রাজশাহী নগরীর শাহমখদুম থানার উত্তর নওদাপাড়া, ভুগরোইল (সিহাবের মোড়) এলাকায় প্রায় এক মাস ধরে রাতের আঁধারে একটি বড় পুকুর খননের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, খনন করা মাটি ট্রাক্টরে করে বিভিন্ন ইটভাটায় নেওয়া হচ্ছে।
সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয় সাংবাদিক আবির শেখ জানান, রাতের আধারে লোকজন প্রহরায় রেখে পুকুর খননের কাজ চালানো হচ্ছে। খননকৃত মাটি ট্রাক্টরে করে ইটভাটায় বিক্রি করা হচ্ছে। পুকুরটির আয়তন প্রায় ১৮ বিঘা বলে দাবি করেন তিনি।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রশাসনের নজর এড়াতে একটানা খনন না করে দু-একদিন পরপর রাতের বেলায় ভেকু মেশিন দ্বারা কনন কাজ করা হচ্ছে। ট্রাক্টরে মাটি পরিবহনের কারণে এলাকার পাকা ও কাঁচা রাস্তা নষ্ট হচ্ছে। শুক্রবারের বৃষ্টির পর কাদা পানিতে সড়কের অবস্থা আরও খারাপ হয়ে পড়ে।
এলাকাবাসী জানান, মহল্লার মধ্যে বড় এই পুকুরটি খননের ফলে আশপাশের অনেক পরিবার চরম ভোগান্তিতে পড়বে। পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্যও বিঘ্নিত হতে পারে। দ্রুত খনন বন্ধ করে উত্তোলিত মাটি পুনরায় খননস্থলে ফেলার দাবি জানিয়েছেন তারা।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে খননকাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রাজু বলেন, জেলা প্রশাসকের প্রশাসকের কার্যালয় থেকে পুকুর খননের অনুমতি নেওয়া হয়েছে। পরে তিনি সাক্ষাতে কাগজ দেখাবেন বললেও, তা দেখাতে পারেন নি।
শাহমখদুম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন, পুকুর খনন বন্ধের বিষয়টি ইউএনও ও এসিল্যান্ডের দায়িত্ব। তারা সহযোগিতা চাইলে পুলিশ পাশে থাকবে।
এ বিষয়ে পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ ইবনুল আবেদীন বলেন, পুকুর খননের সুনির্দিষ্ট ঠিকানা জানান, আমি ব্যবস্থা নিচ্ছি।
এ ঘটনায় দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে রাজশাহীর জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
রাজশাহী নগরীর শাহমখদুম থানার উত্তর নওদাপাড়া, ভুগরোইল (সিহাবের মোড়) এলাকায় প্রায় এক মাস ধরে রাতের আঁধারে একটি বড় পুকুর খননের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, খনন করা মাটি ট্রাক্টরে করে বিভিন্ন ইটভাটায় নেওয়া হচ্ছে।
সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয় সাংবাদিক আবির শেখ জানান, রাতের আধারে লোকজন প্রহরায় রেখে পুকুর খননের কাজ চালানো হচ্ছে। খননকৃত মাটি ট্রাক্টরে করে ইটভাটায় বিক্রি করা হচ্ছে। পুকুরটির আয়তন প্রায় ১৮ বিঘা বলে দাবি করেন তিনি।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রশাসনের নজর এড়াতে একটানা খনন না করে দু-একদিন পরপর রাতের বেলায় ভেকু মেশিন দ্বারা কনন কাজ করা হচ্ছে। ট্রাক্টরে মাটি পরিবহনের কারণে এলাকার পাকা ও কাঁচা রাস্তা নষ্ট হচ্ছে। শুক্রবারের বৃষ্টির পর কাদা পানিতে সড়কের অবস্থা আরও খারাপ হয়ে পড়ে।
এলাকাবাসী জানান, মহল্লার মধ্যে বড় এই পুকুরটি খননের ফলে আশপাশের অনেক পরিবার চরম ভোগান্তিতে পড়বে। পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্যও বিঘ্নিত হতে পারে। দ্রুত খনন বন্ধ করে উত্তোলিত মাটি পুনরায় খননস্থলে ফেলার দাবি জানিয়েছেন তারা।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে খননকাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রাজু বলেন, জেলা প্রশাসকের প্রশাসকের কার্যালয় থেকে পুকুর খননের অনুমতি নেওয়া হয়েছে। পরে তিনি সাক্ষাতে কাগজ দেখাবেন বললেও, তা দেখাতে পারেন নি।
শাহমখদুম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন, পুকুর খনন বন্ধের বিষয়টি ইউএনও ও এসিল্যান্ডের দায়িত্ব। তারা সহযোগিতা চাইলে পুলিশ পাশে থাকবে।
এ বিষয়ে পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ ইবনুল আবেদীন বলেন, পুকুর খননের সুনির্দিষ্ট ঠিকানা জানান, আমি ব্যবস্থা নিচ্ছি।
এ ঘটনায় দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে রাজশাহীর জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।

আপনার মতামত লিখুন