামাজিক অপরাধ দমন এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, একটি নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও জনবান্ধব জয়পুরহাট গড়ে তুলতে প্রশাসন ও সাধারণ মানুষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। সভা থেকে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের আহ্বান জানানো হয়।

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬
জয়পুরহাটে যানজট নিরসনের পাশাপাশি মাদক, বাল্যবিবাহ, চুরি, কিশোর গ্যাং, ধর্ষণ, ইভটিজিং, অবৈধ বালুমহল, পতিতাবৃত্তি ও লাইসেন্স সংক্রান্ত দালালির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে আরও কার্যকর ও সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
শনিবার ( ১৩ জুন) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা আইন- শৃঙ্খলা কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক আল মামুন মিয়া।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী এমপি। জয়পুরহাট-১ আসনের এমপি মো. ফজলুর রহমান সাঈদ, জয়পুরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক মাসুদ রানা প্রধানসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।
সভায় বক্তারা বলেন, যানজট ও সামাজিক অপরাধ সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়াচ্ছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এসব সমস্যা মোকাবিলায় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।
বক্তারা জনদুর্ভোগ কমানো, সামাজিক অপরাধ দমন এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, একটি নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও জনবান্ধব জয়পুরহাট গড়ে তুলতে প্রশাসন ও সাধারণ মানুষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। সভা থেকে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের আহ্বান জানানো হয়।

আপনার মতামত লিখুন