তীব্র লোডশেডিং ও জ্বালানির অভাবে বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে জেনারেটর অকেজো থাকায় বিকল্প বিদ্যুতের কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেই, ফলে রোগী ও স্বজনদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে জরুরি বিভাগ, ল্যাব পরীক্ষা এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সেবা কার্যক্রমে নিয়মিত বিঘ্ন ঘটছে। বিশেষ করে রাতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে পড়ে। এতে শিশু ও বয়স্ক রোগীরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে পড়ছেন।
দুপচাঁচিয়া বিদ্যুৎ বিতরণ কেন্দ্র ও পল্লী বিদ্যুৎ সূত্রে জানা যায়, গত এক সপ্তাহে উপজেলাগুলোতে লোডশেডিংয়ের মাত্রা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। কোথাও কোথাও দিনে-রাতে মিলিয়ে ৭ থেকে ১০ ঘণ্টারও বেশি সময় বিদ্যুৎ থাকছে না।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মেহেদী হাসান বলেন, “স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জেনারেটরের জ্বালানির জন্য আলাদা কোনো বরাদ্দ নেই। আগে পৌরসভা থেকে জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হতো, কিন্তু সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির পর তা বন্ধ হয়ে যায়। ফলে জেনারেটরটি দীর্ঘদিন ধরে অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে।”
আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মশিউর রহমান বলেন, “লোডশেডিংয়ের কারণে স্বাভাবিক সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। পর্যাপ্ত জ্বালানি না থাকায় বিকল্প হিসেবে রিচার্জেবল বাল্ব ব্যবহার করে সীমিত আলোতে সেবা দিতে হচ্ছে।”
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জরুরি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। পাশাপাশি টেকসই বিকল্প জ্বালানি ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
এ বিষয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, জরুরি স্থাপনাগুলোর জন্য পৃথক বিদ্যুৎ লাইন চালুর বিষয়ে মন্ত্রণালয় থেকে নতুন নির্দেশনা এসেছে। তবে তা বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত এ সংকটের সমাধান সম্ভব নয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বর্তমানে সীমিত জ্বালানি বরাদ্দ থাকলেও তীব্র লোডশেডিংয়ের কারণে চাহিদা বেড়ে গেছে। কিন্তু সে অনুযায়ী বরাদ্দ বৃদ্ধি না পাওয়ায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেবায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬
তীব্র লোডশেডিং ও জ্বালানির অভাবে বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে জেনারেটর অকেজো থাকায় বিকল্প বিদ্যুতের কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেই, ফলে রোগী ও স্বজনদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে জরুরি বিভাগ, ল্যাব পরীক্ষা এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সেবা কার্যক্রমে নিয়মিত বিঘ্ন ঘটছে। বিশেষ করে রাতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে পড়ে। এতে শিশু ও বয়স্ক রোগীরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে পড়ছেন।
দুপচাঁচিয়া বিদ্যুৎ বিতরণ কেন্দ্র ও পল্লী বিদ্যুৎ সূত্রে জানা যায়, গত এক সপ্তাহে উপজেলাগুলোতে লোডশেডিংয়ের মাত্রা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। কোথাও কোথাও দিনে-রাতে মিলিয়ে ৭ থেকে ১০ ঘণ্টারও বেশি সময় বিদ্যুৎ থাকছে না।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মেহেদী হাসান বলেন, “স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জেনারেটরের জ্বালানির জন্য আলাদা কোনো বরাদ্দ নেই। আগে পৌরসভা থেকে জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হতো, কিন্তু সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির পর তা বন্ধ হয়ে যায়। ফলে জেনারেটরটি দীর্ঘদিন ধরে অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে।”
আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মশিউর রহমান বলেন, “লোডশেডিংয়ের কারণে স্বাভাবিক সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। পর্যাপ্ত জ্বালানি না থাকায় বিকল্প হিসেবে রিচার্জেবল বাল্ব ব্যবহার করে সীমিত আলোতে সেবা দিতে হচ্ছে।”
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জরুরি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। পাশাপাশি টেকসই বিকল্প জ্বালানি ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
এ বিষয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, জরুরি স্থাপনাগুলোর জন্য পৃথক বিদ্যুৎ লাইন চালুর বিষয়ে মন্ত্রণালয় থেকে নতুন নির্দেশনা এসেছে। তবে তা বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত এ সংকটের সমাধান সম্ভব নয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বর্তমানে সীমিত জ্বালানি বরাদ্দ থাকলেও তীব্র লোডশেডিংয়ের কারণে চাহিদা বেড়ে গেছে। কিন্তু সে অনুযায়ী বরাদ্দ বৃদ্ধি না পাওয়ায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেবায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

আপনার মতামত লিখুন