বদলগাছী উপজেলায় জমির খাজনা সংক্রান্ত নিয়ম পরিবর্তনের দাবিতে মাইকিং করতে গিয়ে এক ব্যক্তিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে তুলে নিয়ে গালিগালাজ ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।
গত বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। ভুক্তভোগী হোসাইন মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান টুটুল, যিনি রজনীগন্ধা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এবং উপজেলার কোলাহাট এলাকার কয়াভবানীপুর গ্রামের বাসিন্দা।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একই খতিয়ানে একাধিক দাগ নম্বরে থাকা জমির ওপর মোট খাজনা আদায়ের নিয়মের প্রতিবাদে টুটুল উপজেলা ভূমি অফিসের সামনে ভ্যানগাড়িতে মাইকিং করছিলেন। তিনি দাবি করেন, নিজের অংশের জমি বিক্রি বা খাজনা দিতে গেলেও পুরো খতিয়ানের জমির খাজনা পরিশোধ করতে বাধ্য করা হয়, যা সাধারণ মানুষের জন্য অন্যায্য।
মাইকিং চলাকালে তাকে আটক করে ইউএনও কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ। সেখানে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও মারধর করা হয় বলে দাবি করেন তিনি। মারধরের ফলে অসুস্থ হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন।
প্রত্যক্ষদর্শী সাদেকুল ইসলাম উজ্জ্বল জানান, একজন বৃদ্ধ ব্যক্তি শান্তিপূর্ণভাবে খাজনা আইনের পরিবর্তনের দাবিতে মাইকিং করছিলেন। পরে তাকে জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরে মারধরের খবর পাওয়া যায়। এ ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।
টুটুল বলেন, আমার মাত্র পাঁচ কাঠা জমি, অথচ পুরো ৯ একর জমির খাজনা দিতে বলা হচ্ছে। এর প্রতিবাদ করায় আমাকে অপমান ও মারধরের শিকার হতে হয়েছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ইউএনও তার দিকে ওয়েটপেপার ছুড়ে মারেন এবং ড্রাইভার ঘুষি মারলে তিনি পড়ে যান।
অভিযুক্ত ড্রাইভার সুমন হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি শুধু দায়িত্ব পালন করেছেন, মারধরের অভিযোগ সত্য নয়।
বদলগাছী থানার ওসি লুৎফর রহমান জানান, ঘটনাস্থলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা চলছিল এবং সেখান থেকে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত জাহান ছনি বলেন, তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছিল। মারধরের অভিযোগ সঠিক নয়।
ঘটনার পর এলাকায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি, ব্যক্তিগত মালিকানার ভিত্তিতে খাজনা গ্রহণের নিয়ম চালুর দাবিও জোরালো হয়েছে।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে জমির খাজনা ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে এবং প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ এপ্রিল ২০২৬
বদলগাছী উপজেলায় জমির খাজনা সংক্রান্ত নিয়ম পরিবর্তনের দাবিতে মাইকিং করতে গিয়ে এক ব্যক্তিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে তুলে নিয়ে গালিগালাজ ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।
গত বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। ভুক্তভোগী হোসাইন মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান টুটুল, যিনি রজনীগন্ধা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এবং উপজেলার কোলাহাট এলাকার কয়াভবানীপুর গ্রামের বাসিন্দা।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একই খতিয়ানে একাধিক দাগ নম্বরে থাকা জমির ওপর মোট খাজনা আদায়ের নিয়মের প্রতিবাদে টুটুল উপজেলা ভূমি অফিসের সামনে ভ্যানগাড়িতে মাইকিং করছিলেন। তিনি দাবি করেন, নিজের অংশের জমি বিক্রি বা খাজনা দিতে গেলেও পুরো খতিয়ানের জমির খাজনা পরিশোধ করতে বাধ্য করা হয়, যা সাধারণ মানুষের জন্য অন্যায্য।
মাইকিং চলাকালে তাকে আটক করে ইউএনও কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ। সেখানে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও মারধর করা হয় বলে দাবি করেন তিনি। মারধরের ফলে অসুস্থ হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন।
প্রত্যক্ষদর্শী সাদেকুল ইসলাম উজ্জ্বল জানান, একজন বৃদ্ধ ব্যক্তি শান্তিপূর্ণভাবে খাজনা আইনের পরিবর্তনের দাবিতে মাইকিং করছিলেন। পরে তাকে জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরে মারধরের খবর পাওয়া যায়। এ ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।
টুটুল বলেন, আমার মাত্র পাঁচ কাঠা জমি, অথচ পুরো ৯ একর জমির খাজনা দিতে বলা হচ্ছে। এর প্রতিবাদ করায় আমাকে অপমান ও মারধরের শিকার হতে হয়েছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ইউএনও তার দিকে ওয়েটপেপার ছুড়ে মারেন এবং ড্রাইভার ঘুষি মারলে তিনি পড়ে যান।
অভিযুক্ত ড্রাইভার সুমন হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি শুধু দায়িত্ব পালন করেছেন, মারধরের অভিযোগ সত্য নয়।
বদলগাছী থানার ওসি লুৎফর রহমান জানান, ঘটনাস্থলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা চলছিল এবং সেখান থেকে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত জাহান ছনি বলেন, তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছিল। মারধরের অভিযোগ সঠিক নয়।
ঘটনার পর এলাকায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি, ব্যক্তিগত মালিকানার ভিত্তিতে খাজনা গ্রহণের নিয়ম চালুর দাবিও জোরালো হয়েছে।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে জমির খাজনা ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে এবং প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

আপনার মতামত লিখুন