জয়পুরহাট    বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Daily Joypur Barta

কালাইয়ে স্কুল কমিটির নির্বাচনে দুই প্যানেলের সংঘর্ষ, আহত ৯



কালাইয়ে স্কুল কমিটির নির্বাচনে দুই প্যানেলের সংঘর্ষ, আহত ৯
ছবি- দৈনিক জয়পুরবার্তা

জয়পুরহাটের কালাইয়ের করিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুই প্যানেলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৯ জন আহত হয়েছেন।

সোমবার (৮ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে ভোট গ্রহণ চলাকালে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রের বাইরে এই সংঘর্ষ ঘটে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম। তিনি রাত ৮টায় বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় কোনো পক্ষ অভিযোগ বা এজাহার দেননি।

আহতরা হলেন- প্রার্থী শেখ শাহাঙ্গীর আলম এবং তার কর্মী-সমর্থক শেখ হাবিবুর রহমান, মিথুন মন্ডল ও ইউসুফ আলী। এছাড়া প্রতিপক্ষ প্যানেলের আহতদের মধ্যে রয়েছেন সাদিক হোসেন, মুনছুর রহমান, জুয়েল রানা, রশিদুল ইসলাম ও রানা মিয়া। স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠিয়ে দেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার জিন্দারপুর ইউনিয়নের করিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির চারজন অভিভাবক সদস্য নির্বাচনের জন্য সোমবার সকাল ৯টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। নির্বাচনে আনিছুর রহমান ও শেখ শাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে দুটি প্যানেলের ৮ জন এবং একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। মোট ৩৪০ জন ভোটারের মধ্যে ভোট গ্রহণ চলাকালে দুপুর আড়াইটার দিকে লাইনে দাঁড়ানো এক ভোটারের সাথে কথা বলাকে কেন্দ্র করে দুই প্যানেলের সমর্থকদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে সংঘর্ষে হয়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এক প্যানেলের প্রার্থী শেখ শাহাঙ্গীর আলম বলেন, আনিছুর প্যানেলের লোকজন পরাজয় নিশ্চিত জেনে ভোটের আগে থেকেই আমার সমর্থকদের হুমকি দিয়ে আসছিল। আজ তারা বাইরে থেকে ভাড়াটে লোকজন এনে আমার ওপর ও আমার কর্মী-সমর্থকদের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়েছে।

অপর প্যানেলের প্রার্থী আনিছুর রহমান বলেন, শাহাঙ্গীর মিথ্যা বাহানা করছেন। বরং আমাদের পক্ষেরই বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। আগে আহতদের চিকিৎসা সম্পন্ন হোক, তারপর আমরা প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেব।

কালাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামিম আরা বলেন, মারামারির বিছিন্ন ঘটনাটি কেন্দ্রের বাহিরে ঘটেছে। কেন্দ্রে কোন প্রভাব পড়েনি। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেছে। সংশ্লিষ্টরা ভোট গ্রহণ শেষে ফলাফল ঘোষণা করে ফিরে এসেছেন। এ বিষয়ে আমার কেউ কোন অভিযোগ করেননি।

আপনার মতামত লিখুন

Daily Joypur Barta

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬


কালাইয়ে স্কুল কমিটির নির্বাচনে দুই প্যানেলের সংঘর্ষ, আহত ৯

প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬

featured Image

জয়পুরহাটের কালাইয়ের করিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুই প্যানেলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৯ জন আহত হয়েছেন।

সোমবার (৮ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে ভোট গ্রহণ চলাকালে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রের বাইরে এই সংঘর্ষ ঘটে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম। তিনি রাত ৮টায় বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় কোনো পক্ষ অভিযোগ বা এজাহার দেননি।

আহতরা হলেন- প্রার্থী শেখ শাহাঙ্গীর আলম এবং তার কর্মী-সমর্থক শেখ হাবিবুর রহমান, মিথুন মন্ডল ও ইউসুফ আলী। এছাড়া প্রতিপক্ষ প্যানেলের আহতদের মধ্যে রয়েছেন সাদিক হোসেন, মুনছুর রহমান, জুয়েল রানা, রশিদুল ইসলাম ও রানা মিয়া। স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠিয়ে দেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার জিন্দারপুর ইউনিয়নের করিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির চারজন অভিভাবক সদস্য নির্বাচনের জন্য সোমবার সকাল ৯টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। নির্বাচনে আনিছুর রহমান ও শেখ শাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে দুটি প্যানেলের ৮ জন এবং একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। মোট ৩৪০ জন ভোটারের মধ্যে ভোট গ্রহণ চলাকালে দুপুর আড়াইটার দিকে লাইনে দাঁড়ানো এক ভোটারের সাথে কথা বলাকে কেন্দ্র করে দুই প্যানেলের সমর্থকদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে সংঘর্ষে হয়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এক প্যানেলের প্রার্থী শেখ শাহাঙ্গীর আলম বলেন, আনিছুর প্যানেলের লোকজন পরাজয় নিশ্চিত জেনে ভোটের আগে থেকেই আমার সমর্থকদের হুমকি দিয়ে আসছিল। আজ তারা বাইরে থেকে ভাড়াটে লোকজন এনে আমার ওপর ও আমার কর্মী-সমর্থকদের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়েছে।

অপর প্যানেলের প্রার্থী আনিছুর রহমান বলেন, শাহাঙ্গীর মিথ্যা বাহানা করছেন। বরং আমাদের পক্ষেরই বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। আগে আহতদের চিকিৎসা সম্পন্ন হোক, তারপর আমরা প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেব।

কালাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামিম আরা বলেন, মারামারির বিছিন্ন ঘটনাটি কেন্দ্রের বাহিরে ঘটেছে। কেন্দ্রে কোন প্রভাব পড়েনি। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেছে। সংশ্লিষ্টরা ভোট গ্রহণ শেষে ফলাফল ঘোষণা করে ফিরে এসেছেন। এ বিষয়ে আমার কেউ কোন অভিযোগ করেননি।


Daily Joypur Barta



কপিরাইট © ২০২৬ Daily Joypur Barta । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত