জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে দ্রুত সহায়তার ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন।
শুক্রবার (০৮ মে) বিকেলে প্রতিমন্ত্রী উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের ভানুরকান্দা গ্রাম ও পৌর এলাকার সোনামুখি এলাকায় যান। সেখানে ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত বসতঘর, উপড়ে পড়া গাছপালা এবং নষ্ট হয়ে যাওয়া বোরো ধানের ক্ষেত ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সঙ্গে কথা বলে তাদের দুর্ভোগের কথা শোনেন।
পরিদর্শনকালে স্থানীয় প্রশাসনকে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করে দ্রুত সহায়তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন প্রতিমন্ত্রী।
গত বুধবার দুপুরে আকস্মিক কালবৈশাখী ঝড়ে আক্কেলপুর উপজেলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। ঝড়ের সময় অন্তত ৪৫টি বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে পড়ে এবং বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে যায়। এতে উপজেলার প্রায় ৭৫টি গ্রামের প্রায় ৩০ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। পাশাপাশি বহু ঘরবাড়ি, গাছপালা ও ফসলের মাঠ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
শুক্রবার উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে গোপীনাথপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ২০২৫–২৬ অর্থ বছরের উপজেলা উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) ও রাজস্ব উদ্বৃত্ত তহবিলের আওতায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ক্লাব, কৃষক, যুবসমাজ এবং অসচ্ছল নারীদের মধ্যে সেলাই মেশিন, শিক্ষা ও ক্রীড়া সামগ্রী এবং কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে সরকার রয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করে দ্রুত সহায়তা দেওয়া হবে।”
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আক্কেলপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা জান্নাত, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবিদা খানম বৈশাখী, উপজেলা বিএনপির সভাপতি কামরুজ্জামান কমল ও সাধারণ সম্পাদক আরিফ ইফতেখার রানা, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনিনুর ইসলাম পল্টু, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি গোলাম মাহফুজ শুভ, সাধারন সম্পাদক শাকিল হোসেন, বিএনপি নেতা এম কেরামত আলী, সাবেক প্যানেল মেয়র রফিকুল ইসলাম চপল, জুলফিকার আলী শ্যামল, যুব নেতা ওয়ালিওল্যাহ খাঁন রতন, রিপন হোসেন, সাবেক কাউন্সিলর আব্দুর রউফ মাজেদ, বিএনপি নেতা তরিকুল ইসলাম তুহিনসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মে ২০২৬
জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে দ্রুত সহায়তার ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন।
শুক্রবার (০৮ মে) বিকেলে প্রতিমন্ত্রী উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের ভানুরকান্দা গ্রাম ও পৌর এলাকার সোনামুখি এলাকায় যান। সেখানে ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত বসতঘর, উপড়ে পড়া গাছপালা এবং নষ্ট হয়ে যাওয়া বোরো ধানের ক্ষেত ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সঙ্গে কথা বলে তাদের দুর্ভোগের কথা শোনেন।
পরিদর্শনকালে স্থানীয় প্রশাসনকে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করে দ্রুত সহায়তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন প্রতিমন্ত্রী।
গত বুধবার দুপুরে আকস্মিক কালবৈশাখী ঝড়ে আক্কেলপুর উপজেলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। ঝড়ের সময় অন্তত ৪৫টি বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে পড়ে এবং বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে যায়। এতে উপজেলার প্রায় ৭৫টি গ্রামের প্রায় ৩০ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। পাশাপাশি বহু ঘরবাড়ি, গাছপালা ও ফসলের মাঠ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
শুক্রবার উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে গোপীনাথপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ২০২৫–২৬ অর্থ বছরের উপজেলা উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) ও রাজস্ব উদ্বৃত্ত তহবিলের আওতায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ক্লাব, কৃষক, যুবসমাজ এবং অসচ্ছল নারীদের মধ্যে সেলাই মেশিন, শিক্ষা ও ক্রীড়া সামগ্রী এবং কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে সরকার রয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করে দ্রুত সহায়তা দেওয়া হবে।”
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আক্কেলপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা জান্নাত, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবিদা খানম বৈশাখী, উপজেলা বিএনপির সভাপতি কামরুজ্জামান কমল ও সাধারণ সম্পাদক আরিফ ইফতেখার রানা, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনিনুর ইসলাম পল্টু, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি গোলাম মাহফুজ শুভ, সাধারন সম্পাদক শাকিল হোসেন, বিএনপি নেতা এম কেরামত আলী, সাবেক প্যানেল মেয়র রফিকুল ইসলাম চপল, জুলফিকার আলী শ্যামল, যুব নেতা ওয়ালিওল্যাহ খাঁন রতন, রিপন হোসেন, সাবেক কাউন্সিলর আব্দুর রউফ মাজেদ, বিএনপি নেতা তরিকুল ইসলাম তুহিনসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।

আপনার মতামত লিখুন