নিউইয়র্কে অবস্থিত জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত আদিবাসী বিষয়ক স্থায়ী ফোরামের ২৫তম অধিবেশনে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন ও নৃ-গোষ্ঠীর উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরেছে বাংলাদেশ।
অধিবেশনে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের সংবিধান ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, লিঙ্গ বা জন্মস্থান নির্বিশেষে সকল নাগরিককে সমান অধিকার দিয়েছে। তিনি জানান, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পার্বত্য শান্তিচুক্তির বাস্তবায়ন অব্যাহত রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, শান্তিচুক্তির মোট ৭২টি ধারার মধ্যে ৬৫টি ইতোমধ্যে সম্পূর্ণ বাস্তবায়িত হয়েছে, ৩টি আংশিকভাবে বাস্তবায়িত এবং ৪টি ধারা বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।
বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রামে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা, ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তিতে জরিপ ও ব্যবস্থাপনা উদ্যোগসহ সার্বিক উন্নয়নে সরকারের নানা কার্যক্রম তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসনব্যবস্থা জোরদারে প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক বিশেষ সহকারী নিয়োগের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী সম্প্রসারণ, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, ডিজিটাল সংযোগ বৃদ্ধি ও জীবিকার বৈচিত্রায়নের মাধ্যমে দারিদ্র্য ও বৈষম্য হ্রাসে নেওয়া উদ্যোগগুলোর কথাও তুলে ধরা হয়।
নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে বৃত্তি, বহুভাষিক ও ই-লার্নিং ব্যবস্থা, জেলা হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কমিউনিটি ক্লিনিক ও মোবাইল মেডিক্যাল টিম চালুর বিষয় উল্লেখ করেন সচিব। এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় পার্বত্য জেলাগুলোতে ২০ লাখ বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
উল্লেখ্য, গত ২০ এপ্রিল থেকে ১ মে ২০২৬ পর্যন্ত দুই সপ্তাহব্যাপী এ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এতে মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল অংশ নিচ্ছে। প্রতিনিধিদলে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমাসহ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বিভিন্ন নৃ-গোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করছেন।
জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের অধীনে পরিচালিত এই স্থায়ী ফোরাম বিশ্বব্যাপী আদিবাসীদের বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে কাজ করে থাকে।

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
নিউইয়র্কে অবস্থিত জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত আদিবাসী বিষয়ক স্থায়ী ফোরামের ২৫তম অধিবেশনে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন ও নৃ-গোষ্ঠীর উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরেছে বাংলাদেশ।
অধিবেশনে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের সংবিধান ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, লিঙ্গ বা জন্মস্থান নির্বিশেষে সকল নাগরিককে সমান অধিকার দিয়েছে। তিনি জানান, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পার্বত্য শান্তিচুক্তির বাস্তবায়ন অব্যাহত রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, শান্তিচুক্তির মোট ৭২টি ধারার মধ্যে ৬৫টি ইতোমধ্যে সম্পূর্ণ বাস্তবায়িত হয়েছে, ৩টি আংশিকভাবে বাস্তবায়িত এবং ৪টি ধারা বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।
বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রামে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা, ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তিতে জরিপ ও ব্যবস্থাপনা উদ্যোগসহ সার্বিক উন্নয়নে সরকারের নানা কার্যক্রম তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসনব্যবস্থা জোরদারে প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক বিশেষ সহকারী নিয়োগের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী সম্প্রসারণ, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, ডিজিটাল সংযোগ বৃদ্ধি ও জীবিকার বৈচিত্রায়নের মাধ্যমে দারিদ্র্য ও বৈষম্য হ্রাসে নেওয়া উদ্যোগগুলোর কথাও তুলে ধরা হয়।
নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে বৃত্তি, বহুভাষিক ও ই-লার্নিং ব্যবস্থা, জেলা হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কমিউনিটি ক্লিনিক ও মোবাইল মেডিক্যাল টিম চালুর বিষয় উল্লেখ করেন সচিব। এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় পার্বত্য জেলাগুলোতে ২০ লাখ বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
উল্লেখ্য, গত ২০ এপ্রিল থেকে ১ মে ২০২৬ পর্যন্ত দুই সপ্তাহব্যাপী এ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এতে মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল অংশ নিচ্ছে। প্রতিনিধিদলে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমাসহ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বিভিন্ন নৃ-গোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করছেন।
জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের অধীনে পরিচালিত এই স্থায়ী ফোরাম বিশ্বব্যাপী আদিবাসীদের বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে কাজ করে থাকে।

আপনার মতামত লিখুন