বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার তাওশিফ ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইনের কারণে যানজটের সৃষ্টি। তেল বিক্রি করতে গাড়ির বৈধ কাগজপত্র চেক করে তেল বিক্রি করতে দেখা গেছে।
এ ছাড়া তেল বিতরণে বিশৃঙ্খলা এড়াতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শাহরুখ খান ও সংশ্লিষ্টদের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় মোটরসাইকেলের মানিকগঞ্জ তাদের আকাঙ্ক্ষিত তেল ফিলিং স্টেশন থেকে নিতে পারছে।
বুধবার ৮ এপ্রিল সকালে তাওসিফ ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, সকাল সাতটা থেকে বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়কে দুপচাঁচিয়া উপজেলার চৌমুহনী বাজার সংলগ্ন অবস্থিত তাওসিফ ফিলিং স্টেশনে পেট্রোল সরবরাহের খবর ছড়িয়ে পড়লে ভোর থেকেই মোটরসাইকেল চালকেরা লাইনে সারি সারি ভাবে দাঁড়িয়ে রয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোর ৪.৩০ মিনিট থেকেই মোটরসাইকেলের সারি সারি লাইন শুরু হয়। অনেক মোটরসাইকেলে তেল থাকা সত্ত্বেও পুনরায় তেল নিতে আসা এবং ডিজেলের জন্য শ্যালো মেশিন নিয়ে লাইনে দাঁড়ানোয় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। মিনিটে মিনিটে হট্টগোল ঘটনা ঘটে।
সুষ্ঠুভাবে তেল বিতরণের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পুলিশ মোতায়েন থেকে তারা কার্যকর ভূমিকা রাখতে বেশ হিমশিম খেতে হচ্ছে।
জনসাধারণের দাবি, উপজেলায় থাকা তিনটি ফিলিং স্টেশনে একসঙ্গে তেল সরবরাহ করলে এমন পরিস্থিতি তৈরি হতো না। অভিযোগ রয়েছে, কিছু মোটরসাইকেলচালক তেল নিয়ে পরে বেশি দামে বিক্রি করছেন।
পাম্প কর্তৃপক্ষ বলছে, পর্যাপ্ত তেলের সরবরাহ না থাকায় এ ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। সরবরাহ স্বাভাবিক হলে তেল বিতরণেও কোনো সমস্যা থাকবে না। অতিরিক্ত চাহিদা ও আতঙ্ক থেকেই বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হচ্ছে।

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার তাওশিফ ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইনের কারণে যানজটের সৃষ্টি। তেল বিক্রি করতে গাড়ির বৈধ কাগজপত্র চেক করে তেল বিক্রি করতে দেখা গেছে।
এ ছাড়া তেল বিতরণে বিশৃঙ্খলা এড়াতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শাহরুখ খান ও সংশ্লিষ্টদের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় মোটরসাইকেলের মানিকগঞ্জ তাদের আকাঙ্ক্ষিত তেল ফিলিং স্টেশন থেকে নিতে পারছে।
বুধবার ৮ এপ্রিল সকালে তাওসিফ ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, সকাল সাতটা থেকে বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়কে দুপচাঁচিয়া উপজেলার চৌমুহনী বাজার সংলগ্ন অবস্থিত তাওসিফ ফিলিং স্টেশনে পেট্রোল সরবরাহের খবর ছড়িয়ে পড়লে ভোর থেকেই মোটরসাইকেল চালকেরা লাইনে সারি সারি ভাবে দাঁড়িয়ে রয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোর ৪.৩০ মিনিট থেকেই মোটরসাইকেলের সারি সারি লাইন শুরু হয়। অনেক মোটরসাইকেলে তেল থাকা সত্ত্বেও পুনরায় তেল নিতে আসা এবং ডিজেলের জন্য শ্যালো মেশিন নিয়ে লাইনে দাঁড়ানোয় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। মিনিটে মিনিটে হট্টগোল ঘটনা ঘটে।
সুষ্ঠুভাবে তেল বিতরণের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পুলিশ মোতায়েন থেকে তারা কার্যকর ভূমিকা রাখতে বেশ হিমশিম খেতে হচ্ছে।
জনসাধারণের দাবি, উপজেলায় থাকা তিনটি ফিলিং স্টেশনে একসঙ্গে তেল সরবরাহ করলে এমন পরিস্থিতি তৈরি হতো না। অভিযোগ রয়েছে, কিছু মোটরসাইকেলচালক তেল নিয়ে পরে বেশি দামে বিক্রি করছেন।
পাম্প কর্তৃপক্ষ বলছে, পর্যাপ্ত তেলের সরবরাহ না থাকায় এ ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। সরবরাহ স্বাভাবিক হলে তেল বিতরণেও কোনো সমস্যা থাকবে না। অতিরিক্ত চাহিদা ও আতঙ্ক থেকেই বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন